দেশে খাদ্য ঘাটতির কোনো শঙ্কা নেই : ব্রি

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:২১ পিএম, ০৯ আগস্ট ২০২০

অডিও শুনুন

করোনাকালীন স্থবিরতার মধ্যে দীর্ঘায়িত বন্যার আঘাত। ক্ষতিগ্রস্ত ৩৭ জেলা। এসব জেলার প্রায় ১৩ লাখ বিঘা জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। নষ্ট হওয়া ফসলের মধ্যে রয়েছে— ধান, আমন বীজতলা, সবজি, ভুট্টা, তিল, মরিচ, চীনাবাদাম, পান, পাট, কলা, লেবু ও আখ। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, দেশ কি খাদ্যসংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে?

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) বলছে, বাংলাদেশে আপাতত খাদ্যঘাটতির কোনো শঙ্কা নেই। তাদের গবেষণায় দেখানো হয়েছে, চালের উৎপাদন গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩.৫৪ ভাগ বেড়েছে। গত বোরো ও আমন মৌসুমের উদ্বৃত্ত উৎপাদন থেকে হিসাব করে জুন পর্যন্ত দেশের ভেতরে ২০.৩১ মিলিয়ন টন চাল ছিল। আগামী নভেম্বর পর্যন্ত চাহিদা মেটানোর পরও ৫.৫৫ মিলিয়ন টন চাল দেশের ভেতরে উদ্বৃত্ত থাকবে। নভেম্বর পর্যন্ত ১৬.৫০ কোটি মানুষের চাহিদা মেটানোর পরও ৩৬-৭৮ দিনের চাল উদ্বৃত্ত থাকবে।

নভেম্বরের মধ্যে দেশের ফুড বাস্কেটে নতুনভাবে আউশ ও আমনের উৎপাদন যুক্ত হবে। ফলে বাংলাদেশে আপাতত খাদ্যঘাটতির কোনো শঙ্কা নেই— বলছে ব্রি।

jagonews24

ব্রি’র উদ্যোগে রোববার (৯ আগস্ট) সকালে অনুষ্ঠিত চলমান করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা এবং খাদ্য সংকটের শঙ্কা শীর্ষক এক ওয়েবিনারে এই গবেষণা তথ্য প্রকাশ করে ব্রি।

প্রধান অতিথি হিসেবে এতে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। সম্মানিত অতিথি ও মুখ্য আলোচক ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ও সিনিয়র সচিব (সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ) ড. শামসুল আলম।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, খাদ্যশস্য আমদানির আগে কৃষকের স্বার্থ ও ভোক্তার স্বার্থ বিবেচনায় রাখতে হবে। কারণ, কৃষক না বাঁচলে দেশ বাঁচবে না। বিষয়টি অনুধাবন করতে হবে আগে। তিনি আরও বলেন, খাদ্য মজুতের বিষয়টি আগে থেকেই ভালোভাবে সার্ভে করে দেখতে হবে; যাতে দুর্যোগকালীন যথার্থ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। এক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে খাদ্যশস্য আমদানিও করা হবে।

jagonews24

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চলতি মৌসুমে বন্যাপীড়িত অঞ্চলগুলোতে খাদ্যের আবাদে কতটা ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক পর্যালোচনা করে খাদ্য আমদানির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। মন্ত্রী বলেন, চালের বাজারদর কৃষক ও ভোক্তার স্বার্থে যথাযথ রাখতে সরকার, কৃষক ও মিলার মালিকদের সঙ্গে যৌথভাবে উদ্যোগ নেয়ার এখনই সময়। এছাড়া সারের প্রাপ্যতা ও ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, বীজের সরবরাহ ঠিক রাখা, ফসল বোনা থেকে শুরু করে ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত সময়ে প্রতিদিনের পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও তদারকি করতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ পারমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানান।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও অংশ নেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ পুলের সদস্য ড. আব্দুস সাত্তার মণ্ডল, এমিরিটাস অধ্যাপক ড. এস এম নাজমুল ইসলাম, কৃষিবিদ মো. হামিদুর রহমান এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ‎প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান।

