কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন? জেনে নিন সহজ সমাধান

লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:৪৭ পিএম, ২২ জুন ২০১৯

কোষ্ঠকাঠিন্য এমন এক সমস্যা, যা বাকিসব প্রশান্তিকে নষ্ট করে ফেলে। এর ফলে খাবারে অরুচি, খিটখিটে মেজাজ অহরহই দেখা যায়। আবার আমাদের ত্বক ও চুলের সমস্যার জন্যও কোষ্ঠকাঠিন্য অনেকাংশে দায়ী। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় বের করতে হবে। দৈনিক জীবনে খুব সাধারণ কিছু পরিবর্তন আনলেই আপনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন-

ফাইবার আমাদের কোষ্ঠ বা মলকে নরম রাখে, ফলে তা স্বাভাবিক গতিতে পায়ুর কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে। ফল, শাকসবজি, যেকোনো হোল গ্রেন (ভুসিসুদ্ধ আটা, ওটস ইত্যাদি), বাদাম, সিডসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। একসঙ্গে অনেকটা খাওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে সারাদিনের খাদ্যতালিকায় অল্প অল্প করে ফাইবারের জোগান অব্যাহত রাখুন।

Koshtokathinno

যদি আপনার শরীরে পানির ঘাটতি থাকে, তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়তে পারে। বিশেষ করে ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খেলে পানির পরিমাণ বাড়াতেই হবে, কারণ ফাইবার পানি শোষণ করেই কার্যকর হয়ে ওঠে। পূর্ণ বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে দৈনিক ৫ লিটার পানি পান করা জরুরি।

বাদাম, নানা ধরনের সিডস, অ্যাভোকাডো, ঘি, ডিম ইত্যাদি যেন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে, সেদিকে লক্ষ রাখবেন।

Koshtokathinno

দোকান থেকে একগাদা দাম দিয়ে বোতলবন্দি প্রোবায়োটিক কেনার দরকার নেই, বাড়িতেই নানা ফারমেন্টেড খাবার খাওয়ার অভ্যেস করুন। দোসা বা পান্তা ভাত প্রোবায়োটিকে সমৃদ্ধ এবং তা পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

রোজ যারা বাদাম, সবুজ পাতাজাতীয় শাকসবজি খান, তাদের ম্যাগনেশিয়ামের অভাব সাধারণত হয় না। একান্ত প্রয়োজন হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে কোনও ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন।

Koshtokathinno

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠা, খানিকটা ব্যায়াম করা, বাড়ির খাবার খাওয়া, সময়ে বাথরুম যাওয়ার মতো ডিসিপ্লিন মেনে চললে জীবনটা অনেক সহজ হয়ে আসে। বিশ্বাস হচ্ছে না? মাসখানেকের জন্য ট্রাই করে দেখুন, ফারাকটা নিজেই বুঝতে পারবেন।

এইচএন/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]