জাগো এফএম-এ গল্প : হোটেল সি প্যালেসে থাকার সুযোগ দু’জনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:০৮ পিএম, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | আপডেট: ০৬:১২ পিএম, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

জাগো এফএম-এর কনটেস্টে প্রিয় মানুষের সঙ্গে প্রিয় মুহূর্ত কাটানোর গল্প পাঠিয়ে দু’জন বিজয়ী জিতে নিলেন কক্সবাজারে হোটেল সি প্যালেসে থাকার সুযোগ। এ সুযোগের আওতায় বিজয়ী তার প্রিয়জনকে নিয়ে একদম ফ্রি দুই রাত তিনদিন থাকতে পারবে।

বিজয়ীদের একজন হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ফাতেমা জহুরা রুম্পা। তিনি থাকেন ঢাকার উত্তর শাহজাহানপুরে। রুম্পা তার মায়ের সঙ্গে প্রিয় সময় কাটানোর গল্প পাঠিয়ে বিজয়ী হন।

অন্যজন হলেন, ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার ফিল্ড মেসের কুক সৈয়দ রাহাত হুসেইন। তিনি ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের পশ্চিম মাটিকাটার বাসিন্দা। রাহাত তার দুই মেয়ের সঙ্গে প্রিয় মুহূর্ত কাটানোর গল্প পাঠিয়ে জয়ী হন।

jago fm

মঙ্গলবার রাজধানীতে প্রাণ-আরএফএল সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাগো এফএম ৯৪.৪-এর স্টেশন হেড উদয় চৌধুরী বিজয়ীদের হাতে হোটেল সি প্যালেসে থাকার কুপন তুলে দেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জাগো এফএম-এর হেড অভ মার্কেটিং রনি শাহ্, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (ব্র্যান্ড) শাহরিয়ার খান, হোটেল সি প্যালেসের ডিরেক্টর (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) শফিকুল হাসান জাহেদী অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) হাসানুজ্জামান আসিফ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাগো এফএম-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে শ্রোতাদের ভালোবাসা। তাই জাগো এফএম’র দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণের আনন্দ প্রিয় শ্রোতাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে ফেসবুকভিত্তিক ‘জাগো সেকেন্ড অ্যানিভারসারি স্পেশাল কনটেস্ট’ এর আয়োজন করা হয়। এ আয়োজনের সময়সীমা ছিল গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত। এ কনটেস্টের স্পন্সর ছিল হোটেল সি প্যালেস লিমিটেড।

কনটেস্টে হাজার হাজার শ্রোতা জানিয়েছেন তাদের প্রিয় মানুষ মা, বাবা, ভাই কিংবা বোন অথবা ভালোবাসার মানুষের গল্প। তাদের সঙ্গে প্রিয় মুহূর্ত কাটানোর গল্প ও সুন্দর সুন্দর ছবি। সেসব প্রতিযোগীদের মধ্যে থেকে এ দু’জন বিজয়ী হয়েছেন।

jago fm

পুরস্কার গ্রহণ করার সময় ফাতেমা জহুরা রুম্পা প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় কখনো কক্সবাজারে যাওয়া সম্ভব হয়নি। এবার আম্মাকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যেতে পারবো। এটা ভাবতেই খুব ভালো লাগছে।

সৈয়দ রাহাত হুসেইন বলেন, অল্প বয়সেই বাবার মৃত্যু হওয়ায় খুব দ্রুত সংসারের হাল ধরতে হয়। বিয়েও করতে হয় অল্প বয়সে। সবমিলে কোথাও সেভাবে হানিমুনে যাওয়া হয়নি। এ উপলক্ষে হানিমুনে যাওয়া হবে। এটা আমার জন্য খুবই সুখের।

এমইউএইচ/জেডএ/আইআই