এলপিজির অস্থির বাজার ও ভোক্তা অধিকার

ড. হারুন রশীদ
ড. হারুন রশীদ ড. হারুন রশীদ , ডেপুটি এডিটর (জাগো নিউজ)
প্রকাশিত: ১১:১৭ এএম, ২০ জানুয়ারি ২০২৬

রান্নাঘরের উনুনের আগুন নিভে যাওয়া মানেই মধ্যবিত্তের হৃৎস্পন্দন এক মুহূর্তের জন্য থমকে যাওয়া। আজিমপুরের গৃহিণী রেহেনা আক্তারের মতো হাজারো মানুষের কাছে সিলিন্ডার শেষ হওয়া এখন এক দুঃস্বপ্ন। এই দুঃস্বপ্ন কেবল গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়া নিয়ে নয়, বরং বাজারের সেই নিষ্ঠুর বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া নিয়ে, যেখানে সরকারের নির্ধারিত মূল্য আর সিন্ডিকেটের মর্জির মধ্যে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। একদিকে সরবরাহ নেই বলে কৃত্রিম সংকট, অন্যদিকে দ্বিগুণ দামে পণ্য বিক্রি—এই দ্বিমুখী যাতাকলে পিষ্ট জনজীবন আজ বিপর্যস্ত। প্রশ্ন উঠেছে, এই অস্থিরতা কি কেবলই বিশ্ববাজারের প্রভাব, নাকি এর পেছনে কাজ করছে দেশীয় কোনো শক্তিশালী সিন্ডিকেট?

বর্তমানে দেশের বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের দামে এক নজিরবিহীন অরাজকতা চলছে। যেখানে সরকার কর্তৃক ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ হাজার ৩০৬ টাকা, সেখানে রাজধানীর খুচরা পর্যায়ে তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। ধানমন্ডির মতো এলাকায় এই দাম ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত ঠেকছে। অর্থাৎ, প্রতিটি সিলিন্ডারে ভোক্তাদের পকেট থেকে সরকার নির্ধারিত দামের প্রায় 'দ্বিগুণ' বা ১ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই ভয়াবহ মূল্যবৃদ্ধি মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের ওপর এক প্রকার ‘নীরব ডাকাতি’ ছাড়া আর কিছুই নয়। সরকারি রেটের কথা তুললে অনেক সময় বিক্রেতারা সিলিন্ডার বিক্রি করতেই অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন, যা বাজার তদারকি ব্যবস্থার চরম ব্যর্থতাকে ফুটিয়ে তোলে।

অতিরিক্ত দাম আদায়ের পাশাপাশি বিক্রেতারা এখন এক বিপজ্জনক কৌশল অবলম্বন করছেন—তাহলো রসিদ দিতে অস্বীকৃতি জানানো। বাড়তি দামে সিলিন্ডার কিনলেও ক্রেতারা কোনো লিখিত প্রমাণ পাচ্ছেন না। এর কারণ স্পষ্ট; রসিদ মানেই অবৈধভাবে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অকাট্য প্রমাণ রেখে দেওয়া। এই ‘আইনহীন’ লেনদেন মূলত একজন সাধারণ ভোক্তাকে তার আইনি প্রতিকার চাওয়ার পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দিচ্ছে। রসিদ না থাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বা অন্য কোনো সংস্থায় অভিযোগ করার ন্যূনতম সুযোগটুকুও থাকছে না।

ধানমন্ডির বাসিন্দা মোবারক হোসেনের অভিজ্ঞতা এই পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে: “গতকাল ২ হাজার ৬০০ টাকা দিয়ে সিলিন্ডার (১২ কেজির) কিনেছি। দোকানদারের কাছে রসিদ চাইলাম, দিলো না। এখন রসিদ চাইলে সিলিন্ডার পাওয়া যায় না।” সূত্র : (জাগো নিউজ)।

এলপিজির অস্থির বাজার ও ভোক্তা অধিকার

গৃহিণী রেহেনা আক্তারও একই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে। আবার রসিদও দেয় না, অভিযোগ করবো কীভাবে?” এটি কেবল ব্যবসায়িক নীতিহীনতা নয়, বরং সুপরিকল্পিতভাবে ভোক্তাকে নিরুপায় করে রাখার একটি অপকৌশল।

