যোগ দিলেন ৬ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ দেশের ছয় সিটি করপোরেশনে নিয়োগ দেওয়া প্রশাসকরা যোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে তারা সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে তারা যোগদানপত্র জমা দেন।
এর আগে গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে ছয় প্রশাসককে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এবার আমলাদের পরিবর্তে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো। নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন মো. আব্দুস সালাম। অন্যদিকে, মো. শফিকুল ইসলাম খান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হয়েছেন।
এছাড়া নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনা সিটি করপোরেশন, আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট সিটি করপোরেশন, মো. সাখাওয়াত হোসেন খান নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এবং মো. শওকত হোসেন সরকার গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন।
‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এর ধারা ২৫ ক এর উপধারা (১) অনুযায়ী করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত বা তাদের সিটি করপোরেশনগুলোতে পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা সিটি করপোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রশাসকরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর কাছ যোগদানপত্র জমা দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তারা নাগরিক সমস্যাগুলো লাঘবে তাদের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানান।
প্রশাসকদের মধ্যে আব্দুস সালাম বর্তমানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন।
যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম খান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের কাছে পরাজিত হন তিনি।
নজরুল ইসলাম মঞ্জু বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি, শওকত হোসেন সরকার গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাখাওয়াত হোসেন খান নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি।
সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন। তবে জিততে পারেননি। জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলালের কাছে পরাজিত হন তিনি।
আরএমএম/এমআরএম