পাহাড়ের ১৫ হাজার মানুষের কাছে আলো পৌঁছাল ‘দীপ্ত’

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:৫৮ পিএম, ১৬ মে ২০২১

দেশের পার্বত্য অঞ্চলে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে আলো পৌঁছে দিয়েছে ‘দীপ্ত’ প্রকল্প। গত এক দশক ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামে এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষের কাছে আলো পৌঁছে দিয়েছে প্রকল্পটি।

আজ (১৬ মে) আন্তর্জাতিক আলোক দিবস। পাহাড়ি জনপদের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দিতে ২০১১ সালের এই দিনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তি ব্যবহার কার্যক্রম শুরু করে ‘দীপ্ত’।

বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলার ২৫টি গ্রামে ২ হাজার ৫৯১টি সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন করা হয়। এই প্রকল্পের ফলে পাহাড়ি এসব গ্রামে এখন আর সন্ধ্যা হলেই অন্ধকার নেমে আসে না। ফলে কাজের সময়সীমা যেমন বেড়েছে, তেমনি এসেছে অর্থনৈতিক সচ্ছলতাও।

‘দীপ্ত’র এক দশক উপলক্ষে ‘সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউঅ্যাবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’র চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, নবায়নযোগ্য শক্তির উন্নয়ন এবং প্রসারে যারা কাজ করেন, সবাই আমাদের সহযাত্রী। নবায়নযোগ্য শক্তি খাতে কাজ করে ‘দীপ্ত’ ১০ বছর পূর্ণ করেছে এবং দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মানুষের মধ্যে বিদ্যুৎসেবা পৌঁছে দিয়েছে।

পার্বত্য অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনপদে সৌর বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ায় আন্তর্জাতিকভাবে সুনাম অর্জন করেছে এই প্রকল্পটি। কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১৮ সালে ‘দীপ্ত’ ‘এশিয়া রেসপন্সিবল এন্ট্রাপ্রেনারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে। এছাড়া, জাতিসংঘ প্রণীত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এসডিজি ৮ (ডিসেন্ট ওয়ার্ক অ্যান্ড ইকোনমিক গ্রোথ) ও ১৩ (ক্লাইমেট অ্যাকশন) অর্জনে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে ‘দীপ্ত’।

জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের ব্যবহার কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তি ব্যবহারের ওপর নির্ভরতা স্থাপন করে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছে ‘দীপ্ত’।

এমআরআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]