রেটিংয়ের আওতায় আসছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো
দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রেটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের যোগ্যতা, ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত, গবেষণা ও দেশের জন্য অবদানসহ আরো নানা দিক বিবেচনায় নেয়া হবে।
ইউজিসির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। তবে রেটিং-এ বিতর্ক এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য বিজ্ঞানসম্মত ও যৌক্তিক সূচক নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা।
ঢাকাসহ দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে না পারার আক্ষেপ আছে দেশের বহু শিক্ষার্থীর। কিন্তু সরকারি ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের যারা শিক্ষার্থী, তারাও জানেন যে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় নেই বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই। শিক্ষা কার্যক্রম, গবেষণার সুযোগ, ও পড়ালেখার মানসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় এসবের কোনটি সেরা জানা নেই তারও উত্তর।
তাই এবার শিক্ষার গুণগত মান অনুসারে প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থান নির্ধারণ বা রেটিং এর কাজ শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। ইউজিসি চেয়ারম্যান ড.এ.কে. আজাদ চৌধুরী বলেন, আমরা শিক্ষকদের বিভিন্ন ঘাটতি ও পাশ করে যাওয়া শিক্ষার্থীদের অবস্থান বিষয়ে বেশ তদারকি করি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ড. গোলাম রহমান বলেন, রেটিংয়ের ক্ষেত্রে মানদণ্ড ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। আবার কিছু ক্ষেত্রে রেটিং বিশেষায়িত হতে পারে।
শিক্ষাবিদ ও শিক্ষক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, রেটিং হলে অনেকটা আত্ম সমালোচনার জায়গা তৈরি হবে। ল্যাব, লাইব্রেরি, জার্নাল প্রভৃতির সংগ্রহ কেমন তা বেরিয়ে আসবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেন এসব সূচকের সবগুলো অর্জন করতে পারে সরকারের উচিত হবে সে ব্যাপারে যথাযথ ভূমিকা পালন করা।
বিএ/পিআর