সেন্টমার্টিনে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, দেড় টন প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ০৮:১৪ পিএম, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনকে প্লাস্টিক দূষণ থেকে রক্ষায় কাজ শুরু করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের বিচ ক্লিনিং কর্মসূচির আওতায় সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে দেড় টনেরও বেশি (১ হাজার ৫৩৪ কেজি) প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ করেছেন ১১০ স্বেচ্ছাসেবক।

সংগ্রহ করা বর্জ্যের মধ্যে রয়েছে- একবার ব্যবহারযোগ্য পলিথিন, প্লাস্টিক কাপ, প্লাস্টিক পানির বোতল, প্লাস্টিক স্ট্র, টুথপেস্টের প্যাকেট, শ্যাম্পুর প্যাকেট, চকলেটের মোড়কসহ বিভিন্ন প্লাস্টিক বর্জ্য।

শনিবার ও রোববার (৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি) এ কর্মসূচি চলে। সেন্টমার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও অভিযোজন প্রকল্পের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। সেন্টমার্টিন দ্বীপের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, ছাত্রপ্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী, শিক্ষক এবং সেন্টমার্টিনে অবস্থানরত বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

শনিবার পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক জমির উদ্দিন এবং প্রকল্প পরিচালক কামরুল হাসান পরিবেশ রক্ষার ওপর স্বেচ্ছাসেবকদের শপথপাঠ করান।

সেন্টমার্টিনে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, দেড় টন প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ

এসময় পরিচালক জমির উদ্দিন বলেন, ‘সরকার প্রতি বছর পর্যটন মৌসুম শেষে পরিবেশ অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় বিচ ক্লিনিং প্রোগ্রাম পরিচালনা করেন। এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান প্রতি বছর চালু রাখতে চাই, মানুষ প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানুক এবং মানুষের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি হোক। যতদিন পর্যন্ত দ্বীপের মানুষ এবং পর্যটন মৌসুমে দ্বীপে ভ্রমণে আসা পর্যটকদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি হবে না, ততদিন এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

চট্টগ্রাম গবেষণাগার কার্যালয়ের উপপরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক কামরুল হাসান বলেন, ‘দেশের সচেতন সমাজকে সেন্টমার্টিন দ্বীপকে প্লাস্টিক দূষণ থেকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসতে হবে, এ দ্বীপ বাংলাদেশের অনন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ, এ সম্পদকে দেশের সকল প্রজন্মকে সংরক্ষণ করতে সংকল্পবদ্ধ হওয়া জরুরি।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক আব্দুল লতিফ জনি, ইউডিপি-ব্র্যাক সেন্টমার্টিনের প্রকল্প কো-অর্ডিনেটর মংওয়ান লাইন, মোবিলাইজার মার্টিন কুমার বিশ্বাস ও ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মুহাম্মদ রফিক, ডিপিএইচ সেন্টমার্টিন প্রজেক্টের সুপারভাইজার জয়নুল আবেদিন এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের অস্থায়ী ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের ফিল্ড কোর্ডিনেটর ওসমান গনি।

এমডিআইএইচ/বিএ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।