ওয়েবিনার আয়োজনের উদ্দেশ্য ছিল, কোভিড-১৯ সময়কালীন খাদ্যনিরাপত্তা পরিস্থিতি, ধানের উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণে গৃহীত পদক্ষেপ পর্যালোচনা এবং উৎপাদনে বৃদ্ধিতে ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণ করা। কোভিড-১৯ কালীন ও তৎপরবর্তী দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে কয়েকটি দেশি-বিদেশি সংস্থার বরাত দিয়ে অনেক বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারিত হচ্ছে, যা জনমনে এবং পলিসি লেভেলে অস্বস্তি তৈরি করছে। ব্রি মনে করে, এই ওয়েবিনার দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে উদ্ভূত সব বিভ্রান্তি নিরসন করবে।

jagonews24

ওয়েবিনারে বলা হয়, ব্রি মধ্য এপ্রিল থেকে মধ্য জুলাই পর্যন্ত পাঁচটি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এগুলোর মধ্যে হাওরের ধানকাটার শ্রমিক ও যান্ত্রিকীকরণের ভূমিকা, সুপার-সাইক্লোন আম্ফানের প্রভাব নিরূপণ, ধান-চালের মজুত পরিস্থিতি এবং বাজারমূল্যে এর প্রভাব, ৬৪ জেলায় কৃষকের মাঠের ফসল কাটা এবং আউশ আবাদ পরিস্থিতি নিয়ে র‌্যাপিড সার্ভের মাধ্যমে করোনাকালীন গবেষণা পরিচালনা করা হয়। এসব গবেষণার ফল বিশ্লেষণে ৬৪টি জেলায় ব্রি কর্তৃক ১০৪৮টি এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক ২ লাখ ১৩ হাজার ৮৬৯টি ফসল কর্তনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এই সার্ভে কার্যক্রমে দেশের ৩৮টি জেলার ৫৭টি উপজেলা এবং ফলন কর্তনে ৬৪টি জেলা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ওয়েবিনারে বিগত ১০ বছরে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ধান উৎপাদনকারী দেশগুলোর উৎপাদন চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, ২০১০ সালে যেখানে চাল উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল চতুর্থ। বর্তমানে সরকারের কৃষিবান্ধব নীতি, গবেষণা ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়াকে পেছনে ফেলে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে, যা বাংলাদেশের জন্য বিশাল একটি অর্জন এবং খাদ্যনিরাপত্তায় মাইলফলক। যদিও ইউএসডিএ ধানের উৎপাদন নিয়ে পূর্বাভাস দিয়েছিল যে, গত বছরের তুলনায় উৎপাদন ০.২৮ ভাগ কমে যাবে, কিন্তু বাস্তবে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩৮.৭ মিলিয়ন টনে উন্নীত হয়েছে।

ব্রির জরিপ থেকে দেখা গেছে, ফলন, আবাদকৃত এলাকা, উৎপাদন ও চালের অভ্যন্তরীণ মজুত পরিস্থিতি বিবেচনায়, গত বছরের তুলনায় এ বছর সব কৃষি অঞ্চলে ধানের ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এ বৃদ্ধির হার সারাদেশে গড়ে শতকরা ৮.৪ ভাগ। ডিএই’র ৬৪ জেলার ক্রপ-কাট এর ফলাফল থেকে দেখা যাচ্ছে, ধানের ফলন গড়ে ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ব্রি’র ১০৪৮টি কৃষকের মাঠে ক্রপ-কাট এর ফলাফল থেকে দেখা যাচ্ছে যে, সারাদেশে ধানের ফলন গড়ে ২.৮ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

jagonews24

গত দুই বছর ধানের দাম ক্রমাগত হারে কম থাকায় এ বছর বোরো আবাদি জমির পরিমাণ কিছুটা কমেছে, যা গত বছরের তুলনায় শতকরা ০.৭১ ভাগ। অন্যদিকে এ বছর বোরো ধানের দাম বেশি থাকায় কৃষক আউশ চাষে ঝুঁকেছে। ফলে গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৮ ভাগ বেশি জমিতে আউশ ধান আবাদ হয়েছে।

ব্রি’র গবেষণায় দেখা যায়, চালের উৎপাদন গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩.৫৪ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরপক্ষে, ডিএই’র ক্রপ-কাটের তথ্য অনুযায়ী ৩.১৮ শতাংশ এবং ব্রি’র ক্রপ-কাট অনুযায়ী ৩.৯৪ শতাংশ চালের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। বোরো মৌসুমে এ বছর চালের উৎপাদন হয়েছে ২০.২৬ মিলিয়ন টন, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩.৫৮ শতাংশ বেশি। এই উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভালো আবহাওয়া, উপযুক্ত ব্যবস্থাপনা, দাম কমানোর ফলে ডিএপি সারের ব্যবহার বৃদ্ধি, ব্রি-ডিএই যৌথ উদ্যোগে ১৪টি কৃষি অঞ্চলে আঞ্চলিক কর্মশালা, বোরো মৌসুমের শুরুতে কৃষক প্রশিক্ষণ এবং কৃষি যান্ত্রিকীকরণে সরকারের ত্বরিত পদক্ষেপ সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

