১৪৯৮ নতুন পত্রিকার ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী


প্রকাশিত: ০২:৩৭ পিএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

সরকার গত ৬ বছরে ১ হাজার ৪৯৮টি নতুন পত্রিকার ছাড়পত্র দিয়েছে। মঙ্গলবার সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এ তথ্য জানান।

তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার অবাধ তথ্য পরিবেশনের লক্ষ্যে বেসরকারি খাতে মোট ৪১টি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল, ২৮টি এফএম বেতার এবং ৩২টি কমিউনিটি রেডিও’র অনুমোদন দিয়েছে।

ইনু বলেন, নবম জাতীয় সংসদের নির্বাচনী ইশতেহারে করা অঙ্গীকার অনুযায়ী সরকার গণমাধ্যমের অবাধ তথ্য প্রবাহ সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই ‘তথ্য অধিকার আইন-২০০৯’ পাস করে। ২০০৯ সালের ১ জুলাইয়ে প্রধান তথ্য কমিশনার এবং দু’জন তথ্য কমিশনার (এর মধ্যে একজন নারী) সমন্বয়ে তথ্য কমিশন গঠন করে। তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ২টি বিধিমালা এবং ৩টি প্রবিধানমালা জারি করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের ৬৪টি জেলায় ও ১৯টি উপজেলায় তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ এর ওপর জনঅবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের চাহিদা মোতাবেক তথ্য সরবরাহ করার জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে এই পর্যন্ত ২০ হাজার ১৫৪ জন ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা’ নিয়োগ করা হয়েছে। তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে ৬৩ জেলায় ও ৫১টি উপজেলায় এই পর্যন্ত ১৬ হাজার ৩৫৮ জন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, আপিল কর্তৃপক্ষ, সাংবাদিক, শিক্ষক প্রতিনিধিকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

সরকারি দলের সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াছের এক প্রশ্নের জবাবে হাসানুল হক ইনু বলেন, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে শতকরা ২ ভাগ হারে সার্ভিস চার্জ বাবদ ডিএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত বিজ্ঞাপন থেকে সরকার ১৭ লাখ ৯৬ হাজার ৬৯৭ টাকা ১৬ পয়সা আদায় করেছে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ২০০৭ সালের ৮ জানুয়ারি থেকে সরকারি বিজ্ঞাপন বিতরণ বিকেন্দ্রীকরণ করবার পর তথ্য মন্ত্রণালয়ের আদেশে শুধুমাত্র জাতীয় ও বিশেষ দিবসে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হচ্ছে। এছাড়া সরকারি বিজ্ঞাপন প্রচারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। যাহা ‘বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্র নীতিমালা-২০০৮’ এবং ‘বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্র নীতিমালা-২০০৮ (সংশোধিত) নামে পরিচিত।

আরএস/আরআই

আপনার মতামত লিখুন :