‘নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের মধ্যে সৃষ্টিশীলতার আগ্রহ কম’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি যশোর
প্রকাশিত: ০৪:৫৯ পিএম, ০৫ আগস্ট ২০২২

দেশের আঞ্চলিক সংবাদপত্রের মধ্যে যশোর থেকে প্রকাশিত ‘গ্রামের কাগজ’ বেশ ভালো অবস্থান তৈরি করেছে। ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে পত্রিকাটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করে। পাশাপাশি সাংবাদিকতায় অবদান রাখায় অর্জন করেছে নানা সম্মাননা-পুরস্কার। পত্রিকাটির সম্পাদক মবিনুল ইসলাম মবিনের একনিষ্ঠতায় এটি সম্ভব হয়েছে। জাগো নিউজের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি শুনিয়েছেন আঞ্চলিক সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার অতীত-বর্তমান। পাশাপাশি সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রের মানোন্নয়নের ভাবনায় সংকট-সম্ভাবনার ছবি এঁকেছেন বাস্তবতার ক্যানভাসে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন জাগো নিউজের যশোর প্রতিনিধি মিলন রহমান।

জাগো নিউজ: তিন যুগের বেশি সময় ধরে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার সঙ্গে রয়েছেন। মফস্বল সাংবাদিকতার অতীত ও বর্তমানের মধ্যে কী ব্যবধান খুঁজে পান?

মবিনুল ইসলাম মবিন: মফস্বল সাংবাদিকতায় অতীত আর বর্তমানে অনেক ফারাক। আগে যারা সাংবাদিকতা করতেন, সত্যিকার পেশাদারত্বের প্রতি তাদের মমত্ববোধ ছিল। সেই জায়গা থেকে সাংবাদিকতা অনেকটা সরে এসেছে। এখন অধিকাংশ সাংবাদিক রাজনীতি, ব্যবসা বা অন্যান্য কর্মকাণ্ডে জড়িত। আগে সংবাদপত্রের মালিকরা ছিলেন রুচিশীল, সৃজনশীল এবং সমাজের সচেতন মানুষ। তখন সংবাদপত্রে কাজ করে বিশাল টাকা আয় করতে হবে এমন মানসিকতা ছিল না। সময়ের প্রেক্ষাপটে বা পরিস্থিতিতে (সাংবাদিকদের) চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু আগে এটি ছিল না, এটিও একটি ব্যবধান।

আরেকটি ব্যবধান হচ্ছে, আগে মানুষের কথা বেশি বেশি বলা হতো; সমাজের বিভিন্ন চিত্র ফুটে উঠতো সাংবাদিকতায়। এখন তার সঙ্গে অনেক কিছু (ব্যক্তি স্বার্থকেন্দ্রিক) যুক্ত হয়েছে। আগে মাঠপর্যায়ে যারা সাংবাদিকতা করতো তাদের পেশার প্রতি, লেখার প্রতি দায়বদ্ধতা ছিল, আগ্রহ ছিল। তারা চেষ্টা করতেন, কষ্ট করতেন; কাজটি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করতেন। এখন নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের মধ্যে সৃষ্টিশীলতার আগ্রহ কম, অলসপ্রবণতা রয়েছে। তারা অল্প পরিশ্রমে, আয়েশে ভালো প্রতিবেদন চান। তারা ফিল্ডে, ঘটনাস্থলে যেতে আগ্রহ দেখায় না। অনেকটা দায়সারা গোছের সাংবাদিকতাও করেন অনেকে। কিন্তু এর মধ্যে যারা ভালো করছেন তারা এগিয়ে যাচ্ছেন।

জাগো নিউজ: আপনার দৃষ্টিতে মফস্বল সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ কী?

