উল্লাপাড়ায় বজ্রপাত

ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আইনজীবী নাহিদা সুলতানা যুথি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:২৯ পিএম, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২
নগদ অর্থ প্রদান করছেন আইনজীবী নাহিদা সুলতানা যুথি

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার মাটিকোড়া গ্রামে বজ্রপাতে নিহতদের পরিবারকে অর্থসহায়তা দিয়েছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সহধর্মিণী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথী।

জানা গেছে, নাহিদ সুলতানা যুথীর গ্রামে বাড়িও মাটিকোড়া গ্রামে। বজ্রপাতে হতাহতের সংবাদ পাওয়ার পর তিনি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ান। তাৎক্ষণিক ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে সহায়তা করেন। এছাড়া তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন। পাশাপাশি বজ্রপাতে অসুস্থ চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের সঠিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন।

তিনি বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং হৃদয়বিদারক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ জনগণের জন্য জীবন বাজি রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি সর্বদা মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। সেখানে আমার গ্রামের এই মর্মান্তিক ঘটনা শুনে আমি থাকতে পারিনি, তাই ছুটে এসেছি। আমি সবসময় চেষ্টা করবো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার। এসময় তিনি অন্যদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি রাশেদ ইউসুফ জুয়েল, যুবলীগকর্মী আলহাজ সরকার, পাবনা জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আলী মুর্তজা বিশ্বাস সনি এবং উত্তরা যুবলীগকর্মী প্রদীপ কুমার গুহ।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উল্লাপাড়ার মাটিকোড়া গ্রামে বজ্রপাতে শিশুসহ ৯ জন নিহত হন। ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও দুজন মারা যান। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়ার সময় মারা যান আরও দুজন।

ওইদিন উপজেলার পঞ্চক্রোশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ জাগো নিউজকে বলেন, বিকেল সোয়া ৪টার দিকে আমার ইউনিয়নের মাটিকোড়া গ্রামে কৃষকরা মাঠে ধানক্ষেত পরিচর্যা করছিলেন। আকাশে হঠাৎ মেঘ দেখা দিলে ১৩ জন একটি শ্যালো মেশিনের ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় বজ্রপাত হলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

এফএইচ/ইএ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।