আউশের উৎপাদন বিবেচনা করলে এ বছর আমাদের আউশের প্রত্যাশিত উৎপাদন হবে ৩.৫৬ মিলিয়ন টন। কিন্তু ইতোমধ্যে দেশের প্রায় ৩১টি জেলা বন্যা দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। বন্যার ফলে আউশের প্রত্যাশিত উৎপাদন কিছুটা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিসিআর ক্যালকুলেট করে দেখা গেছে, এবার বোরো ধান চাষ লাভজনক ছিল। ধানকাটা মৌসুমে কাঁচা ধানের দাম গত বছরের তুলনায় বেশি থাকায় কৃষকের মোট আয় শতকরা ১৬.৭ ভাগ বেড়েছে। বোরো ধানচাষীদের তথ্য মতে, এ বছর তারা গড়ে বিঘাপ্রতি ১ হাজার ৬০৪ টাকা লাভ করেছেন, যেখানে গত বছর তাদের লোকসান গুনতে হয়েছিল। এ বছর কর্তনকালীন এবং এক থেকে দুই মাসের মধ্যে কৃষক গত বছরের তুলনায় কম পরিমাণ ধান বাজারে বিক্রি করেছেন। একদিকে ভবিষ্যৎ খাদ্য ঘাটতির শঙ্কা অন্যদিকে ধানের দাম বেশি থাকায় অল্প ধান বেঁচেই কৃষক কৃষি ও পরিবারের খরচ বহন করতে পেরেছেন। অধিকন্তু বেশি দামের আশায় ধান মজুত করার প্রবণতা বাড়তে দেখা গেছে।

jagonews24

ধান-চালের মজুত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, ধানের ক্ষেত্রে গত বছর জুন মাসে কৃষকের গোলায় মোট মজুতের ২০ শতাংশ ধান ছিল, যা এ বছর একই সময় প্রায় ২৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। বিশেষ করে করোনাকালীন অধিক লাভের আশায় একধরনের নতুন ‘Market Actor’ যোগ হয়েছে, যারা এ সময় ধানে বিনিয়োগকে নিরাপদ মনে করছে। এসব কারণে এ বছর মিলারদের ধান মজুতের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম ছিল।

অন্যদিকে চাল মজুতের বেলায় দেখা যায় যে, ভোক্তাশ্রেণি ভবিষ্যৎ খাদ্যঘাটতির শঙ্কা থেকে আতঙ্কিত হয়ে বেশি পরিমাণ চাল মজুত করেছেন। অপরপক্ষে, সরকারসহ (গত বছর জুন পর্যন্ত সরকারি মজুত ছিল ১২.৫৬ লাখ টন, যা এবার কমে ৯.২৭ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে) অন্যান্য চাল ব্যবসায়ীরা গত বছরের তুলনায় কম পরিমাণে চাল মজুত করেছেন। সার্বিকভাবে বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে ধান-চাল মজুতের প্রবণতা কিছুটা বেশি থাকলেও সরবরাহ চেইন বিঘ্নিত হয়নি।

চাল উৎপাদন খরচের ক্ষেত্রে মৌসুমে বিদ্যমান সর্বনিম্ন দামে মিলাররা যে ধান ক্রয় করেন সেটি থেকে কেজিপ্রতি চাল উৎপাদনে ২৭.৮৬ টাকা খরচ হয়। অন্যদিকে সর্বোচ্চ দাম বিবেচনায় দেখা যায়, কেজিপ্রতি চাল উৎপাদনে ৩৫.৮০ টাকা খরচ হয়। গড় বিবেচনায় এক কেজি চাল উৎপাদনে ৩২.৩৪ টাকা ব্যয় হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, বিদ্যুৎ বিল, যানবাহন ও শ্রমিক খরচ বাড়ার কারণে এ বছর মিলিং খরচ ৮.৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। খরচ বাড়লেও এটা স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে, সরকার ঘোষিত দামে চাল বিক্রি করে মিলাররা লাভবান হচ্ছেন।

এফএইচএস/এমএআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৩৪,৪০,৮১,১২৬
আক্রান্ত

