ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. লাইফস্টাইল

দুপুরের খাবার কখন খাওয়া স্বাস্থ্যকর জানেন কি

লাইফস্টাইল ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৭:৩০ পিএম, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

রাতের খাবারটা কেউ খেতে বলেন ৬টার মধ্যে, কেউ ৮টার মধ্যে। ওজন কমানো ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাতের খাবার নিয়ে আলোচনার অভাব নেই। কিন্তু দুপুরে খাবারটা কখন খাওয়া উচিত জানেন কি?

ব্যস্ত জীবনে অনেকেই দুপুরের খাবার কখন খাচ্ছেন, তা নিয়ে তেমন ভাবেন না। কেউ খুব তাড়াতাড়ি খেয়ে নেন, কেউ আবার বিকেল গড়িয়ে ফেলেন। কিন্তু চিকিৎসা ও পুষ্টিবিজ্ঞানের মতে, দুপুরের খাবার ঠিক সময়ে খাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুপুরের খাবার খাওয়ার সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর সময় হলো দুপুর ১২টা থেকে ২টার মধ্যে। এই সময়টাকে শরীরের প্রাকৃতিক ঘড়ি বা বডি ক্লক সবচেয়ে ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারে।

কেন এই সময়টা সবচেয়ে ভালো?

মানবদেহ একটি নির্দিষ্ট জৈবিক ছন্দে চলে, যাকে বলা হয় সার্কাডিয়ান রিদম। দুপুরের দিকে আমাদের হজমশক্তি সবচেয়ে সক্রিয় থাকে। এই সময় পাকস্থলী, লিভার ও অন্ত্র খাবার ভাঙতে এবং পুষ্টি শোষণ করতে সবচেয়ে দক্ষভাবে কাজ করে। ফলে খাবার সহজে হজম হয় এবং গ্যাস, অম্বল বা ভারী লাগার সমস্যা কম হয়।

দুপুরের খাবার কখন খাওয়া স্বাস্থ্যকর জানেন কি

এই সময় খাবার খেলে রক্তে শর্করার মাত্রাও তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকে। যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন বা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপকারী। সময়মতো দুপুরের খাবার না খেলে পরে অতিরিক্ত ক্ষুধা তৈরি হয়, যার ফলে সন্ধ্যায় বা রাতে বেশি খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে।

দেরিতে দুপুরের খাবার খেলে কী হয়?

দুপুর ৩টা বা তার পরে খাবার খেলে শরীর তখন ধীরে ধীরে বিশ্রামের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। এই সময়ে ভারী খাবার খেলে হজমে সমস্যা, ক্লান্তি, ঝিমুনি এবং মনোযোগ কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে ওজন বাড়া এবং বিপাকীয় সমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

দুপুরের খাবার কখন খাওয়া স্বাস্থ্যকর জানেন কি

দুপুরের খাবার কেমন হওয়া উচিত?

সময় ঠিক রাখার পাশাপাশি খাবারের ধরনও গুরুত্বপূর্ণ। দুপুরের খাবারে ভাত বা রুটি, শাকসবজি, ডাল বা মাছ-মাংস এবং সামান্য চর্বি থাকা ভালো। খুব বেশি তেল বা ভাজা খাবার এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।

সব মিলিয়ে বলা যায়, দুপুরের খাবার সময়মতো ও পরিমিত পরিমাণে খেলে শরীর থাকে কর্মক্ষম, মন থাকে সতেজ, আর দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকা সহজ হয়।

সূত্র: হার্ভার্ড টি.এইচ. চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ, মায়ো ক্লিনিক, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ

এএমপি/জেআইএম

আরও পড়ুন