রোমে অনুষ্ঠিত হলো প্রাণ এর বৈশাখী মেলা
রোমের সেন্তশেল্লর পার্কে ৬ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা ৩ জুন শেষ হয়েছে। এর আগে ৩০ মে এ মেলা শুরু হয়। মেলার প্রথম দিন প্রবাসী বাঙালিদের ঢল নামে। প্রতি বছরের মতো এবারো মেলায় ছিল দেশি-বিদেশি স্টল। বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের বস্ত্র, প্রাণের পণ্য সামগ্রী, আবাসন স্টলসহ আরো অনেক রকম দেশীয় পণ্য ছিল মেলার মূল আকর্ষণ। এবারের মেলা একটু দেরি করে শুরু হলেও প্রবাসীদের আনন্দের কমতি ছিল না।
বিকেল থেকে দল বেধে নানা বয়সের মানুষের আগমনে মেলার গুরুত্ব বেড়ে যায়। সবার উপস্থিতিতে মেলা আরো বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠে বাংলা ভাষাভাষিদের মাঝে। বিগত বছরের তুলনায় এ বছর মেলা একটু দেরি করে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে। ফলে দেরি হলেও আনন্দ একইরকম বিদ্যমান থাকে বলে প্রবাসীরা মনে করেন।
বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলার আয়োজনে বাংলাদেশ সমিতি ইতালি এবং বৈশাখ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক আমিনুর রহমান সালাম। বাংলা ভাষাকে বিদেশিদের মাঝে পরিচয় করিয়ে দিতে রোমে দীর্ঘ ষোল বছর ধরে বাঙালিদের প্রাণের মেলা ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বাংলা নব বর্ষকে উপলক্ষ করে এই দিনে প্রবাসীরা একত্রিত হয়ে উল্লাসে মেতে ওঠেন। মেলার ৪ দিনই ছিল দেশি বিদেশি শিল্পীদের নাচ, গান ও নাটিকাসহ বিনোদনমূলক জাঁকজমক অনুষ্ঠান। এই প্রথম রোমের বৈশাখী মেলায় প্রাণের ১১০টি পণ্য ইতালি প্রবাসীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে একটি স্টল দেখা গেছে।
ইতালিতে প্রাণের কান্ট্রি ম্যানেজার মো. মুকিমুল কাবির জাগো নিউজকে বলেন, মেলার প্রথম দিনে প্রাণের পণ্য সামগ্রীতে ক্রেতাদের যথেষ্ঠ সাড়া পাচ্ছি। প্রাণ গ্রুপের এতো রকমের পণ্য ইতালিতে রয়েছে হয়তো অনেকের অজানা তাই মেলার মাধ্যমে ভোক্তারা জানতে পারবেন। তিনি প্রাণের পণ্য কিনতে আগত দর্শনার্থীদের আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, মেলা ৩০ মে থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও প্রশাসনিক সমস্যা থাকার কারণে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ৩১ মে এবং মেলায় পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। ৬ দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা ৪ জুন শেষ হওয়ার কথা কিন্তু প্রশাসনিক অনুমতি না থাকায় ৩ জুন ছিল মেলার শেষ দিন। মেলার তৃতীয় দিনে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এমজেড/আরআইপি