৫৫,৯৬,০৯৬
মৃত

২৭,৫৩,৫৬,১৮১
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৬,৬৪,৬১৬ ২৮,১৯২ ১৫,৫৫,৫৯৭
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭,০৫,৪৪,৮৬২ ৮,৮৩,৯০৩ ৪,৪০,৪৭,৭৯৯
ভারত ৩,৮৫,৬৬,০২৭ ৪,৮৮,৪২২ ৩,৬০,৫৮,৮০৬
ব্রাজিল ২,৩৫,৮৮,৯২১ ৬,২২,২৫১ ২,১৮,৫১,৯২২
যুক্তরাজ্য ১,৫৭,০৯,০৫৯ ১,৫৩,৪৯০ ১,১৯,৫৭,৪৩৯
ফ্রান্স ১,৫৬,০০,৬৪৭ ১,২৮,১১৪ ৯৮,৪৪,৯৩১
রাশিয়া ১,০৯,৮৭,৭৭৪ ৩,২৪,৭৫২ ৯৯,৭৫,০৫২
তুরস্ক ১,০৭,৩৬,২১৫ ৮৫,৪১৯ ৯৯,৮৫,৫৯৬
ইতালি ৯৪,১৮,২৫৬ ১,৪২,৫৯০ ৬৫,৯৩,৬২৫
১০ স্পেন ৮৮,৩৪,৩৬৩ ৯১,৫৯৯ ৫৪,১৭,২২৬
১১ জার্মানি ৮৪,৭৫,৫৭৮ ১,১৭,১২২ ৭১,৭৮,০০০
১২ আর্জেন্টিনা ৭৫,৭৬,৩৩৫ ১,১৮,৮০৯ ৬৪,৯৪,২২৪
১৩ ইরান ৬২,৪১,৮৪৩ ১,৩২,১৭২ ৬০,৭৫,৭৩০
১৪ কলম্বিয়া ৫৬,৫৫,০২৬ ১,৩১,৬২৭ ৫৩,৫৩,২৭৬
১৫ মেক্সিকো ৪৫,৪৫,৬৮৩ ৩,০২,৩৯০ ৩৫,৮৩,৪৬৩
১৬ পোল্যান্ড ৪৪,৪৩,২১৭ ১,০৩,৬২৬ ৩৮,২৩,৪০৯
১৭ ইন্দোনেশিয়া ৪২,৮০,২৪৮ ১,৪৪,২০১ ৪১,২১,৯২৮
১৮ ইউক্রেন ৩৮,১৯,৫৩৮ ৯৮,৯৯৩ ৩৫,৭৬,২৬৮
১৯ নেদারল্যান্ডস ৩৭,৭৮,২৮৭ ২১,২০০ ২৯,৯৩,৬১৭
২০ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৫,৭২,৮৬০ ৯৩,৮৪৬ ৩৩,৯৪,৫২৭
২১ ফিলিপাইন ৩৩,৫৭,০৮৩ ৫৩,৩০৯ ৩০,১২,১৫৬
২২ কানাডা ২৮,৬৮,৮২২ ৩২,২২০ ২৫,৩৮,০৭৫
২৩ মালয়েশিয়া ২৮,২০,৯২৭ ৩১,৮৫৩ ২৭,৪৭,৪৫৭
২৪ পেরু ২৭,৮০,০৪৯ ২,০৩,৮৬৮ ১৭,২০,৬৬৫
২৫ চেক প্রজাতন্ত্র ২৭,০৫,৭৫৪ ৩৬,৯৯৭ ২৪,৫২,১২৭
২৬ বেলজিয়াম ২৬,৪২,৭৬১ ২৮,৭৫৯ ১৯,৮৮,৪২৮
২৭ থাইল্যান্ড ২৩,৬১,৭০২ ২২,০০৩ ২২,৫৬,৯৮২
২৮ ইরাক ২১,৪৪,৪২২ ২৪,২৭৭ ২০,৭৪,৭১৮
২৯ পর্তুগাল ২১,১৮,১২৫ ১৯,৪৯৬ ১৬,৭৫,৭৩৬
৩০ ভিয়েতনাম ২১,১০,৭৩৭ ৩৬,৪৪৩ ১৭,৯৭,১৮০
৩১ ইসরায়েল ২১,০৩,৯৪৫ ৮,৩৭০ ১৬,৮৩,১১৫
৩২ অস্ট্রেলিয়া ২০,৯০,৮১০ ২,৯৮৪ ৯,০৩,৯৯৩
৩৩ জাপান ২০,১৭,৫৩১ ১৮,৪৬৯ ১৭,৬৮,৫৬১
৩৪ রোমানিয়া ১৯,৮৩,৬৭০ ৫৯,৪৭৭ ১৮,১২,২৪২
৩৫ চিলি ১৯,৩৪,২০৪ ৩৯,৪৭৪ ১৭,৫৫,২৯৪
৩৬ সুইজারল্যান্ড ১৮,৭১,৩৪০ ১২,৬৭৫ ১২,০২,৬৪৮
৩৭ সুইডেন ১৭,৮৪,০০৫ ১৫,৬৩৯ ১২,৫৭,৬৮৭
৩৮ গ্রীস ১৭,৬২,৮৭০ ২২,৪৭৬ ১৪,৮৫,২৫০
৩৯ সার্বিয়া ১৫,১৮,০২৪ ১৩,২১১ ১২,৯২,৪৪০
৪০ অস্ট্রিয়া ১৫,০৩,৬৬৮ ১৩,৯৫৬ ১৩,২৮,৩৪০
