ভ্রাম্যমাণ খাদ্য বিক্রেতাদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে হবে

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:৩৮ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

নগরবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনায় নিয়ে ভ্রাম্যমাণ খাদ্য বিক্রেতাদের প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা ও তারা সঠিকভাবে খাদ্য বিক্রি করছে কি-না তা নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের সম্মিলিত উদ্যোগে আয়োজিত ভ্রাম্যমাণ খাদ্য বিক্রেতাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ন্যাশনাল প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর জয়নাল আবেদীন বলেন, আমরা ভ্রাম্যমাণ খাদ্য বিক্রেতাদের একটি ব্যবস্থাপনার মধ্যে নিয়ে আসতে কাজ করছি। ভ্রাম্যমাণ খাদ্য বিক্রেতাদের কোনো ডাটাবেস না থাকায় তাদের প্রশিক্ষণেরও আওতায় আনতে পারছি না। আমরা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সঙ্গে কাজ করছি, যাতে তাদের লাইসেন্সের আওতায় আনা যায়।

প্রশিক্ষণে বিশেষজ্ঞ হিসেবে বাংলাদেশ ফুড সেফটি অথরিটির সদস্য প্রফেসর ড. আবদুল আলীম নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে খাবার তৈরির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, খাবারে জীবাণুর সংক্রমণ হলে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়বে এবং আপনাদের কাছ থেকে কেউ খাবার কিনে খেতে চাইবে না। ফলে আপনাদের ব্যবসার ক্ষতি হবে। আপনাদের ছোট ব্যবসা হলেও দায়িত্ব অনেক।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার চিফ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার জন টেইলর ভ্রাম্যমাণ খাদ্য বিক্রেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার মানুষের কাছে খাবার বিক্রি করেন। আপনারা যখন পরিচ্ছন্ন উপায়ে খাবার রান্না ও বিক্রি করবেন তখন এলাকাবাসী নিরাপদ বোধ করবেন। আমরা শুধু ক্রেতা নয়, আপনাদেরও সুস্থতা চাই।

ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের সিনিয়র প্রকল্প কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় ভ্রাম্যমাণ খাবার বিক্রেতাদের প্রশিক্ষণ দেন সংস্থার প্রকল্প কর্মকর্তা নাঈমা আকতার। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাস্ক ও ময়লা ফেলার জন্য ঝুঁড়ি উপহার দেওয়া হয়।

এমইউ/এমএসএম/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]