‘ডিজিএফআইয়ের তথ্যে’ ভারতে ফয়সাল গ্রেফতার, দেশে ফেরাতে প্রক্রিয়া শুরু

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:২১ এএম, ০৯ মার্চ ২০২৬
হাদি হত্যার প্রধান অসামি ফয়সাল করিম মাসুদ/ফাইল ছবি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান অসামি ফয়সাল করিম মাসুদ সহযোগী আলমগীরসহ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের বাংলাদেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক হাদি হত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও আলমগীর হোসেনকে (৩৪) পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক সম্প্রতি ভারত সফর করেন। তার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে যাওয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশটি কঠোর হয়।

আরও পড়ুন
হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম ১৪ দিনের রিমান্ডে
ফয়সালকে ভারত থেকে যে প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে আনা যাবে

জানা গেছে, হাদি হত্যায় জড়িত ফয়সাল ও আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন। এরপর তারা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করেন। সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে ফিরতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

গত শনিবার (৭ মার্চ) দিনগত মধ্যরাতে গ্রেফতারের পর রোববার ফয়সাল ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের ১৪ দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। ভারতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ফয়সাল ও আলমগীরকে দ্রুত বাংলাদেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হন শরিফ ওসমান হাদি। সে সময় গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়।

সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে ওসমান হাদি মারা যান।

টিটি/এমকেআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।