মন্ত্রিসভায় হস্ত ও কারুশিল্প আইন অনুমোদন
বাঙালি সংস্কৃতির লালন ও বিকাশ এবং কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র দূরীকরণে ‘হস্ত ও কারুশিল্প নীতিমালা ২০১৫’ এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ নীতিমালার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের বলেন, শিল্পনীতি-২০১০ এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতিমালা করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়।
হস্ত ও কারুশিল্পকে সরকার গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের মাধ্যমে দারিদ্র দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এই নীতি দেশজ সংস্কৃতি লালন ও বিকাশের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করবে। নীতিমালায় উদ্যোক্তা তৈরির কৌশল, শিল্পী-উদ্যোক্তাদের দক্ষতা ও উন্নয়নের বিষয় সন্নিবেশিত রয়েছে। উদ্যোক্তাদের আরও কীভাবে আর্থিক ও বিপণন প্রণোদনা দেওয়া যায় তা উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ রপতানির ক্ষেত্রে এটা গুরুত্বপূর্ণ, এ বিষয়টিও বলা হয়েছে।
১৯ ক্যাটাগরির পণ্য হস্ত ও কারুশিল্পের মধ্যে পড়বে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা পরিবর্তনযোগ্য। নীতিমালার উদ্দেশ্য হস্ত ও কারু শিল্পীদের সহায়তা এবং এ নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে এ শিল্প বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। নীতিমালা বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও সমন্বয়ের জন্য পরিষদ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
শিল্পমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি নীতিমালা সমন্বয় পরিষদ এবং হস্ত ও কারুশিল্প বাস্তবায়ন পরিষদ গঠিত হবে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্পের (বিসিক) চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে। উভয় কমিটিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিরা থাকবেন বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
এসএ/বিএ/আরআইপি