লেবানন গেলেন নৌবাহিনী প্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৪২ পিএম, ০২ অক্টোবর ২০২২
এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল/ছবি: আইএসপিআর

সরকারি সফরে লেবানন গেলেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল। রোববার (২ অক্টোবর) লেবাননের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি। সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (অপারেশন্স) এবং কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনী প্রধানকে বিদায় জানান।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আইএসপিআর জানায়, সফরকালে নৌবাহিনী প্রধান লেবাননের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মরিস স্লিম (অব.), সশস্ত্র বাহিনী প্রধান জেনারেল জোসেফ খালিল আউন, নৌবাহিনী প্রধান ক্যাপ্টেন হাইথাম ড্যানাউই এবং লেবাননে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আল মুস্তাহিদুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

পরে তিনি ইউনিফিল সদরদপ্তরে মেরিটাইম টাস্ক ফোর্সের কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল আন্দ্রেয়াস মুগে, মিশন প্রধান ও ফোর্স কমান্ডার মেজর জেনারেল আরল্ডো লাজারো সেঞ্জের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

সফরকারে এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘সংগ্রাম’ এর বিভিন্ন অপারেশনাল কর্মকাণ্ড পরিদর্শনের পাশাপাশি জাহাজে কর্মরত নৌসদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

সফর শেষে নৌবাহিনী প্রধানের আগামী ১২ অক্টোবর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ লেবাননে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করে আসছে। ভূমধ্যসাগরে মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম টাস্কফোর্সের সদস্য হিসেবে উপমহাদেশের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশি যুদ্ধজাহাজ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত রয়েছে।

বর্তমানে ব্যানকন-১২ এর অধীনে ১১০ জন নৌসদস্য বানৌজা ‘সংগ্রাম’ এ নিয়োজিত রয়েছেন। ওই জাহাজ লেবাননের ভূখণ্ডে অবৈধ অস্ত্র এবং গোলাবারুদ অনুপ্রবেশ প্রতিহত করতে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে চলেছে। পাশাপাশি এই জাহাজ লেবানিজ জলসীমায় মেরিটাইম ইন্টারডিকশন অপারেশন পরিচালনা, সন্দেহজনক জাহাজ ও এয়ারক্রাফটের ওপর নজরদারি, দুর্ঘটনাকবলিত জাহাজে উদ্ধার তৎপরতা এবং লেবানিজ নৌবাহিনী সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের কাজ করে যাচ্ছে।

লেবাননে মোতায়েনের পর থেকে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৬০ জন নৌসদস্য অত্যন্ত আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে অর্পিত দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। নৌবাহিনীর এই গর্বিত অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও সুনাম বৃদ্ধি করেছে।

টিটি/ইএ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।