নবম ওয়েজ বোর্ডের বিষয়ে আপিলের আদেশ আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৫০ এএম, ২০ আগস্ট ২০১৯
ফাইল ছবি

সংবাদপত্রের সাংবাদিক ও কর্মচারীদের বেতন কাঠামো নির্ধারণে গঠিত নবম ওয়েজ বোর্ডের চূড়ান্ত গেজেট (প্রজ্ঞাপন) প্রকাশে স্থিতাবস্থা জারি করে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে।

এ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার আদেশ দেবেন বলে ঠিক করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি শেষে সোমবার (১৯ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ ও অমিত তালুকদার। রিটের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ ও মো. ইউসুফ আলী।

এর আগে গত ১৬ আগস্ট আপিল বিভাগের অবকাশকালীন চেম্বার জজ বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের ওপর শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেছিলেন।

তথ্যসচিব, শ্রমসচিব, নবম ওয়েজ বোর্ডের চেয়ারম্যান, মন্ত্রিসভা কমিটির আহ্বায়ক হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে গত ৮ আগস্ট আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করেন।

গত ৬ আগস্ট নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ওপর দুই মাসের স্থিতাবস্থা জারি করেছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ।

একইসঙ্গে, অংশীজনদের (নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের-নোয়াব) আপত্তি ও সুপারিশ প্রজ্ঞাপনে বিবেচনায় না নেয়া কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তথ্য সচিব, শ্রম সচিব ও ওয়েজ বোর্ডের চেয়ারম্যান নিজামুল হককে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

আগের দিন ৫ আগস্ট হাইকোর্টে রিট করেন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি ও দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ওই আদেশ দেন হাইকোর্ট।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গত ২৫ জুলাই জানিয়েছিলেন, নবম ওয়েজ বোর্ডের সুপারিশ চূড়ান্ত হয়েছে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন করলে তা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হবে। কিন্তু প্রজ্ঞাপন প্রকাশের আগেই রিট করায় হাইকোর্টের আদেশে তা আটকে যায়। চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের আশঙ্কা থেকেই রিট দায়ের করা হয়।

এফএইচ/এমএসএইচ/এমকেএইচ