‘মাদকাসক্ত’ সুরেশকে চাকরি থেকে প্রত্যাহার, হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:৩২ পিএম, ০২ ডিসেম্বর ২০২১
ফাইল ছবি

মাদকাসক্ত ও মাতাল অভিযোগে সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার শুভগাছা ইউনিয়নের তারাকান্দি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা রবিদাসের ভাই সুরেশ চন্দ্রকে মহল্লাদার (গ্রাম পুলিশ) পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়। এ প্রত্যাহার সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট থানা নির্বাহী কর্মকর্তার দেওয়া আদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, জেলা প্রশাসক (ডিসি), ওই থানার নির্বাহী কর্মকর্তা (টিএনও) এবং চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদেশের বিষয়টি বৃহস্পতিবার (০২ ডিসেম্বর) জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন অ্যাডভোকেট মো. সিদ্দিকুর রহমান।

এর আগে মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে ওইদিন রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. সিদ্দিকুর রহমান।

সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার শুভগাছা ইউনিয়নের তারাকান্দি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা রবিদাসের ভাই সুরেশ চন্দ্র ১৯৮৬ সালের ৯ জানুয়ারি মহল্লাদার (গ্রাম পুলিশ) পদে নিয়োগ পান। এর মধ্যে তার চাকরির মেয়াদ ৩৫ বছর অতিক্রম করেছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি মাতাল হয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ও মুক্তিযোদ্ধাদের গালমন্দ করেছেন এবং নিজের কাজে তিন মাস ধরে অনুপস্থিত ছিলেন। এই অভিযোগে তাকে ২০২০ সালের ২১ জানুয়ারি শোকজ করা হয়। শোকজ নোটিশ দেওয়ার পরে তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

এরপর স্থানীয় গণ্যমান্য ও মুক্তিযোদ্ধাদের গালমন্দ করার বিষয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করে ওই বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি ব্যাখ্যাও দেন তিনি। পরবর্তীতে ওই বছরের ১০ জুন তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ওই চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্য সুরেশ জেলা প্রশাসকের কাছে আপিল আবেদন করেন। ওই আপিল না মঞ্জুর করে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়ে ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর আদেশ বহাল রাখেন জেলা প্রশাসক (ডিসি)। এরপর সুরেশ চন্দ্র মহল্লাদার (গ্রাম পুলিশ) পদ থেকে তাকে অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার করার আর্জি জানিয়ে রিট করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে এই রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

এফএইচ/কেএসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]