ঢাকার তাপমাত্রা বাড়ছেই
ক্রমাগত উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ঢাকা নগরী। প্রতি বছরই বাড়ছে তাপমাত্রা। ঢাকার মোট ভূখণ্ডের বেশির ভাগ অংশ তাপ শোষণের ক্ষমতা হারানোতেই গরমের তীব্রতা কমছে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি আশঙ্কা ভবিষ্যতে এ পরিস্থিতির আরো অবনতি হওয়ার।
বুয়েটের এক গবেষণায় দেখা গেছে ১৯৮৯ সালে ঢাকার তপ্ত এলাকার পরিমাণ ছিল ৩০ শতাংশ। বর্তমানে তা বেড়ে ৭০ শতাংশের কাছাকাছি। আর সেখানেই বাস রাজধানীর ৮০ ভাগ মানুষের।
বেলা প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, এত মানুষের একটি নগরী এর আশেপাশে গাছপালার এলাকা নেই যেটা ঢাকাকে ঠাণ্ডা রাখতে পারে। আর যেভাবে বিল্ডিং বানানো হচ্ছে সেটা আমাদের মতো গরম প্রধান দেশের জন্য সেগুলো উপযোগী না।
আবহাওয়া অফিস বলছে, ঘন বসতি হওয়ায় জলীয় বাষ্প, বৃষ্টির পানির প্রবাহ ও মাটির নিচে বিভিন্ন স্তরে জমা পানির পরিমাণ কম হওয়ায় তপ্ত হয়ে উঠছে ঢাকার ভূখণ্ড। দিন আর রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ায় কমছে না নগরীর তাপমাত্রা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শাহ আলম বলেন, রাতের তাপমাত্রা বিল্ডিং থেকে, রাস্তা থেকে এবং গাড়ির ধোয়া থেকে আসে। এভাবেই রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
দিন যত যাচ্ছে বাড়ছে গরমের তীব্রতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবতো রয়েছেই সেই সঙ্গে রয়েছে মানবসৃষ্ট কারণ। অপরিকল্পিত নগরায়ন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং সেই সঙ্গে মোটর চালিত যানবাহনের আধিক্য দিনদিনই উত্তপ্ত করে তুলেছে এই ঢাকা নগরীকে। আর এর ফলে রাজধানী ঢাকা ক্রমেই এর অধিবাসীদের জন্য হয়ে উঠছে অসহনীয়।
এএইচ/এমএস