নেপালের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রত্যাশা তারেক রহমানের
শান্তিপূর্ণ ভোট উৎসবের মধ্য দিয়ে জাতীয় নির্বাচন শেষ করেছে প্রতিবেশী দেশ নেপাল। এখন নতুন সরকার গঠনের অপেক্ষায় দেশটির জনগণ। নেপালের এই গণতান্ত্রিক যাত্রাকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (৯ মার্চ) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি নেপালের সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানান। গত ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত সংসদীয় নির্বাচনকে তিনি সফল ও শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক অনুশীলন হিসেবে উল্লেখ করেন।
ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান লিখেছেন, সফল ও শান্তিপূর্ণ সংসদীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য নেপাল সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন। এই গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক অনুশীলন নেপালি জনগণের আকাঙ্ক্ষা, স্থিতিস্থাপকতা এবং তাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের শক্তিকে প্রতিফলিত করে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। পোস্টে তিনি আরও বলেন, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশের নতুন সরকার নেপালের জনগণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য উন্মুখ হয়ে রয়েছে।
গত বছর দেশটিতে এক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার পতনের পর এই প্রথম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। রাজনৈতিক অস্থিরতা, ক্ষোভ ও পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যান লাখো ভোটার।
নেপালের ২৭৫ সদস্যের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস অফ নেপালে জন্য এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ১৬৫টি আসনে সরাসরি ভোট এবং ১১০টি আসনে পার্টি তালিকার ভিত্তিতে প্রতিনিধিত্ব নির্ধারণ করা হচ্ছে।
নির্বাচনে প্রায় এক কোটি ১৩ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। বহুল প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনের ভোট গণনা এখনো চলছে। প্রাথমিক ফলাফলে তরুণদের নেতৃত্বাধীন আরএসপি প্রায় ১১০ আসনে এগিয়ে রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ফলে দলটি বড় ধরনের বিজয় নিয়ে সরকার গঠন করতে পারে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা।
কেএইচ/এমএন