কোতোয়ালির ওসিসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:২১ পিএম, ১০ আগস্ট ২০২০

ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে রাজধানীর কোতোয়ালি থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক ব্যবসায়ী।

সোমবার (১০ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান নোমানের আদালতে এ মামলা করেন কোতোয়ালি থানার ওই কাপড় ব্যবসায়ী সোহেল।

আদালত মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পিবিআইয়ের একজন এএসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে তদন্তভার দিতে নির্দেশ দেন আদালত।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক পবিত্র সরকার (৪২), খালিদ শেখ (৪৫), সহকারী উপ-পরিদর্শক শাহিনুর রহমান (৪২), কনস্টেবল মো. মিজান (৫২) ও সোর্স মোতালেব।

দণ্ডবিধি ৪২০/৪০৬/৫০৬/১০৯/৩৪/৩৮৫/৩৮৬/৩৪৭ ধারাসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫(১)(ক)(খ) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

মামলার বিষয়ে ওসি মিজান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি মামলার বিষয়টা শুনেছি। আমি কোথায় চাঁদা দাবি করেছি তা তো বলতে পারছি না।’

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মামলার বাদী সোহেলকে গত ২ আগস্ট কোতোয়ালি থানা এলাকার ওয়াইজঘাটে মামলার আসামিরা গতিরোধ করেন। এরপর আসামিরা দেহ তল্লাশি করে তার পকেটে থাকা দুই হাজার ৯০০ টাকা নিয়ে যান। টাকা ফেরত চাইলে জেএমবি বানিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকি দেন এবং তার পকেটে ২১৪ পিস ইয়াবা দিয়ে থানা হাজতে নিয়ে যান।

এরপর খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন এলে আসামিরা তাদের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবি করা চাঁদা না পেলে তাকে জেএমবি ও মাদক মামলায় চালান করে দেবে বলে হুমকি প্রদান করেন। এরপর পরিবার আসামিদের ২ লাখ টাকা প্রদান করেন। এরপর বাদীকে নন-এফআইআর মূলে আদালতে চালান করেন। হাজত থেকে বাদী বের হওয়ার পর ঘটনা প্রকাশ করলে ক্রসফায়ারের হুমকি দেন আসামিরা।

জেএ/এসএইচএস/এফআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]