৪১ হাঙ্গেরি ১৪,০১,৪৫৭ ৪০,৮২২ ১১,৯৩,২১০
৪২ পাকিস্তান ১৩,৫৩,৪৭৯ ২৯,০৬৫ ১২,৬৬,৪৭৯
৪৩ ডেনমার্ক ১২,৭০,৫৬৬ ৩,৫৭১ ৯,০৯,৭৯৫
৪৪ আয়ারল্যান্ড ১১,২৭,৯৫১ ৬,০৮৭ ৬,৬০,৫৭০
৪৫ জর্ডান ১১,২৩,৬৮৬ ১৩,০৪৩ ১০,৭০,৭১০
৪৬ কাজাখস্তান ১১,১৭,১৬০ ১৩,১১১ ৯,৮০,৮৪৪
৪৭ মরক্কো ১০,৭৮,০০২ ১৫,০৪৭ ৯,৯৬,০৪৭
৪৮ জর্জিয়া ১০,৩০,৭১০ ১৪,৬৩১ ৯,৫১,৪২৮
৪৯ কিউবা ১০,১১,৮১১ ৮,৩৫২ ৯,৮৬,০১২
৫০ স্লোভাকিয়া ৯,০৩,৮৩৩ ১৭,৫৭৭ ৮,৪০,২৮১
৫১ নেপাল ৮,৯৬,৫৮৪ ১১,৬৩৫ ৮,১৯,৫৭৫
৫২ বুলগেরিয়া ৮,৬০,৮৭৭ ৩২,৫১৮ ৬,৪০,৫৯৪
৫৩ ক্রোয়েশিয়া ৮,৫৯,২৬৪ ১৩,৩৩৫ ৭,৮৪,২৫৮
৫৪ লেবানন ৮,৪৭,৬২৪ ৯,৪৪৫ ৬,৮২,৯৭৭
৫৫ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৮,১৯,৮৬৬ ২,২০৭ ৭,৬৫,৯৮২
৫৬ তিউনিশিয়া ৮,১৭,০৫১ ২৫,৮৮১ ৭,১১,১২৩
৫৭ বলিভিয়া ৭,৯৫,০৮৭ ২০,৫০৪ ৬,২৪,০০০
৫৮ বেলারুশ ৭,২২,৯৩৯ ৫,৮৯৯ ৭,১৫,৭৫৬
৫৯ দক্ষিণ কোরিয়া ৭,১৯,২৬৯ ৬,৫০১ ৫,৯৪,০২৩
৬০ গুয়াতেমালা ৬,৬২,৮২৮ ১৬,২২৩ ৬,১৬,২৭৬
৬১ সৌদি আরব ৬,৪৩,২১১ ৮,৯১৬ ৫,৯০,১৪০
৬২ কোস্টারিকা ৬,৩৭,৩২৭ ৭,৪৪১ ৫,৬৭,৫৮১
৬৩ আজারবাইজান ৬,৩০,৪২০ ৮,৫৮১ ৬,১১,১৫৬
৬৪ ইকুয়েডর ৬,২৯,৫০৭ ৩৪,২৩২ ৪,৪৩,৮৮০
৬৫ পানামা ৬,১৪,৯৫৭ ৭,৫৬৫ ৫,২৯,৯৫৪
৬৬ শ্রীলংকা ৫,৯৯,৩৬৩ ১৫,২৫৫ ৫,৬৮,৮২৯
৬৭ লিথুনিয়া ৫,৯৫,৬৮৫ ৭,৭২৭ ৫,৩১,৮২২
৬৮ স্লোভেনিয়া ৫,৭৯,৪৮০ ৫,৭৪৩ ৪,৭৭,২৩১
৬৯ নরওয়ে ৫,৭১,৬৫৫ ১,৪১৩ ৮৮,৯৫২
৭০ উরুগুয়ে ৫,৫৬,১৬৩ ৬,২৭২ ৪,৭৯,৯১৫
৭১ মায়ানমার ৫,৩৩,৭৩২ ১৯,৩০৭ ৫,১১,৭৯৮
৭২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৫,২৪,৬৩৫ ৪,২৭৪ ৪,৮৪,৩৩৬
৭৩ প্যারাগুয়ে ৫,২৩,৩২৫ ১৬,৯১২ ৪,৫৮,০৭৮
৭৪ কুয়েত ৪,৮৪,১৫০ ২,৪৮২ ৪,৩৬,৮৩৮
৭৫ ভেনেজুয়েলা ৪,৬৩,১৪৫ ৫,৩৯৫ ৪,৪২,২১৭
৭৬ ইথিওপিয়া ৪,৬০,৬০২ ৭,২১২ ৩,৮০,৬৭৪
৭৭ ফিলিস্তিন ৪,৪৯,৬৩৮ ৪,৭৭৩ ৪,৩৬,৭৭৬
৭৮ ফিনল্যাণ্ড ৪,২৬,৮২৬ ১,৮১৫ ৪৬,০০০
৭৯ মঙ্গোলিয়া ৪,২০,৮৩৯ ২,০৯৩ ৩,১৩,২৫৬
৮০ মিসর ৪,০৫,৩৯৩ ২২,২৬০ ৩,৩৯,২৫৯
৮১ লিবিয়া ৪,০৩,১৪৪ ৫,৯০৭ ৩,৮৭,৫২৯
৮২ মলদোভা ৪,০০,৫৮৫ ১০,৪৮৮ ৩,৬৯,১৩৯
৮৩ হন্ডুরাস ৩,৮৭,৫১৫ ১০,৪৬৯ ১,২৭,০২৯
৮৪ আর্মেনিয়া ৩,৪৯,৯৫৭ ৮,০২৬ ৩,৩৩,৯৮২