মবিনুল ইসলাম মবিন: মফস্বল সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নিতে পত্রিকার সম্পাদক বা প্রকাশক এবং যারা সিনিয়র সাংবাদিক তাদের দায়িত্ব নিতে হবে। নতুন প্রজন্ম যারা আসছেন তাদেরকে সাংবাদিকতা যে চ্যালেঞ্জিং পেশা, সৃজনশীল কাজ এটি বোঝাতে হবে। যারা সংবাদপত্রে সাংবাদিক নিয়োগ দেবেন তাদেরকেও ওই জায়গাটিতে সচেতন হতে হবে। আমরা কাদেরকে নির্বাচিত করছি; শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের নিচ্ছি; না ভবঘুরে টাইপের ছেলেমেয়েদের নিচ্ছি। সেটা বাছাই একটি ব্যাপার; দেখেশুনে বুঝেই নিতে হবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, প্রশিক্ষণ। এর বিকল্প নেই, তাই প্রশিক্ষণের ধারাটি অব্যাহত রাখতে হবে। সাংবাদিকতায় নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আসছে; নতুন নতুন আইটেম হচ্ছে, নতুন ধারা সূচিত হচ্ছে; সেখানে মান্ধাতার আমলের বিষয়ে আটকে থাকলে হবে না। নতুন নতুন বিষয় সংযুক্ত করতে হবে। দেশে অনেক নতুন নতুন আইন হচ্ছে, এগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে যেন কাজ করতে পারে, সেভাবেই সাংবাদিকদের তৈরি করতে হবে।

জাগো নিউজ: আঞ্চলিক সংবাদপত্রের অতীত এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট সম্পর্কে কিছু বলুন।

মবিনুল ইসলাম মবিন: আঞ্চলিক সংবাদপত্রগুলো অতীতে কেবল আঞ্চলিক রিপোর্টে প্রাধান্য দিতো বা স্থানীয় নানা বিষয় তুলে ধরতো। তখনকার প্রেক্ষাপট এমনই ছিল যে, স্থানীয় সমস্যা, সম্ভাবনা, মানুষের সুখ-দুঃখের কথা বা মানুষের সাফল্যের কথা তুলে ধরা হতো। এখন যুগ পাল্টেছে, পাঠকদের চাহিদাও পাল্টেছে। এখন পাঠক আঞ্চলিক পত্রিকাতেই সারা দুনিয়ার খবর চায়। স্থানীয় পর্যায়ের খবর যেমন দেখতে চায়, তেমনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খবরও দেখতে চায়। এসব মিলিয়েই পত্রিকাকে সাজাতে হয়। ফলে পরিস্থিতিগত কারণে, সময়ের প্রয়োজনে অতীতের সঙ্গে ব্যবধান তৈরি হয়েছে।

jagonews24

আগে সাংবাদিকতায় দরদ ছিল; সাংবাদিকতা, পত্রিকার মর্যাদা ছিল। এখন এই জায়গাটি নষ্ট হয়ে গেছে। এখন অনেক ক্ষেত্রেই যারা পত্রিকার মালিক হচ্ছেন, তারা উপযুক্ত ব্যক্তি নন। আমাদের প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্স অ্যাক্ট-৭৩; যেটি ডিক্লিয়ারেশন দেওয়ার ক্ষেত্রে ফলো করা হয়, সেটিও যদি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয় তাহলেও মালিক বা সম্পাদক হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্যদের ঠেকানো যায়। এগুলো একসময় কড়াকড়িভাবে দেখা হতো। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, পানের দোকানদার, চাল ব্যবসায়ী বা অনেক ছোটখাটো ব্যবসায়ী বা টাউট বাটপার পর্যন্ত পত্রিকার মালিক হয়ে যাচ্ছে এবং পত্রিকাটি অপকাজে ব্যবহার হচ্ছে।

জাগো নিউজ: আঞ্চলিক পত্রিকার ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার ভাবনা কী?

মবিনুল ইসলাম মবিন: নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেও যারা ভালো করবে তারা ভালোর দিকে যাবে, প্রতিষ্ঠিত থাকবে। সমাজে যাদের রেপুটেশন আছে তাদের সংযুক্ত করতে হবে। এছাড়া সাংবাদিকদের অনেক সংগঠন আছে। স্থানীয় প্রেস ক্লাব আছে, ইউনিয়নের অনেকগুলো সংগঠন আছে। যারা অপসাংবাদিকতা করে, যারা বিতর্কিত তাদেরকে প্রতিরোধে সংগঠনগুলো ভূমিকা নিতে পারে। এটি করতে পারলে পেশার মর্যাদা সমুন্নত থাকবে।

জাগো নিউজ: অনলাইন সাংবাদিকতা কী ধরনের প্রভাব ফেলছে?

