এখনো দৃশ্যমান নয় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা


প্রকাশিত: ০৪:৩১ পিএম, ০৩ এপ্রিল ২০১৬

দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই যুক্তরাজ্যভিত্তিক কোম্পানি রেডলাইন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু করলেও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন আসেনি। ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রায় ২৩ জন কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে এবং আরো ৩০ জনকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২১ মার্চ থেকে ব্রিটিশ কোম্পানি রেডলাইন অ্যাভিয়েশন দায়িত্ব নিলেও এখনও নিরাপত্তা ঘাটতি রয়ে গেছে।

শনিবার সরেজমিনে শাহজালাল বিমানবন্দরের বিভিন্ন দিক ও বিভাগ ঘুরে দেখা গেছে, এখনো সার্বিক কার্যক্রম চলছে অনেকটা আগের আদলে। পদে পদে নিরাপত্তা ঘাটতি চোখে পড়ার মতো। মূলত প্রচার প্রচারণা বা মাইকিং ছাড়া কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি চোখে পড়েনি।
 
এবিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এর নব নিযুক্ত চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এহসানুল গণি চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, সিভিল অ্যাভিয়েশনের টেকনিক্যাল জনবলকে এখন ট্রেনিং দিচ্ছে রেডলাইন। এখনও আমাদের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়ার কাজটি করে যাচ্ছে তারা। রেডলাইনের ২৯ জন কর্মী প্রশিক্ষণ শেষে দায়িত্ব পালনও শুরু করেছেন।

তিনি আরো বলেন, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত নিরাপত্তাকর্মীরা ইতোমধ্যে বিমানবন্দরের দেখভাল শুরু করেছেন। কিছুদিন গেলে দৃশ্যমান অগ্রগতি বুঝা যাবে।  আস্তে আস্তে ফল আসবে। রাতারাতি আমুল পরিবর্তন আশা করা ঠিক না।

এদিকে বিমানবন্দরের দুই ক্যানপির গেটে অসংখ্য মানুষের ভিড় লেগে থাকতে দেখা যায়। গেটে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন ৫-৬ জন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন সদস্য। জটলা হলে আর্মড পুলিশের সদস্যরা বাঁশি বাজিয়ে তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন। একই অবস্থা দ্বিতীয় তলার বহির্গমন ক্যানপিতেও চোখে পড়ে।
 
উল্লেখ্য, বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানের না থাকার অভিযোগে যুক্তরাজ্যে সরাসরি পণ্য পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পরে যাত্রীবাহি ফ্লাইটও বন্ধের হুমকি দেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি দিয়ে ৩১শে মার্চের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার আল্টিমেটাম দেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী। তারপর বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের টনক নড়ে।

আরএম/এসকেডি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।