আনোয়ারা উদ্যান ডিএনসিসির কাছে হস্তান্তর করলো ডিএমটিসিএল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৮ পিএম, ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
আনুষ্ঠানিকভাবে আনোয়ারা উদ্যান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়

মেট্রোরেল নির্মাণকাজের জন্য দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল ফার্মগেটের আনোয়ারা উদ্যান। কাজ শেষে উদ্যানটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) কাছে হস্তান্তর করেছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় আনোয়ারা উদ্যানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া শেষ হয়।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের হাতে পার্কের কাগজপত্র তুলে দেন ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ।

এ সময় ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, সিটি করপোরেশনের আন্ডারে থাকে মাঠগুলো। রক্ষাণাবেক্ষণের জন্য একটা স্টিয়ারিং কমিটি আছে। এই মাঠগুলোর কোনোটার মালিক গণপূর্ত, আবার কোনোটার মালিক রাজউক। এই স্টিয়ারিং কমিটি সব মাঠগুলো দেখবেন, এর সঙ্গে নাগরিক কমিটির লোকজনও থাকবেন।

তিনি বলেন, প্রতিটি মাঠের জন্য আলাদা কমিটি গঠন করে দেওয়া হবে। এগুলা অলরেডি প্রসেসিংয়ে আছে। এই কমিটিগুলোই মাঠ পরিচালনা করবেন এবং তারা স্টিয়ারিং কমিটির কাছে রিপোর্ট করবেন।

তিনি আরও বলেন,আনোয়ারা পার্কটি যেন জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে পারে সেজন্য আমরা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে এসেছি। চারপাশ দিয়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করতে হবে। খুব দ্রুতই আমরা কাজ শুরু করবো। অন্তত যেন রাত ১০টা পর্যন্ত পার্কর্টি খোলা রাখা যায় সে বিষয়ে আমরা বসে ডিসিশন নেবো।

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের এক করুণ স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে রাজধানীর ফার্মগেটের আনোয়ারা পার্ক বা উদ্যানটির নাম। মেট্রোরেল নির্মাণের কাজ শুরুর পর থেকে এখানে নির্মাণসামগ্রী রাখার কাজে ব্যবহার করতো মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। এ কারণে পার্কটি সর্বসাধারণের ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল।

ফার্মগেটে পার্ক বা উদ্যানের এই জায়গাটি গণপূর্ত অধিদপ্তরের। এটা রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের দায়িত্ব ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি)। অধিদপ্তরের অনুমতি নিয়ে ২০১৮ সাল থেকে জায়গাটি মেট্রোরেলের প্রকল্প অফিস ও নির্মাণ উপকরণ রাখার কাজে ব্যবহার করে আসছিল ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

এনএস/এএমএ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।