শীত উপেক্ষা করে লাইনে ভোটাররা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:০৪ এএম, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮

পৌষের শীত উপেক্ষা করে সকাল সকাল কেন্দ্রে এসেছে ভোটাররা। কেউ সোয়েটার-জ্যাকেট পরে কেউ চাদর মুড়িয়ে ভোট দিতে কেন্দ্রে এসেছেন।

রোববার সকাল সোয়া ৮টায় সরেজমিন ঢাকা-৭ আসনের আনন্দময়ী ও আহমেদ বাওয়ানী একাডেমি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ইতোমধ্যে ভোটের পুরুষ বুথগুলো সামনে ৮-১০টি লাইনে দাঁড়িয়েছেন ভোটাররা। বিচ্ছিন্নভাবে নারীরা আসলেও তেমন লাইন হয়নি তাদের।

এই আসনের আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে হাজি মোহাম্মদ সেলিম ও ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু। সরেজমিনে দেখা যায়, কেন্দ্র দুটিতে হাজি সেলিমের পক্ষে কর্মী-সমর্থকরা গলায় স্টিকার ঝুলিয়ে ভোট চাইলেও ধানের শীষের পক্ষে কাউকে ভোট চাইতে দেখা যায়নি। এমনকি কেন্দ্রে তাদের কোনো এজেন্টও ছিল না।

পুলিশ ও আনসার সদস্যরা কেন্দ্রের নিরাপত্তায় রয়েছেন।

২৩ বছর বয়সী জাহিদুল ইসলাম সাদেক এবারই প্রথম ভোট দিতে এসেছেন। অন্যদের চেয়ে তার ভোট দেয়ার আগ্রহটা একটু বেশি। সকাল সকাল লাইনে দাঁড়িয়ে সাদেক জাগো নিউজকে বলেন, কয়েকদিন ধরেই খুব এক্সাইটেড ছিলাম ভোট দেয়া নিয়ে। ভোট দেয়ার বিষয়ে আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছি। আশা করছি, যারাই সরকার গঠন করবে তারা যেন দেশকে আপন মনে করে পরিচালনা করে, যেন রাষ্ট্র পরিচালনায় তরুণদের প্রাধান্য দেয়।

বাসা-বাড়ির কাজ ফেলে শীত উপেক্ষা করে কেন্দ্রে এসে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন নারীরাও। তাহেরা রহমান নামে এক গৃহিণী বলেন, ‘খুব স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট দিয়েছি। কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি, শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট দিয়েছি। আশা করছি যাকে ভোট দিয়ছি সেই জিতবে।’

এই আসনের অন্য প্রার্থীরা হচ্ছেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের খালিকুজ্জামান (মই), জাতীয় পার্টির তারেক আহমেদ আদেল (লাঙ্গল), জাকের পার্টির বিপ্লব চন্দ্র বণিক (গোলাপ ফুল), গণফ্রন্টের মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন (মাছ), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. আফতাব হোসেন মোল্লা (হারিকেন), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আব্দুর রহমান (হাতপাখা), বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফের মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (টেলিভিশন),ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. মাসুদ পাশা (আম), গণফোরামের মো. মোশাররফ হোসেন (উদীয়মান সূর্য), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. হাবিবুল্লাহ (বটগাছ)।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৫, ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত আসনটিতে মোট ৩ লাখ ২৮ হাজার ২৬৯ জন ভোটার যার মধ্যে ১ লাখ ৭৫ হাজার ২৫০ পুরুষ ও ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৯ জন নারী ভোটার।

এআর/এমবিআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]