৮৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩,২৯,৫৬৯ ১৩,৯৮৪ ১৫,৮১,১৬৪
৮৬ বাহরাইন ৩,২০,৬৮৮ ১,৩৯৮ ২,৯৩,২১২
৮৭ কেনিয়া ৩,১৯,৮৩৮ ৫,৫২৮ ২,৮৮,৪২৪
৮৮ লাটভিয়া ৩,১৯,০২৭ ৪,৭৭৩ ২,৭৮,৫২৪
৮৯ ওমান ৩,১৮,২৭২ ৪,১২৫ ৩,০৩,৬৪৪
৯০ কাতার ৩,১৭,২৭৭ ৬৩২ ২,৭৫,৮১৩
৯১ জাম্বিয়া ৩,০০,৫৮৭ ৩,৮৮৫ ২,৮৭,৬৪৬
৯২ সিঙ্গাপুর ২,৯৭,৫৪৯ ৮৪৫ ২,৮৭,০০৪
৯৩ এস্তোনিয়া ২,৮২,৯৭৭ ১,৯৯৯ ২,৪১,২৭৩
৯৪ নাইজেরিয়া ২,৫১,৬৯৪ ৩,১২৩ ২,২৫,৪৫৫
৯৫ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,৫০,৮৭৬ ৮,১৬৬ ২,২৩,৬০৬
৯৬ বতসোয়ানা ২,৪৩,৯৪৬ ২,৫৪৪ ২,৩৫,০৩০
৯৭ আলবেনিয়া ২,৪১,৫১২ ৩,২৮৬ ২,১৪,৬৩৩
৯৮ সাইপ্রাস ২,৩৫,৩৬৪ ৭০০ ১,২৪,৩৭০
৯৯ আলজেরিয়া ২,৩০,৪৭০ ৬,৪৫৩ ১,৫৬,৮৫৯
১০০ জিম্বাবুয়ে ২,২৭,৬৯৫ ৫,২৮০ ২,১১,৫৮২
১০১ মোজাম্বিক ২,২১,৪৩২ ২,১৪৬ ১,৯৬,৮৫০
১০২ মন্টিনিগ্রো ২,১০,৯৩১ ২,৫০৫ ১,৯৭,৮৮১
১০৩ উজবেকিস্তান ২,১০,৮৯৯ ১,৫৩২ ২,০১,২৪৬
১০৪ কিরগিজস্তান ১,৯৩,৮১৬ ২,৮৪৩ ১,৮১,৯৭৬
১০৫ আফগানিস্তান ১,৫৯,৫১৬ ৭,৩৯০ ১,৪৬,১৩৫
১০৬ উগান্ডা ১,৫৯,৪৫৪ ৩,৪৫৪ ৯৯,০১৬
১০৭ নামিবিয়া ১,৫৪,৮৯৭ ৩,৮৮৪ ১,৪৩,৫৬২
১০৮ ঘানা ১,৫৪,৮৯১ ১,৩৫৭ ১,৪৭,৩১০
১০৯ লুক্সেমবার্গ ১,৩৪,৭১৪ ৯৪১ ১,০৭,৪৫৫
১১০ রিইউনিয়ন ১,৩৩,৬১৭ ৪৬২ ৮৬,৬৬৯
১১১ লাওস ১,২৮,৯২৪ ৫১৮ ৭,৬৬০
১১২ রুয়ান্ডা ১,২৭,২২৭ ১,৪২২ ৪৫,৫২২
১১৩ এল সালভাদর ১,২৩,৫৭৭ ৩,৮৪৭ ১,১৬,৭৪২
১১৪ কম্বোডিয়া ১,২০,৯৫৬ ৩,০১৫ ১,১৭,১৮০
১১৫ জ্যামাইকা ১,১৬,৯৪৪ ২,৫৬১ ৬৭,৮৮০
১১৬ মালদ্বীপ ১,১০,৯৩১ ২৬৯ ১,০০,১১২
১১৭ ক্যামেরুন ১,০৯,৬৬৬ ১,৮৫৩ ১,০৬,০৫০
১১৮ চীন ১,০৫,৪৮৪ ৪,৬৩৬ ৯৭,৬৭৫
১১৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১,০৪,০০৫ ৩,২৫৬ ৮৩,৪০০
১২০ অ্যাঙ্গোলা ৯৫,২২০ ১,৮৮১ ৮৬,২৭৪
১২১ গুয়াদেলৌপ ৯৪,৭৬৫ ৭৬২ ২,২৫০
১২২ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৮৪,১৯৮ ১,২৭৮ ৫০,৯৩০
১২৩ সেনেগাল ৮৩,৮৫৫ ১,৯২১ ৭৭,১৪৮
১২৪ মালাউই ৮৩,৪০৩ ২,৫০২ ৬৬,৬৮৮
১২৫ আইভরি কোস্ট ৭৯,৫৫৮ ৭৬৪ ৭৬,০০৬
১২৬ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৭২,১১৮ ৩৫৭ ১১,২৫৪
১২৭ মার্টিনিক ৭১,১৯৩ ৮১৩ ১০৪
