শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আয়ের হিসাব দিতে হবে


প্রকাশিত: ০৯:৪৬ এএম, ১০ জুন ২০১৫
ফাইল ছবি

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ১৯৮১ সালে ৭ হাজার ৫০৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে সরকারের প্রায় আড়াই শ’ কোটি টাকা ব্যয় হতো। বর্তমানে ৩৩ হাজার প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ব্যয় হয় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা। শিক্ষা বাজেটের অধিকাংশ টাকা পরিদর্শন খাতে চলে যাচ্ছে। এ টাকার সঠিক ব্যবহার হয় না। তাই নিজেদের স্বার্থেই দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আয়ের হিসেব দিতে হবে।

বুধবার জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘পেয়ার ইন্সপেকশন’ বিষয়ক জাতীয় কর্মশালায় তিনি এ কথা জানান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতর (ডিআইএ) এ কর্মশালার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিআইএ পরিচালক প্রফেসর মো. মফিজ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিউশন ফি, অনুদান, প্রতিষ্ঠানের জমি, জায়গা, পুকুর থেকে প্রচুর পরিমাণে আয় হলেও সরকার অনেক ব্যয় বহন করে থাকে। মাদ্রাসাতেও ওয়াজে মোটা অংকের আয় হয়। এ আয়ের ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, এ টাকা কোথায় ব্যয় হয় তাও সরকারকে জানায় না প্রতিষ্ঠান।

অনেক নামিদামী প্রতিষ্ঠান টিউশন ফিসহ বেশ কিছু খাতে কোটি কোটি টাকা আয় করে। এ আয় দিয়ে তারা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করে। আমরা চাই, এ ব্যয়ের সঠিক হিসাব থাকুক।

এসময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও অতিরিক্ত আদায় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন। এছাড়াও অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নায়েম’র মহাপরিচালক প্রফেসর মো. হামিদুল হক।

এসএইচএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।