নিরাপদ পয়ঃনিষ্কাশনে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন: মেয়র শাহাদাত
নগরবাসীর জন্য নিরাপদ পানি ও কার্যকর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও কমিউনিটির সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) চট্টগ্রামে আয়োজিত ‘ওয়াশ ফর আরবান পুওর’ প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের ফেইজ আউট কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ওয়াটারএইড বাংলাদেশের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এবং দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)-এর বাস্তবায়নে প্রকল্পটি ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে শুরু হয়ে চলতি বছরের মার্চে শেষ হচ্ছে।
মেয়র বলেন, নগরের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়ন্ত্রিত পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষার কারণে নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।
তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন, প্রশাসন, উন্নয়ন সংস্থা ও সাধারণ জনগণের সমন্বয়ে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
তিনি জানান, নগরের স্টেডিয়াম এলাকা ও পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় নাগরিকদের জন্য টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে। জনবহুল এলাকাগুলোতেও এ ধরনের অবকাঠামো গড়ে তোলা হলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সহজ হবে।
পাশাপাশি নগরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপন করা হয়েছে, যেন মায়েরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশে শিশুদের দুধ পান করাতে পারেন।
কর্মশালায় ওয়াটারএইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম লিড বাবুল বালা প্রকল্পের কার্যক্রম ও অর্জন নিয়ে উপস্থাপনা করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সচিব আশরাফুল আমিন বলেন, ডিএসকে ও ওয়াটারএইডের কাজের গুণগত মান দেখে বোঝা যায় প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে।
চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী বলেন, নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ব্যক্তি সচেতনতার পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
ডিএসকের ওয়াশ বিভাগের পরিচালক এম. এ. হাকিমের সভাপতিত্বে কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন সংস্থাটির প্রকল্প ব্যবস্থাপক আরেফাতুল জান্নাত। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও কমিউনিটি প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এমআরএএইচ/এমআরএম