ভারতে স্বীকৃতি পেল বিএসটিআইয়ের মানসনদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৫৭ এএম, ২০ মে ২০১৫
ফাইল ছবি

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশরে (বিএসটিআই) কেমিকেল (রাসায়নিক) ও ফিজিক্যাল (পদার্থ) ল্যাবরেটরির দেয়া ২৫টি পণ্য এবং ১৪৩টি প্যারামিটারের মানসনদ ভারতের স্বীকৃতি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

বুধবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উপলক্ষে বিএসটিআই আয়োজিত `পরিমাপ বিজ্ঞান ও আলোর ভূমিকা` শীর্ষক আলোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ভারতের জাতীয় মান নির্ধারণী সংস্থা এনএবিএল এ স্বীকৃতি প্রদান করেছে। আরো ২০টি প্যারামিটারের পরীক্ষণ সনদ স্বীকৃতি প্রাপ্তির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এর ফলে ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি বাড়বে।

শিল্পমন্ত্রী আরো বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন, বিতরণ ও সঞ্চালনসহ সকল পর্যায়ে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম তৈরিতে কাঁচামালের যথাযথ পরিমাপ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। নিম্নমানের কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদিত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ব্যবহার দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এর ফলে প্রায়ই জান-মালের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হচ্ছে। তিনি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও পণ্য উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত শিল্প উদ্যোক্তাদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

আমির হোসেন আমু বলেন, বিশ্বব্যাপী বর্তমানে সৌর, বায়ু, পানি, কয়লা, গ্যাস ও জৈব পদার্থের মতো প্রাকৃতিক উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। এ বিদ্যুৎ পরিমিতভাবে ব্যবহার না করলে প্রাকৃতিক উৎস সহসাই ফুরিয়ে যাবে। ফলে ভবিষ্যতে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হবার পাশাপাশি মানবসভ্যতা মারাত্মক সংকটের মুখে পড়বে।

তিনি ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বার্থে বিকল্প জ্বালানি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জ্বালানি ব্যবহারে মিতব্যয়ী হবার পরামর্শ দেন। বিদ্যুতের সিস্টেম লস কমাতে তিনি সম্ভাব্য সকল স্থানে জ্বালানি দক্ষ স্মার্ট এনার্জি মিটার প্রতিস্থাপনের তাগিদ দেন।

অনুষ্ঠানে বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক ইকরামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব সুষেণ চন্দ্র দাস, এফবিসিসিআইর সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ, বিএসটিআইর মেট্রোলজি বিভাগের পরিচালক মো. আলী বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে দেশে পণ্যের গুণগতমান পরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। এ লক্ষ্যে বিএসটিআইর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এটি সম্ভব হলে, বিশ্ববাজারের অশুল্ক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে বাংলাদেশি পণ্য সহজেই অনুপ্রবেশে সক্ষম হবে।

এসআই/বিএ/আরআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।