মবিনুল ইসলাম মবিন: শুধু অনলাইন নয়; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এখন সাংবাদিকের ছড়াছড়ি। যার একটি ফেসবুক আইডি আছে, ইউটিউব চ্যানেল আছে, তারাই সাংবাদিক বনে যাচ্ছে। বেসিক সাংবাদিকতার সঙ্গে এর অনেক তফাৎ আছে। যারা প্রকৃত সাংবাদিকতা করেন, তাদের সীমাবদ্ধতা দায়বদ্ধতা আছে। একটি সংবাদের সম্পাদনা হয়; সংবাদটিতে সমাজে কী ধরনের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া হতে পারে মিডিয়াহাউজ বা সাংবাদিকরা কিন্তু সে সম্পর্কে সচেতন। কিন্তু ফেসবুক বা ইউটিউব চ্যানেলে যারা সাংবাদিকতা করেন, তাদের এই জ্ঞানও নেই, তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যা ইচ্ছা তাই লিখতে পারেন। এতে সাংবাদিকতা অনেকাংশ প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে, বিতর্কিত হচ্ছে। অনেকে গুলিয়ে ফেলছেন যে, সাংবাদিকতা তাহলে মনে হয় এই রকম! এ বিষয়ে আইন আসলে একটি বড় ব্যাপার। দেশে এ বিষয়ে যে আইন হয়েছে, তার যদি বাস্তবায়ন হয় তাহলে আইনের কড়াকড়িতে এগুলো বন্ধ হতে পারে। এছাড়া এরই মধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে অনলাইন পোর্টালগুলোর রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। রেজিস্ট্রেশনের বাইরে যারা থাকবে এবং যারা বিতর্কিত কাজ করবে তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিলেই এটি বন্ধ করা সম্ভব।

জাগো নিউজ: আঞ্চলিক সংবাদপত্র অঞ্চলনির্ভর খবরে প্রাধান্য দেয়। ফলে সরকারের অনেক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্থানীয় পত্রিকার মাধ্যমে পাঠকেরা জানতে পারেন। সেক্ষেত্রে আঞ্চলিক পত্রিকার সুরক্ষার জন্য সরকারের কী করণীয় আছে?

মবিনুল ইসলাম মবিন: বিভিন্ন এলাকা থেকে যেসব পত্রিকা প্রকাশিত হয় আমরা সেগুলোকে আঞ্চলিক এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোকে ঢাকার পত্রিকা হিসেবে চিহ্নিত করে থাকি। ঢাকার পত্রিকাকে আসলে সারাদেশ কাভার করতে হয়। ফলে পৃষ্ঠার কারণে তারা স্থানীয় সংবাদকে ততবেশি গুরুত্ব দিতে পারে না। যেটি স্থানীয় পত্রিকা পারে। স্থানীয় সংবাদ পরিবেশনে আঞ্চলিক পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় উন্নয়ন, সরকারের নানা ধরনের কর্মকাণ্ড, পজিটিভ কর্মকাণ্ড বেশি বেশি প্রচার হচ্ছে। এ কারণে স্থানীয় পত্র-পত্রিকাকে বাঁচিয়ে রাখা খুবই দরকার। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, আঞ্চলিক পত্রিকা অবহেলার শিকার। এই পত্রিকাগুলোকে কিন্তু অনেক সংকট অতিক্রম করে টিকে থাকতে হয়। বিশেষ করে অর্থনৈতিক ব্যাপারটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় বিজ্ঞাপন প্রবাহ বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আঞ্চলিক অনেক পত্রিকার ভিড়ে খুব ভালোমানের পত্র-পত্রিকা কিন্তু কম। ফলে ভালো মানের পত্রিকা চিহ্নিত করে তাদের প্রতি বেশি নজর দেওয়া যেতে পারে। কারণ ভালো পত্রিকা চালাতে গেলে ভালো সাংবাদিক, ভালো কর্মচারী নিয়োগ দিতে হয়। ভালো বেতন দিতে হয়।

jagonews24

জাগো নিউজ: সাংবাদিকতার মান বজায় রাখা এবং সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে করণীয় কী?

মবিনুল ইসলাম মবিন: সাংবাদিকতার মান বজায় রাখার জন্য প্রেস কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। প্রেস ইনস্টিটিউট সাংবাদিকদের দক্ষ করে গড়তে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও দক্ষ করে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এগুলো বাড়াতে হবে। শুধু ঢাকা বা বিভাগীয় শহরে নয়; তৃণমূল পর্যায়েও প্রশিক্ষণ দিতে হবে। আর পেশাগত জায়গটি যদি সমুন্নত বা মর্যাদা ধরে রাখতে হয়, তাহলে পত্রিকার মালিক, সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকদের নিয়ে একটি কাঠামো থাকা দরকার। যে আমরা কেমন সাংবাদিক নিয়োগ দেবো, কেমন মানের সাংবাদিক নেবো; তার শিক্ষাগত যোগ্যতা কী হবে; এসব বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।

জাগো নিউজ: মফস্বল সাংবাদিকদের জীবন-জীবিকা অনেক সংগ্রামের। মফস্বল সাংবাদিকতাকে পেশাগত ভিত্তি দিতে করণীয় কী?

