বাংলাদেশ ও মিশরের বাণিজ্য-বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৫৮ পিএম, ০৪ মে ২০২৬
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এলদীন আহমেদ ফাহমির সৌজন্য সাক্ষাৎ/ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও মিশরের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এলদীন আহমেদ ফাহমির সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ গুরুত্বারোপ করা হয়।

সোমবার (৪ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সাক্ষাতে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মিশরের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন। 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য মিশর সরকারের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পূর্ণ অর্থায়নে বৃত্তির সংখ্যা ১২ থেকে বাড়িয়ে ২৪টিতে উন্নীত করার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের জন্য তিনি দেশটির সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

বাংলাদেশ ও মিশরের বাণিজ্য-বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ

আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়, বিশেষ করে জ্বালানি, অবকাঠামো, ওষুধ, কৃষি, পাট ও জনশক্তি খাতে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংস্কৃতি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও গুরুত্ব তুলে ধরেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রদূত বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে দক্ষ ও অদক্ষ জনশক্তি নিয়োগ, জ্বালানি, কৃষি ও সংস্কৃতি খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার ব্যাপারে মিশরের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশের প্রতি মিশরের অব্যাহত সমর্থনের আশ্বাস দেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, বিশেষ করে সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া বিনিময়, পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তি এবং নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ ও উচ্চ পর্যায়ের সফরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে অব্যাহত সমর্থনের পুনরায় আশ্বাস দেন এবং দুই দেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এমইউ/একিউএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।