১২৮ সুরিনাম ৬৮,৫৬০ ১,২২৮ ৪৯,১৯০
১২৯ ইসওয়াতিনি ৬৮,০০৩ ১,৩৬৬ ৬৬,১০০
১৩০ মালটা ৬৫,৩১১ ৫২১ ৫৬,৪৩৭
১৩১ ফিজি ৬০,৯৩১ ৭৬৮ ৫৬,২৮১
১৩২ মৌরিতানিয়া ৫৬,৬৬৬ ৯১৬ ৪৬,১৫৬
১৩৩ মাদাগাস্কার ৫৫,৮২৭ ১,১৬৯ ৫০,৩৮১
১৩৪ কেপ ভার্দে ৫৪,৮৯১ ৩৮০ ৫২,৪০৬
১৩৫ গায়ানা ৫৪,৭৩৬ ১,১১১ ৪১,৬৬১
১৩৬ আইসল্যান্ড ৫৪,৫৭৯ ৪৪ ৪৩,৭৩২
১৩৭ সুদান ৫৩,৯৫৯ ৩,৩৯৩ ৪০,৩২৯
১৩৮ সিরিয়া ৫০,৮৬২ ২,৯৫৯ ৩৫,৪৬৮
১৩৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪৭,২৭৫ ৬৩৬ ৩৩,৫০০
১৪০ গ্যাবন ৪৫,৬৬৩ ২৯৯ ৪০,৩০৮
১৪১ বেলিজ ৪৪,৯৫৯ ৬১২ ৩৫,০৬৩
১৪২ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩৭,৯৫২ ১২৪ ৩৪,৯৩৪
১৪৩ বার্বাডোস ৩৭,৬২২ ২৭৩ ৩১,২৩৪
১৪৪ বুরুন্ডি ৩৬,৮৬৮ ৩৮ ৭৭৩
১৪৫ পাপুয়া নিউ গিনি ৩৬,৪৪৬ ৫৯৬ ৩৫,৭৯৮
১৪৬ টোগো ৩৬,১৭৬ ২৬৬ ৩০,০৬৩
১৪৭ গিনি ৩৫,৭১৯ ৪১০ ৩১,১৮৩
১৪৮ কিউরাসাও ৩৫,৩০৭ ২১০ ২৩,৩২৪
১৪৯ মায়োত্তে ৩৫,১৮৯ ১৮৬ ২,৯৬৪
১৫০ সিসিলি ৩৪,৩৬৭ ১৪৩ ২৮,৯৬৪
১৫১ তানজানিয়া ৩২,৩৯৩ ৭৫৩ ১৮৩
১৫২ এনডোরা ৩২,২০১ ১৪৪ ২৭,৪৫০
১৫৩ বাহামা ৩১,৯১৫ ৭২৬ ২৩,৪৭০
১৫৪ লেসোথো ৩১,৮৯৯ ৬৯০ ২০,৫৩০
১৫৫ আরুবা ৩১,৮৩৫ ১৮৭ ৩০,৪৯২
১৫৬ মালি ২৯,৩৫৯ ৭০৪ ২৫,০৪৬
১৫৭ হাইতি ২৮,১১৭ ৭৮০ ২৪,২১৭
১৫৮ বেনিন ২৬,৩০৯ ১৬৩ ২৫,৫০৬
১৫৯ মরিশাস ২৫,০৭৫ ৭৬২ ২৪,১৩৯
১৬০ সোমালিয়া ২৪,৩২২ ১,৩৩৫ ১৩,১৮২
১৬১ কঙ্গো ২৩,২৪৪ ৩৭১ ১৮,৯৯৩
১৬২ বুর্কিনা ফাঁসো ২০,৪৩৫ ৩৫৩ ১৯,৪১৯
১৬৩ পূর্ব তিমুর ১৯,৮৬৬ ১২২ ১৯,৭৩১
১৬৪ সেন্ট লুসিয়া ১৮,৭৪৬ ৩১৬ ১৪,৫০৪
১৬৫ তাইওয়ান ১৮,১০৯ ৮৫১ ১৬,১৯৯
১৬৬ নিকারাগুয়া ১৭,৬০৪ ২১৫ ৪,২২৫
১৬৭ তাজিকিস্তান ১৭,০৯৫ ১২৪ ১৬,৯৬৬
১৬৮ দক্ষিণ সুদান ১৬,৬২৭ ১৩৭ ১২,৯৩৪
১৬৯ ব্রুনাই ১৫,৯৮৬ ৯৮ ১৫,৫০৬
১৭০ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৫,৫৫৮ ১৭৯ ১৪,১৪১
১৭১ নিউজিল্যান্ড ১৫,৪০১ ৫২ ১৪,৩০০
১৭২ জিবুতি ১৫,২০০ ১৮৯ ১৪,৬২৪
১৭৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৫,১৯৫ ২৮২ ১২,৯৪৭
১৭৪ আইল অফ ম্যান ১৪,১২৬ ৭০ ১৩,৭৫৫
১৭৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১৩,৫০৯ ১০৯ ৬,৮৫৯
১৭৬ হংকং ১৩,১২০ ২১৩ ১২,৫১৪
