মন্ত্রী এমপিদের দীর্ঘ বক্তৃতায় সংসদে ক্ষোভ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:২১ পিএম, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী ও এমপিদের ‘অহেতুক’ বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সরকারি দলের জ্যেষ্ঠ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিম। তার বক্তব্যের আগেও এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অধিবেশনে সভাপতিত্বকারী ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া। সেসময় অবশ্য সেলিম উপস্থিত ছিলেন না।

বৃহস্পতিবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শেখ সেলিম। প্রশ্নকারী সংসদ সদস্যদেরও সম্পূরক প্রশ্নের সময় বক্তব্য না দিয়ে শুধু প্রশ্নটি করার অনুরোধ করেন তিনি।

শেখ সেলিম বলেন, সংসদে প্রশ্নোত্তরের জন্য এক ঘণ্টা সময় নির্ধারিত। কিন্তু প্রশ্নকর্তা সম্পূরক প্রশ্নের সময় একটি বক্তব্য দেন। আর উত্তর দেয়ার সময় (মন্ত্রীর) আরেকটি বক্তব্য, যার ফলে আজকে চারটি প্রশ্ন রয়েছে। ১৫ মিনিট করে একটি প্রশ্ন চলেছে। এটি যদি হয় তাহলে অন্যান্য সদস্য, যারা বহু কষ্ট করে প্রশ্ন করেন, তারা আশা করেন যে একটি প্রশ্ন করবেন, তারা বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রশ্নকর্তাও বক্তব্য দেন, মন্ত্রীও বক্তব্য দেন। মন্ত্রীদের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে এভাবে বক্তৃতা না দিয়ে উত্তরটা দেন।

ডেপুটি স্পিকারের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এই সদস্য বলেন, আজকে মাত্র চারটি প্রশ্নের উত্তর হয়েছে। এখানে আট থেকে ১০টি প্রশ্নের উত্তর হতে পারত। এ বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

শেখ সেলিমকে উদ্দেশ্য করে তখন ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, ‘আপনি সম্ভবত প্রশ্নোত্তর পর্বে আজকে কিছুক্ষণের জন্য অনুপস্থিত ছিলেন। আজ যে বিষয়টি আপনি উত্থাপন করেছেন, আমিও তা নিয়ে বক্তব্য রেখেছি। বলেছি দয়া করে কেউ স্টেইটমেন্ট দেবেন না। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কেও অনুরোধ করেছি, আপনি সংক্ষেপে উত্তর দেবেন। তারপরও এই বিষয়টির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। মনে করি, আপনার এই বক্তব্যের পরে মাননীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীবর্গ সচেতন হবেন এবং সেই হিসেবে সময়ের সৎ ব্যবহার করবেন।’

এইচএস/জেডএ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]