‘সাধারণ মানুষ যা দেখেন স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী তা দেখেন না’
ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি হাসান তারেক বলেছেন, স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল চোখে ঠুলি পড়ে বসে আছেন। সারাদেশের সাধারণ মানুষ যা দেখতে পান তিনি তা দেখতে পান না। কোনো ঘটনাতেই ষড়যন্ত্রের গন্ধ খোঁজা তাদের মনোরোগে পরিণত হয়েছে। এ রোগের আশু চিকিৎসা প্রয়োজন।
তিনি স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে বলেন, আপনারা ব্যর্থ হলে জনগণই অপরাধীদের চিহ্নিত করে সমুচিত জবাব দিয়ে আপনাদের ঠুলি পড়া চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে নিপীড়কদের কোনো ক্ষমা নেই। তিনি বলেন, অতীতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের ধারবাহিকতায় আমরা দেখেছি দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য প্রদান একটি স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে পহেলা বৈশাখে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে নারীর শ্লীলতাহানির ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
হাসান তারেক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিককে লক্ষ্য করে বলেন, অগণতান্ত্রিক-স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে ঢাবি উপাচার্য এ ঘটনায় নির্লিপ্ত ও নির্বিকার ভূমিকা পালন করছেন। তার এ নির্লিপ্ততা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভঙ্গুর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও দায়িত্বপালনে ব্যর্থ প্রক্টরকে মদদ যুগিয়ে চলেছে।
তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখে দায়িত্বে অবহেলা করে খেলায় মত্ত্ব ছিলেন প্রক্টর ড. এম আমজাদ আলী। অথচ তিনি দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেন। এরকম নির্লজ্জ মিথ্যাচারী প্রক্টরকে এখনো বহাল তবিয়ত রেখেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লাকি আক্তার, সহ-সভাপতি মারুফ বিল্লাহ তন্ময়, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম জিলানী শুভ, ঢাবি সভাপতি লিটন নন্দী, সাধারণ সম্পাদক তুহিন কান্তি দাস।
এমএইচ/বিএ/পিআর