আইনমন্ত্রী হলেন আসাদুজ্জামান
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লক্ষাধিকের বেশি ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। তিনি প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হলেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান।
জানা গেছে, আসাদুজ্জামান কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী শাসনামলে তিনি ছিলেন একজন আপসহীন যোদ্ধা। টেলিভিশন টকশোতে তার প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর ছিল সরকারের জন্য আতঙ্কের কারণ। বিগত সময়ে বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের অন্যতম শরিক হিসেবে তার ভূমিকা ছিল অপরিসীম।
আসাদুজ্জামান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষে ১৯৯৫ সালে আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক তালিকাভুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি লাভ করেন।
আরও পড়ুন
সবচেয়ে বেশি মন্ত্রী পাচ্ছে চট্টগ্রাম বিভাগ, কম সিলেট
বিএনপি সরকারের পূর্ণ মন্ত্রী হচ্ছেন ২৫ জন
তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। আসাদুজ্জামান আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক তালিকাভুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি লাভ করেন।
তিনি ১৯৯৭ সালে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পদ গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মো. আসাদুজ্জামান পান এক লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এ এস এম মতিউর রহমান পান ৫৫ হাজার ৫৭৮ ভোট। ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ২০ ভোট, যা এ আসনের সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম বড় ব্যবধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
টিটি/কেএসআর