বেতন কমিশনের কাছে কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদের ১৫ প্রস্তাব
সরকারি কর্মচারীদের ন্যূনতম জীবনমান বজায় রেখে জীবন ধারণে বিভিন্ন ভাতা যৌক্তিক হারে নির্ধারণসহ ১৫টি প্রস্তাব বেতন কমিশনের কাছে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদ।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে পরিষদের সভাপতি জিয়াউল হক ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বেতন কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রস্তাবগুলো হস্তান্তর করেন। পরিষদের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১:৫ অনুপাতে সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ এক লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল বেতন নির্ধারণ, বার্ষিক ১০ শতাংশ হারে বেতন বৃদ্ধি, চিকিৎসা ভাতা ৬ হাজার টাকা নির্ধারণ, মূল বেতনের ৯০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া নির্ধারণ, গ্রেড সংখ্যা ২০টি থেকে কমিয়ে ১৫টি নির্ধারণ, সার্ভিস বেনিফিট বহাল রাখা, যাতায়াত ভাতা ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ, টিফিন/লাঞ্চ ভাতা দৈনিক ২০০ টাকা নির্ধারণ, টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড প্রবর্তন, রেশন সুবিধা চালু, ৫ শতাংশ সুদে গৃহ নির্মাণ ঋণ সুবিধা প্রদান, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পেনশন চালু, বেতন স্কেলের শেষ ধাপে পৌঁছানোর পর বিশেষ বেতন বৃদ্ধির ব্যবস্থা চালু, আনুতোষিক ৩৫০ টাকা নির্ধারণ।
কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি জিয়াউল হক বলেন, আমরা আশাবাদী পে কমিশন সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবিসমূহ আমলে নিয়ে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বৈষম্যহীন নবম পেস্কেল ঘোষণা করবে। এই পেস্কেলের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীরা দীর্ঘ দিনের বৈষম্য, হতাশা, অভাব থেকে মুক্তি পাবে।
পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল ইসলাম বলেন, পে কমিশনের সদস্যরা দেশের সার্বিক আর্থ-সামাজিক অবস্থা আমলে নিয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদের দাবিসমূহ বিবেচনার আশ্বাস দেন।
আরএমএম/এমআইএইচএস/এমএস