শিশুর বডি মাসাজ করবেন যেভাবে


প্রকাশিত: ১১:২৪ এএম, ০৫ মে ২০১৫

বডি মাসাজ শরীরের বিভিন্ন স্থানের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। একটি পরিপূর্ণ মাসাজ দিতে পারে শিশুর পূর্ণ তৃপ্তিময় ঘুম। শিশুর বডি মাসাজের মাধ্যমে অনেক গুলো সম্যাসার সমাধান করা যায় যেমন ওজন বৃদ্ধি, শিশুর বদ হজম কমিয়ে ক্ষুধা বৃদ্ধি করে, শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়, সংকুচিত টিস্যু গুলো স্বাভাবিক হয়। শিশুর বডি মাসাজ করার জন্য বেবি মাসাজিং জেল, বেবি অয়েল বা বেবি লোশন নিয়ে করতে পারেন। চলুন জেনে নিই, কী করে শিশুর বডি মাসাজ করবেন-

মাসাজ ১ :

১. প্রথম শিশুকে কোন পাটি বা তোয়ালের উপর শুয়ে দিন। প্রথমে শিশুর পায়ের ম্যাসেজ করতে হবে। আর এটা করতে হবে আপনার দুই হাত দিয়ে। প্রথমে শিশুর পায়ের উপর থেকে এক হাত দিয়ে টেনে নামিয়ে গোড়ালির কাছে থামতে হবে। এইবার অন্য হাত দিয়ে একইভাবে টেনে নামাতে হবে। এই মাসাজটি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি মাসাজ। এই মাসাজটি শিশুর জড়তা কাটিয়ে তাড়াতাড়ি হাঁটতে সাহায্য করে এবং শিশুর হাড় মজবুত করে। তাই এই মাসাজটি সম্ভব হলে ৫ বার করবেন।

২. প্রথমে আপনার শিশুর পায়ে কয়েক ফোঁটা অয়েল ড্রপ করুন। এরপর আপনার বৃদ্ধ আঙুল দিয়ে শিশুর পায়ের পাতায় গোড়ালি থেকে উপরের দিকে টেনে তুলুন এবং উপর থেকে টেনে নামান।

৩. এবার রানের কাছ থেকে মাসাজ করে নামিয়ে এসে পায়ের আঙুলের কাছে থামুন এবং শিশুর পায়ের আঙুল গুলোকে একটা একটা করে আস্তে আস্তে টান দিন।  এই মাসাজটি ৩ বার করুন।

মাসাজ ২ :

১. কাঁধের ওপরের অংশ থাকে মাসাজ শুরু করে বুকের মাঝামাঝিতে এসে শেষ করুন। হালকা চাপের সাথে এই মাসাজ করতে হবে। এই ভাবে আরো ৩/৪ বার করুন এবং শেষ বারও বুকের কাছে এসে হাত উঠাতে হবে।

২. কাঁধ থেকে মাসাজ করতে করতে হাতে এসে শেষ করুন। এরপর হাতে এসে, প্রথমে আপনার বৃদ্ধ আঙুলের সাহায্যে শিশুর হাতের তালায় চাপ দিয়ে মাসাজ করুন এবং শিশুর আঙুল গুলোকে একটা একটা করে আস্তে আস্তে টান দিতে হবে।

৩. পেটের নিচের ডানপাশ থেকে মাসাজ শুরু করে (ঘড়ির কাঁটার দিকে) পেটের বামপাশে এসে শেষ করুন। এতে করে আপনার শিশু সকল প্রকার পেটের সম্যসা থেকে মুক্তি পাবে। এই মাসাজটি ৩/৪ বার করুন।

মাসাজ ৩ :

১. কপালের মাঝখান থেকে তর্জনী বা মধ্যমা আঙুল দিয়ে মাসাজ শুরু করে গালে এসে শেষ করুন। এই মাসাজ করতে হবে আঙুল দিয়ে বৃত্তাকার করে।

২. এই বার আপনার শিশুর মাসাজ শেষের দিকে, তাই বেবিকে উপুড় করে শুয়ে দিন এবং রিল্যাক্স হতে দিন। এরপর শিশুর মেরুদন্ডে আপনার হাতের সাহায্য পিঠের উপর থেকে লম্বা ভাবে টেনে নামান এবং আপনার হাতের আঙুল দিয়ে শিশুর মেরুদন্ডে হাঁটুন। এইভাবে ৫ বার করুন।

৩. যদি শিশু কোন ভাবে মাসাজে ব্যথা পায় বা কান্নাকাটি শুরু করে তাহলে সাথে সাথে শিশুর মাসাজ বন্ধ করুন। পরের দিন আবার চেষ্টা করুন।

এইচএন/আরআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।