শ্রম আদালতে মামলার জট নিরসনে কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:১০ পিএম, ১৪ আগস্ট ২০২২

শ্রম আদালতের জমে থাকা মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিকরণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ শ্রম আদালতের বিচারকদের অংশগ্রহণে রোববার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে প্রথমবারের মতো এ কর্মশালা হয়।

এতে অংশ নেওয়া বিচারকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, নিরুপায় হয়েই শ্রমিকরা শ্রম আদালতে মামলা করেন। অসহায় এসব শ্রমিকদের মামলা ফেলে রাখা যাবে না। শ্রমিকদের করা পাওনা আদায়ের মামলা দিনের পর দিন ডেট পড়লে শ্রমিকরা পেটের তাগিদে মামলার পেছনে আর হাঁটে না। ফলে শ্রমিকরা তার পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়। তখন ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় না।

প্রতিমন্ত্রী বিচারকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শ্রম আদালতের মামলা বিচার করতে গেলে শ্রম আইনের ওপর ভালো দখল রাখতে হবে। মামলার দীর্ঘসূত্রতা বিচারের অন্তরায়। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সমাজে সাম্যতা প্রতিষ্ঠায় কোনো বিকল্প নেই। মামলার শ্রেণি বিন্যাস করে যেসব মামলার তারিখ দেওয়ার প্রয়োজন নেই সেসব মামলা এক শুনানিতেই নিষ্পত্তি করে দেবেন। অসহায় শ্রমিকরা শ্রম আদালতে দ্রুত রায় পেলে শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ সহজ হবে।

কর্মশালায় জানানো হয় শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল এবং সারাদেশের ১০ শ্রম আদালতে ২৪ হাজার ৯০৯টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এরমধ্যে ঢাকার তিনটি আদালতেই মামলা বিচারাধীন রয়েছে ২১ হাজার ২০৯টি।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। শ্রম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. সেলিনা আকতারের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মাইনুল কবির, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার এবং আইএলও এর কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পোটিআইনেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. ফারুক।

আইএইচআর/এমআইএইচএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।