মবিনুল ইসলাম মবিন: ভালো কাজ করতে গেলে ভালোমানের সাংবাদিক নিয়োগ দিতে হবে। আর ভালো বেতন না দিলে ভালোমানের সাংবাদিক কেন থাকবে? কিন্তু পত্রিকাগুলোকে এখন অনেক সংকট মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এখন নিউজপ্রিন্টের দাম বেশি, কালির দাম বেশি, জিনিসপত্রের দাম বেশি। ফলে পত্রিকা প্রকাশনার ব্যয় অনেক বেড়েছে। এগুলো মোকাবিলা করেও অনেকে ভালো বেতন দেওয়ার মানসিকতা পোষণ করেন। এজন্য সেই সোর্সটিও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সেখানে একটি উপায় যে, তাদের প্রতি আলাদা দৃষ্টি দিয়ে বিজ্ঞাপন প্রবাহ বাড়াতে হবে। সেখানে যদি শর্তও জুড়ে দিতে হয়, সেটিও দেওয়া যেতে পারে। কারণ বর্তমান বাস্তবতা হচ্ছে, স্থানীয় পত্রিকা এখন চরম সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞাপনের অভাবে অনেক পত্রিকা চলতে পারছে না। এখানে সরকারকেই এগিয়ে আসা দরকার। এছাড়া কিছু করপোরেট হাউজ আছে, যাদের বড় বড় বিজ্ঞাপন দেখি, তারাও যদি তৃণমূল পর্যায়ে নজর দেন, তাহলে আঞ্চলিক পত্রিকা আরও অনেক সাফল্য দেখাতে পারে।

জাগো নিউজ: আঞ্চলিক পত্রিকার পাঠক কমছে। পাঠক ধরে রাখতে করণীয় কী?

মবিনুল ইসলাম মবিন: এখন বিশ্বব্যাপী প্রিন্ট মিডিয়ার পাঠক কমছে। আঞ্চলিক পত্রিকা বরাবরই সংকট ও বিরূপ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে চলছে। কিন্তু এরপরও স্থানীয় সমস্যা, সংকট, সম্ভাবনার খবরের চাহিদাও বাড়ছে। এজন্য পত্র-পত্রিকাগুলো এখন ডিজিটাল প্লাটফর্মের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে ফেসবুক পেজ বা ইউটিউব চ্যানেল বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে সংবাদবিষয়ক কর্মকাণ্ড প্রসারিত করছে। এর প্রয়োজনও রয়েছে। এটি যত শক্ত হবে; আমরা আর্থিকভাবে হয়তো একটি শক্তিশালী অবস্থানে যেতে পারবো। সেটি সম্ভব হলে সাংবাদিকরা উপকৃত হবে; প্রতিষ্ঠানও টিকে থাকবে। ডিজিটাল প্লাটফর্মেও পত্র-পত্রিকাগুলো নিয়ম নীতি মেনে অনেক কনটেন্ট তৈরি করছে, অনেক ভালো ভালো স্টোরি হচ্ছে, যেগুলোর অনেক ভিউ হচ্ছে, পাঠকদের কাছে সমাদৃত হচ্ছে। এটিও টিকে থাকার একটি উপায়। কারণ সামাজিক মাধ্যম বা ডিজিটাল প্লাটফর্মেও কিন্তু ভালো করার অনেক সুযোগ রয়েছে। এখানে আয়েরও অনেক সুযোগ রয়েছে। এটি নিতে পারলে প্রতিষ্ঠানের স্থায়ীত্বও ধরে রাখা সম্ভব।

মিলন রহমান/এমআরআর/এএইচ/এএসএম

যার একটি ফেসবুক আইডি আছে, ইউটিউব চ্যানেল আছে, তারাই সাংবাদিক বনে যাচ্ছে

পানের দোকানদার, চাল ব্যবসায়ী বা অনেক ছোটখাটো ব্যবসায়ী বা টাউট বাটপার পর্যন্ত পত্রিকার মালিক হয়ে যাচ্ছে

অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে সাংবাদিক সংগঠন ভূমিকা নিতে পারে। এটি করতে পারলে পেশার মর্যাদা সমুন্নত থাকবে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।