ছুটির দিনে জমজমাট বেইলি রোডের ইফতারি বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:২৯ পিএম, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর বেইলি রোডের একটি ইফতারির দোকানে চলছে কেনাবেচা/ছবি: জাগো নিউজ

পবিত্র রমজানের দ্বিতীয় দিন ও শুক্রবারের সাপ্তাহিক ছুটিতে জমে উঠেছে রাজধানীর বেইলি রোডের ইফতারি বাজার। বিকেল গড়াতেই রোজাদারদের ভিড়ে সরগরম হয়ে ওঠেছে এলাকার ফুটপাত ও রেস্তোরাঁর সামনের অংশ। পরিবার, বন্ধু ও সহকর্মীদের জন্য বাহারি ইফতারি সামগ্রী কিনতে ভিড় করেন ক্রেতারা। তবে এখানে খাবারের আইটেমে আভিজাত্যের ছোয়া থাকলেও দাম কিছুটা চড়া।

প্রতিবারের মতো এবারও বেইলি রোডের বিভিন্ন হোটেল ও খাবারের দোকানে সাজানো হয়েছে অভিজাত ও বৈচিত্র্যময় ইফতারি সামগ্রী। চিকেন কাবাব, হালিম, ফালুদা, দই বড়া, ফিরনি, পরোটা, রোল, কাটলেটসহ নানা আইটেমের সারি ক্রেতাদের দৃষ্টি কাড়ছে।

jagonews24.comবেইলি রোডে ইফতারি সামগ্রীর দোকান/ছবি: জাগো নিউজ

দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছুটির দিনের কারণে আজ বিক্রি তুলনামূলক বেশি। বিকেলের পর থেকেই ক্রেতার চাপ বাড়তে থাকে, আর ইফতারের এক ঘণ্টা আগে বেচাকেনাও থাকে বেশি।

বেইলি রোডের এ-ওয়ান ফুডে পাওয়া যাচ্ছে বাহারি ধরনের ইফতারি সামগ্রী। এখানে কিমা পরোটা ১৫০ টাকা, ওয়েস্টার কাবাব ৮০ টাকা, ভেজিটেবল কাটলেট ৫০ টাকা, চিকেন অন্থন ৪০ টাকা, পিয়াজু ও বেগুনি ১০ টাকা, ফিশ বল ৯০ টাকা, জালি কাবাব ৭০ টাকা, চিকেন মালাই কাবাব ১২০ টাকা, বারবিকিউ চিকেন রোল ১৬০ টাকা, চিকেন অনিয়ন রোল ১৫০ টাকা, স্পাইসি চিকেন ৮০ টাকা ও চিকেন ললিপপ ৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। দই বড়া ১৬০-২০০ টাকা, ফালুদা ৮০ টাকা, গাজর ফিরনি ৮০ টাকা এবং হালিম ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে কাচারি বাড়ি ইফতার বাজারে মোরগ পোলাও ২৮০ টাকা, গরুর তেহারি ৩৫০ টাকা, খাসির রেজালা (হাফ কেজি) ১,২০০ টাকা ও এক কেজি ২,৪০০ টাকা, গরুর লাল ভুনা ১ কেজি ১,৬০০ টাকা এবং কালা ভুনা ১ কেজি ১,৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঘি পরোটা ১০০ টাকা, আলু পরোটা ৮০ টাকা, লেমন মিন্ট ২২০ টাকা ও মহব্বতি শরবত ২৮০ টাকা।

jagonews24.comইফতারি সামগ্রী কিনতে আসা ক্রেতাদের ভিড়/ছবি: জাগো নিউজ

ইফতার কিনতে আসা মালিবাগের বাসিন্দা সাইফ সামি জাগো নিউজকে বলেন, ছুটির দিন হওয়ায় পরিবার নিয়ে ইফতারি করার জন্য এখানে এসেছি। এক জায়গায় এত বৈচিত্র্যময় খাবার পাওয়া যায়, তাই বেইলি রোডেই আসা।

মগবাজারের বাসিন্দা ইলিয়াস হোসেন বলেন, বেইলি রোডে দাম তুলনামূলক বেশি হলেও স্বাদ ও মানের কারণে অনেকেই এখান থেকে ইফতার কিনতে আগ্রহী। তবে সবার সামর্থ্য কুলায় না।

নবাবী ভোজ রেস্টুরেন্টের বিক্রয়কর্মী সবুজ বলেন, ছুটির দিনে বিক্রি প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। বিশেষ করে কাবাব, হালিম ও রোলের চাহিদা বেশি থাকে।

বিক্রেতারা জানান, রমজানের শুরু থেকেই জমে উঠেছে ইফতারি বাজার, তবে ছুটির দিনগুলোতে ক্রেতার উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি থাকে।

আরএএস/এমএমকে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।