স্বাধীনতা দিবসে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মসূচি
২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৬ মার্চ) রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বাণী সশস্ত্র বাহিনীতে প্রচার করা হবে। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রেজা-উল করিম শাম্মী।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্বাধীনতা দিবসের সূর্যোদয়ের সময় সেনাবাহিনী ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের অনুষ্ঠানমালার সূচনা হবে। দেশের অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি, অগ্রগতি এবং সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরোত্তর অগ্রগতি কামনা করে সশস্ত্র বাহিনীর সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হবে। দিবসটি সাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য হবে।
এছাড়াও সূর্যোদয়ের সময় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্পস্তবক অর্পণের পর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সুসজ্জিত একটি দল আন্তঃবাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করবে। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থাকবেন।
সশস্ত্র বাহিনীর সকল সদর দফতর, ইউনিট, ঘাঁটি এবং ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। ২৫ ও ২৬ শে মার্চ সন্ধ্যা হতে রাত ১টা পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহে সীমিত আলোকসজ্জা করা হবে। এছাড়াও, ঢাকার বাহিরে সেনানিবাস/ঘাঁটির প্রধান ফটক, ফরমেশন সদর দফতরের প্রধান ফটক, আশপাশের এলাকা এবং নৌবাহিনীর জাহাজসমূহে আলোকসজ্জা করা হবে।
সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর বাদকদল ঢাকা মহানগরে যথাক্রমে ক্রিসেন্ট লেক (সংসদ ভবন এলাকা), ফার্মগেটের পার্ক এলাকায় এবং মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বেলা ৩টা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত বাদ্য পরিবেশন করবে। নৌ বাহিনীর কয়েকটি জাহাজ সর্বসাধারণের পরিদর্শনের জন্য ঢাকা সদরঘাট, পাগলা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম, খুলনা ও মংলা বন্দর, বরিশাল এবং চাঁদপুর বিআইডবিউটিএ ঘাটে নৌবাহিনীর নির্ধারিত জাহাজ বেলা ২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত উন্মুক্ত রাখা হবে।
এ বিশেষ দিনে সশস্ত্র বাহিনীর সদর দফতর/ইউনিট/ঘাঁটি/জাহাজের সৈনিক মেসগুলোতে প্রীতিভোজের ব্যবস্থা থাকবে। সামরিক হাসপাতালগুলোতে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। স্বাধীনতা দিবসে সেনানিবাস এলাকার প্রেক্ষাগৃহসমূহে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র বিনামূল্যে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।
এআর/আরএস