দুই চৌধুরীকে এক করবেন না : অ্যাটর্নি জেনারেল


প্রকাশিত: ১০:০১ এএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬
ফাইল ছবি

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেছেন, আপনারা দুই অবসরপ্রাপ্ত (বিচারপতি) চৌধুরীকে এক করবেন না। অবসরে যাওয়ার পর বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক মিডিয়ার সঙ্গে কথার বলে ঠিক করেননি। কিন্তু বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী মিডিয়াতে কিছু বলেননি। তাই বলছি দুই চৌধুরীকে এক করবেন না।

সোমবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন রাষ্ট্রের প্রধান আইনজীবী।

এর আগে বিতর্কের মুখে সকালে মীর কাসেম আলীর পক্ষে আইনজীবী হিসেবে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

এ প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সরকারি সুবিধায় থাকা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেম আলীর মামলা থেকে সরে দাড়াঁনোয় তাকে সাধুবাদ জানাই।

তিনি বলেন, মীর কাসেম আলীর পক্ষে দাঁড়ানোর বিষয়টি বেআইনি ছিল না। তবে তিনি নৈতিকতা বিরোধী কাজ করেছেন।

সংবিধান এবং আইন অনুযায়ী তিনি মীর কাসেম আলীর পক্ষে কাজ করতে পারেন কিনা সে বিষয়ে কোনো জবাব দেননি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তবে জানান, তিনি (বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী) নৈতিকতা বিরোধী কাজ করেছেন। আর সরকারের পক্ষ থেকেওে তাকে কোনো প্রকার চাপ প্রয়োগ করার হয়নি।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আরো বলেন, ১৯৪৭ এর পর থেকে এ পর্যন্ত কোনো আচরণবিধি (রুলস) হয়নি। এটা সংবিধান বা আইনের বিষয় না হলেও অবসরের পর একজন বিচারকের মীর কাসেম আলীর পক্ষে দাঁড়ানো নৈতিকতা বিরোধী।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী যখন অবসরে গিয়েছেন তখন আমার ধারণা ছিলো তিনি সরকারি বাড়ি ছেড়ে দিয়েছেন এবং গানম্যান ছেড়ে দিয়েছেন। এরপর যেদিন তিনি মীর কাসেম আলীর পক্ষে মামলায় শুনানি করছেন সেদিন এক সহকর্মী (এমকে রহমান) সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল বিষয়টি আমাকে অবহিত করেন। আমি পরের দিন সকালে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করি।

বৈরি চাপে বিচারপতি নজরুল নিজেকে প্রত্যাহার করেছেন এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমি আপত্তি জানানোর পরেও বিচারপতি চৌধুরী মামলার কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন। এখন উনি কেন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটা তিনি ভালো জানেন। আমি তার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। এখানে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো চাপ নেই।

এফএইচ/এসএইচএস/আরআইপি

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]