নায়িকা শিমু হত্যা: মামলার সাক্ষী গৃহকর্মীরা পাবেন যাতায়াত খরচ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৪৪ পিএম, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু/ ফাইল ছবি

চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় তার স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেলের বাসার দুই গৃহকর্মীকে যাতায়াত খরচ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শান্তা বেগম ও আমেনা বেগম নামেও ওই দুই গৃহকর্মীকে যাতায়াত খরচ বাবদ এক হাজার টাকা করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই দুই গৃহকর্মী এই মামলার সাক্ষী।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এ আদেশ দেন। এদিন মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। শিমুর স্বামীর বাসার দুই গৃহকর্মী শান্তা বেগম ও আমেনা বেগম সাক্ষ্য দিতে আদালতে আসেন।

আরও পড়ুন>>> চিত্রনায়িকা শিমু হত্যা: স্বামীসহ দুজনের বিচার শুরু

এ মামলায় রাষ্ট্রনিযুক্ত দুই আইনজীবী সাক্ষীদের জেরা করতেন। তবে আসামিপক্ষ এতে সন্তুষ্ট ছিল না। এজন্য তারা নতুন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়ার কথা আদালতকে জানান। পাশাপাশি নতুন সাক্ষীদের সাক্ষ্য না নেওয়ার প্রার্থনা করেন। আদালত নতুন কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য না নিয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন। আর ওই দুই গৃহকর্মীকে যাতায়াত খরচ বাবদ আসামিপক্ষকে দুই হাজার টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেন। আসামিপক্ষ এতে সম্মত হয়েছে।

মঙ্গলবার সাখাওয়াত আলী নোবেল ও তার বন্ধু এস এম ফরহাদের বিরুদ্ধে শিমু দম্পতির মেয়ে অজিহা আলিম রিদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন। এদিন তার জেরা শেষে আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

আরও পড়ুন>>> চিত্রনায়িকা শিমু হত্যা: বাবার বিরুদ্ধে মেয়ের সাক্ষ্য শেষ

২০২২ সালের ২৯ নভেম্বর শিমুর স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও এস এম ফরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। এদিন দুই আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে রাজধানীর কলাবাগান এলাকার বাসায় থাকতেন শিমু। গত বছরের ১৬ জানুয়ারি সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে তিনি আর ফেরেননি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় রাতেই কলাবাগান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

পরদিন ১৭ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের হজরতপুর ব্রিজের কাছে আলিয়াপুর এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে শিমুর বস্তাবন্দি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে তার পরিচয় মিলছিল না। ওইদিন রাতে তার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে নাম-পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

আরও পড়ুন>>> বস্তা বাঁধার সুতার সূত্র ধরে শিমু হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন

গত ১৮ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় শিমুর স্বামী নোবেল ও তার বাল্যবন্ধু এস এম ফরহাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন শিমুর ভাই হারুনুর রশীদ। ২০ জানুয়ারি মামলার প্রধান দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক মো. শহীদুল ইসলাম উভয়ের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

জেএ/কেএসআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।