১৭৭ ফারে আইল্যান্ড ১১,৯৪৮ ১৫ ৭,৬৯৩
১৭৮ কেম্যান আইল্যান্ড ১১,৬৬৬ ১৫ ৮,০৯৩
১৭৯ গাম্বিয়া ১১,৫৭২ ৩৪৭ ১০,১৫৬
১৮০ জিব্রাল্টার ১১,৫৫৭ ১০০ ১০,০১৪
১৮১ গ্রেনাডা ১০,৯৬০ ২০৫ ৮,০৪৭
১৮২ সান ম্যারিনো ১০,৬৩৯ ১০৩ ৮,৮৯৫
১৮৩ ইয়েমেন ১০,৪৮৫ ১,৯৯৫ ৭,০৫১
১৮৪ বারমুডা ৯,৭৬৬ ১১২ ৭,৭৬৮
১৮৫ গ্রীনল্যাণ্ড ৯,২৫৬ ২,৭৬১
১৮৬ ইরিত্রিয়া ৯,১৯২ ৯০ ৮,৬২৮
১৮৭ সেন্ট মার্টিন ৯,১৪৩ ৬০ ১,৩৯৯
১৮৮ সিন্ট মার্টেন ৮,৯৬৫ ৭৭ ৭,০১২
১৮৯ নাইজার ৮,৫০৩ ২৯৫ ৭,৫১১
১৯০ ডোমিনিকা ৮,৩৪৯ ৪৮ ৭,৫৬৯
১৯১ কমোরস ৭,৭৯৩ ১৫৯ ৭,৪৮০
১৯২ লিচেনস্টেইন ৭,৭৩১ ৭৩ ৭,২৩৮
১৯৩ সিয়েরা লিওন ৭,৫৬৭ ১২৫ ৪,৩৯৩
১৯৪ লাইবেরিয়া ৭,২০৮ ২৮৮ ৫,৭৪৭
১৯৫ গিনি বিসাউ ৭,২০২ ১৫৩ ৬,৩৭৪
১৯৬ মোনাকো ৭,১৬০ ৪৪ ৬,৫৯১
১৯৭ চাদ ৬,৮৮৭ ১৮৫ ৪,৮৭৪
১৯৮ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬,৬১৫ ৯০ ৫,৬৫২
১৯৯ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৫,৯৪৬ ২৭ ৬,৪৪৫
২০০ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৫,৭৪১ ১২১ ৪,৩৬৯
২০১ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫,৬০২ ৪৭ ২,৬৪৯
২০২ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৫,৪৪২ ৩২ ৪,৭২৩
২০৩ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৫,১৯০ ২৮ ৪,৩৯২
২০৪ ভুটান ৩,৪৫৮ ২,৬৫৪
২০৫ সেন্ট বারথেলিমি ৩,২৮২ ৪৬২
২০৬ এ্যাঙ্গুইলা ২,১৮৭ ১,৯৯৭
২০৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২০৮ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ৬৩০ ৪০৫
২০৯ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৫৪ ৪৩৮
২১০ পালাও ২০৮ ২৫
২১১ সলোমান আইল্যান্ড ১৬৯ ২০
২১২ মন্টসেরাট ১৫২ ১১২
২১৩ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৮৫ ৬৮
২১৪ ম্যাকাও ৭৯ ৭৯
২১৫ ভ্যাটিকান সিটি ২৯ ২৭
২১৬ সামোয়া ১৩
২১৭ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৮ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৯ মার্শাল আইল্যান্ড
২২০ ভানুয়াতু
২২১ সেন্ট হেলেনা
২২২ টাঙ্গা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]