ডিএসসিসি প্রশাসক
অবৈধ রিকশা নিয়ন্ত্রণ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে নীতিমালা করছে সরকার
ফাইল ছবি
রাজধানী ঢাকার শৃঙ্খলা ফেরাতে অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সরকার নীতিমালা তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম। নীতিমালায় জনভোগান্তি ও জীবিকা নির্বাহ দুটি বিষয়েই ভারসাম্য রাখা হবে বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ডিএসসিসি ভবনে রাজধানীর যানজট নিরসন ও জনভোগান্তি লাঘবে অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। ডিএসসিসি প্রশাসকের সভাপতিত্বে সভায় ‘বাংলাদেশ রিকশা-ভ্যান ও ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান মালিক ফেডারেশন’র নেতারা অংশ নেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, রিকশা ঢাকার ঐতিহ্য হলেও বর্তমানে অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা নাগরিকদের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সরকার অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কাজ করছে।
তিনি জানান, নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট নকশা, গতি ও নিরাপত্তা বিশিষ্ট নির্দিষ্ট সংখ্যক রিকশা রাস্তায় চলবে, যেন রাস্তায় বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়।
এসময় ঢাকা শহরের বাইরে থেকে যারা অবৈধভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে ব্যবসা করছে তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর প্রকৃত রিকশাচালক ও মালিকদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
২০২১ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় প্রায় দুই লাখ ১২ হাজার প্যাডেলচালিত রিকশা ও ভ্যান চলাচলের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। সভায় জানানো হয়, বর্তমানে লাইসেন্সবিহীন ও অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় যানজট তীব্রতর হচ্ছে ও নগরবাসীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।
সভায় ফেডারেশনের নেতারা জানান, অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার দাপটে প্যাডেলচালিত রিকশা প্রায় বিলুপ্তির পথে। বর্তমানে অনেক চালকই প্যাডেলচালিত রিকশা চালাতে আগ্রহী নন। ফলে কিছু মালিক লাইসেন্সযুক্ত প্যাডেল রিকশার কাঠামোতে ব্যাটারি সংযুক্ত করেছেন।
ফেডারেশন নেতারা লাইসেন্সকৃত যেসব প্যাডেল রিকশায় ব্যাটারি যুক্ত করা হয়েছে, সেগুলো নতুন নীতিমালার আওতায় বৈধতা দেওয়ার দাবি জানান। এছাড়া, ঢাকা শহরের স্থায়ী রিকশা মালিক ও চালক ব্যতীত মৌসুমি রিকশাচালক ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান তারা।
সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমএমএ/এমকেআর
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ডিএসসিসি ভবনে রাজধানীর যানজট নিরসন ও জনভোগান্তি লাঘবে অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। ডিএসসিসি প্রশাসকের সভাপতিত্বে সভায় ‘বাংলাদেশ রিকশা-ভ্যান ও ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান মালিক ফেডারেশন’র নেতারা অংশ নেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, রিকশা ঢাকার ঐতিহ্য হলেও বর্তমানে অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা নাগরিকদের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সরকার অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কাজ করছে।
তিনি জানান, নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট নকশা, গতি ও নিরাপত্তা বিশিষ্ট নির্দিষ্ট সংখ্যক রিকশা রাস্তায় চলবে, যেন রাস্তায় বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়।
এসময় ঢাকা শহরের বাইরে থেকে যারা অবৈধভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে ব্যবসা করছে তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর প্রকৃত রিকশাচালক ও মালিকদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
২০২১ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় প্রায় দুই লাখ ১২ হাজার প্যাডেলচালিত রিকশা ও ভ্যান চলাচলের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। সভায় জানানো হয়, বর্তমানে লাইসেন্সবিহীন ও অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় যানজট তীব্রতর হচ্ছে ও নগরবাসীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।
সভায় ফেডারেশনের নেতারা জানান, অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার দাপটে প্যাডেলচালিত রিকশা প্রায় বিলুপ্তির পথে। বর্তমানে অনেক চালকই প্যাডেলচালিত রিকশা চালাতে আগ্রহী নন। ফলে কিছু মালিক লাইসেন্সযুক্ত প্যাডেল রিকশার কাঠামোতে ব্যাটারি সংযুক্ত করেছেন।
ফেডারেশন নেতারা লাইসেন্সকৃত যেসব প্যাডেল রিকশায় ব্যাটারি যুক্ত করা হয়েছে, সেগুলো নতুন নীতিমালার আওতায় বৈধতা দেওয়ার দাবি জানান। এছাড়া, ঢাকা শহরের স্থায়ী রিকশা মালিক ও চালক ব্যতীত মৌসুমি রিকশাচালক ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান তারা।
সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমএমএ/এমকেআর