সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের জীবনের নিরাপত্তায় প্রয়োজন হেলথ সেন্টার
সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে হেলথ সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত কক্সবাজারের সি-সেইফ লাইফগার্ড সার্ভিস পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ ও দাতা সংস্থা রয়্যাল ন্যাশনাল লাইফবোট ইনস্টিটিউশনের সঙ্গে আলোচনা সভায় মন্ত্রী এ কথা জানান।
অনুষ্ঠানে আফরোজা খানম বলেন, ‘পর্যটকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্ট নীতিমালার সংশোধন অত্যন্ত জরুরি। কক্সবাজার ও পটুয়াখালী সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে হেলথ সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নিতে হবে।’
এ লক্ষ্যে কক্সবাজার ও পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসককে অতি দ্রুত মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য সংখ্যা বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে লাইফগার্ড সার্ভিস প্রদানকারী কর্মীর সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, ‘লাইফগার্ড সার্ভিস অব্যাহত রাখার স্বার্থে আপাতত সিএসআর ফান্ড সংগ্রহ করা হবে। ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় রেখে নির্মাণ করতে হবে স্থায়ী অবকাঠামো।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, মন্ত্রণালয় ও সৈকতে সেবাদান করা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতা সংস্থা রয়্যাল ন্যাশনাল লাইফবোট ইনস্টিটিউশনের আর্থিক সহায়তায় সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ, বাংলাদেশ ২০১২ সাল থেকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে লাইফগার্ড সার্ভিস পরিচালনা করে আসছে।
এএসএ