শ্রমিক-মালিকের সেতুবন্ধনে মিডিয়ার ভূমিকা বাড়াতে হবে: অ্যাডভোকেট তুহিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৪৯ পিএম, ১০ মে ২০২৬
জাগো নিউজের সম্পাদক কে. এম. জিয়াউল হকের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জানান লেবার কোর্ট ল’ইয়ারস সোসাইটির সম্পাদক এ এস এম আনিছুজ্জামান তুহিন/ছবি: জাগো নিউজ

জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম জাগো নিউজের এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লেবার কোর্ট ল’ইয়ারস সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক এ এস এম আনিছুজ্জামান তুহিন।

রোববার (১০ মে) জাগো নিউজের কার্যালয়ে এসে তিনি প্রতিষ্ঠানটির সম্পাদক কে. এম. জিয়াউল হকের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেন এবং জাগো নিউজ পরিবারের সব সংবাদকর্মী ও কলাকুশলীদের শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় অ্যাডভোকেট তুহিন বলেন, জাগো নিউজের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে এখানে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আশা করি, মিডিয়া সেক্টরে আপনাদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় ও মজবুত হবে।

তিনি বলেন, আপনাদের প্রকাশিত সংবাদগুলো বস্তুনিষ্ঠ হচ্ছে। জাগো নিউজ দেশের মিডিয়া সেক্টরে আরও ভালো অবস্থানে পৌঁছাবে বলে আমি আশা রাখি।

শ্রমিকদের অধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রতিপালনই যথেষ্ট। কিন্তু আমাদের দেশে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ অনেক কম। মালিকপক্ষ চায় না শ্রমিকরা আইন সম্পর্কে সচেতন হোক, আবার শ্রমিকরাও সচেতনতার অভাবে অনেক সময় অনৈতিক দাবি করে বসে।

অ্যাডভোকেট তুহিন আরও বলেন, আইন ও অধিকারের মাঝখানের এই দূরত্ব ঘোচাতে মিডিয়াকে মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, একটি প্রতিষ্ঠান মালিক তৈরি করেন শ্রমিকের ভাগ্য উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে। সেখানে কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিকের প্রতি যেমন মালিকের দায়িত্ব রয়েছে, তেমনি শ্রমিকেরও দায়িত্ব রয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে সুন্দরভাবে পরিচালনায় সহযোগিতা করা। কারণ কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে তাতে কারও লাভ হয় না, সবার ক্ষতি হয়।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, জাগো নিউজের মতো মিডিয়াগুলো যদি এগিয়ে আসে, তাহলে মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠবে। এর মাধ্যমে দেশে শিল্প বিপ্লব ও শিল্প উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।

এমডিএএ/এমএমকে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।