মোদির সফর ইতিবাচক! তবে...

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:০৩ পিএম, ০৭ জুন ২০১৫

দুই দিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সফরের প্রথম দিনে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। সই করেছেন বাংলাদেশ-ভারত ২২ দফা চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক। দ্বিতীয় দিনেও ব্যস্ত সময় পার করছেন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক ও বিভিন্ন প্রকল্প উদ্বোধন করে। তবে নরেন্দ্র মোদির এ সফরকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করলেও এনিয়ে দেশের মানুষের হতাশা ও সংশয় রয়েছে বলে জানিয়েছেন ‘বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপ’ অনুষ্ঠানের বক্তারা।

রোববার রাজধানীর টিসিবি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় ‘বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপ’। এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এ সফরের জনগণের প্রত্যাশা পুরণ হলেও অনেক বিষয় স্পষ্ট হয়নি। সীমান্ত হত্যা বন্ধে এবং তিস্তা চুক্তির সইয়ের নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করা উচিৎ ছিল মোদির সফরে।

তিনি আরো বলেন, যোগাযোগ খাতে ভারতকে সুবিধা দিলেও এতে আমাদের জনগণ কীভাবে লাভবান হবে এই বিষয়গুলো স্পষ্ট করার দরকার ছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. আমেনা মোহসিন বলেন, এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতি বিজেপির ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পরিষ্কার হয়েছে। সফরটি ইতিবাচক হলেও তিস্তা চুক্তি নিয়ে স্পষ্ট বক্তব্যের প্রয়োজন ছিল। কারণ তিস্তা বর্তমানে মানবিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
 
এসময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেন, সবসময় সবটা পাওয়া যায় না। শতভাগ পাওয়া অসম্ভব। তবে এ সফরে বাংলাদেশ বিরাটভাবে লাভবান হবে। ভারত যোগাযোগসহ নানা খাতে বিনিয়োগ করবে। তিস্তা চুক্তি সময়ের ব্যাপার মাত্র।
 
তবে মোদির সফরে ভারতের সঙ্গে সই করা ২২টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়ন হলেই দেশের মানুষ উপকৃত হবে বলে মন্তব্য করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-এর নির্বাহী পরিচালক ড. মুস্তাফিজুর রহমান।
 
ওয়ালিউর রহমান মিরাজের প্রযোজনা ও আকবর হোসেনের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন এবং বিবিসি বাংলা।
 
এআর/বিএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।