৬ মাসে জ্বালানি তেল বিক্রিতে বিপিসির লোকসান ৮০১৪ কোটি টাকা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:১৮ পিএম, ০৬ আগস্ট ২০২২

গত ছয় মাসে (ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত) জ্বালানি তেল বিক্রি করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) ৮ হাজার ১৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর যৌক্তিকতা তুলে ধরে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) রাত ১২টার পর থেকে ডিজেল, পেট্রল, করোসিন ও অকটেনের দাম বাড়িয়েছে সরকার। দাম বেড়েছে প্রতি লিটার ডিজেলে ৩৪ টাকা, কেরোসিনে ৩৪ টাকা, অকটেনে ৪৬ টাকা, পেট্রলে ৪৪ টাকা। দাম বাড়ার পর প্রতি লিটার ডিজেল ১১৪ টাকা, কেরোসিন ১১৪ টাকা, অকটেন ১৩৫ টাকা ও পেট্রল ১৩০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

আগে ভোক্তা পর্যায়ে খুচরা মূল্য ছিল প্রতি লিটার ডিজেল ৮০ টাকা, কেরোসিন ৮০ টাকা, অকটেন ৮৯ টাকা ও পেট্রল ৮৬ টাকা।

jagonews24

জ্বালানি বিভাগ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন গত ছয় মাসে (ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত) জ্বালানি তেল বিক্রি করে (সব পণ্য) ৮ হাজার ১৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা লোকসান দিয়েছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক তেলের বাজার পরিস্থিতির কারণে বিপিসির আমদানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখায় যৌক্তিক মূল্য সমন্বয় অপরিহার্য হয়ে পড়ে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বগতির কারণে পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে নিয়মিত তেলের মূল্য সমন্বয় কর জানিয়ে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, ভারত গত ২২ মে থেকে কলকাতায় ডিজেলের মূল্য প্রতি লিটার ৯২ দশমিক ৭৬ রুপি এবং পেট্রল লিটারপ্রতি ১০৬ দশমিক ০৩ রুপি নির্ধারণ করেছে, যা এখন পর্যন্ত বিদ্যমান। এই মূল্য বাংলাদেশি টাকায় যথাক্রমে ১১৪ দশমিক ০৯ টাকা এবং ১৩০ দশমিক ৪২ টাকা (১ রুপি=গড় ১ দশমিক ২৩ টাকা)। অর্থাৎ বাংলাদেশে কলকাতার তুলনায় ডিজেলের মূল্য লিটারপ্রতি ৩৪ দশমিক ০৯ টাকা এবং পেট্রল লিটারপ্রতি ৪৪ দশমিক ৪২ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছিল। মূল্য কম থাকায় তেল পাচার হওয়ার আশঙ্কা থেকেও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া সময়ের দাবি।

আরএমএম/এসএইচএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]