বাজারের এই বিশৃঙ্খলার পেছনে খুচরা বিক্রেতারা আঙুল তুলছেন পাইকারি সরবরাহকারী বা ‘মহাজনদের’ দিকে। রাজধানীর হাতিরপুলের খুচরা বিক্রেতা রমজান গণমাধ্যমকে জানান, তারা পাইকারি পর্যায়েই সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে সিলিন্ডার কিনছেন। ফলে নির্ধারিত দামে বিক্রি করা তাদের পক্ষে অসম্ভব। আবার ঢাকার অদূরে টঙ্গীর সিলিন্ডার ব্যবসায়ী মিঠু জানান, তার দোকান এখন ‘একেবারেই খালি’। সরবরাহ না থাকায় তিনি ক্রেতাদের ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এই যে ‘দোকান একেবারেই খালি’ থাকার চিত্র—এটি মূলত একটি গভীর সাপ্লাই চেইন সংকটের লক্ষণ, যা কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

এই ভয়াবহ সংকট এবং বাজারে বেসরকারি খাতের একক আধিপত্য বা মনোপলি ভাঙতে সরকার অবশেষে একটি বড় নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) এখন থেকে সরকার থেকে সরকার (জি-টু-জি) ভিত্তিতে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত দাম আদায়ের পাশাপাশি বিক্রেতারা এখন এক বিপজ্জনক কৌশল অবলম্বন করছেন—তাহলো রসিদ দিতে অস্বীকৃতি জানানো। বাড়তি দামে সিলিন্ডার কিনলেও ক্রেতারা কোনো লিখিত প্রমাণ পাচ্ছেন না। এর কারণ স্পষ্ট; রসিদ মানেই অবৈধভাবে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অকাট্য প্রমাণ রেখে দেওয়া। বাংলাদেশে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী কোনো পণ্যের গায়ে লেখা বা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দাম নেওয়া একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। ভোক্তারা এই আইনের আওতায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করতে পারেন।

বিগত ১০ জানুয়ারি বিপিসি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগে চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছিল যে, এলপিজি বাজার পুরোপুরি বেসরকারি খাতনির্ভর হওয়ায় সংকটের সময় সরকারিভাবে বাজারে হস্তক্ষেপের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। এই ‘সীমাবদ্ধতা’ বা অসহায়ত্বই সিন্ডিকেটকে লাগামহীন হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। বিপিসি’র এই নতুন ভূমিকা বাজারে একটি ভারসাম্য তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি কেবল একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং বেসরকারি খাতের ওপর থেকে রাষ্ট্রের ‘বিপজ্জনক’ নির্ভরশীলতা কমানোর একটি কৌশলগত লড়াই।

এলপিজি সিলিন্ডারের বর্তমান পরিস্থিতি বাজার তদারকি এবং প্রশাসনিক কঠোরতার অভাবের এক নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। একদিকে পাইকারি পর্যায়ে অদৃশ্য সিন্ডিকেটের কারসাজি, অন্যদিকে খুচরা পর্যায়ে রসিদবিহীন বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রমাণের বিলোপ—সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষ এক গোলকধাঁধায় আটকা পড়েছে। বিপিসি এলপিজি আমদানি শুরু করলে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে ঠিকই, কিন্তু বড় প্রশ্নটি থেকেই যায়: এই সরকারি উদ্যোগের সুফল কি সত্যিই সাধারণ মানুষের রান্নাঘর পর্যন্ত পৌঁছাবে, নাকি এটি কেবল আরেকটি আমলাতান্ত্রিক ঘোষণা হিসেবেই থেকে যাবে? সাধারণ মানুষকে আর কতদিন এই ‘সিন্ডিকেট-রাজ’-এর মাশুল গুনে পকেট খালি করতে হবে?

বর্তমানে এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকট এবং সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ মূল্যে বিক্রির পেছনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ কাজ করছে। বর্তমানের এলপিজি বাজার পুরোপুরি বেসরকারি খাতনির্ভর। এর ফলে বাজারে কোনো সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিলে বা কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হলে সরকারের হাতে তা মোকাবিলার জন্য কার্যকর কোনো ব্যবস্থা থাকে না। এই একক নির্ভরশীলতার কারণেই বেসরকারি কোম্পানিগুলোর ওপর বাজারের নিয়ন্ত্রণ চলে যায়।

পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই সিলিন্ডারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দোকানদাররা সরবরাহ না থাকার কথা বলে ক্রেতাদের ফিরিয়ে দিচ্ছেন, যার ফলে বাজারে একটি কৃত্রিম সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

খুচরা বিক্রেতাদের দাবি অনুযায়ী, তারা নিজেরাই পাইকারি পর্যায়ে অনেক বেশি দামে সিলিন্ডার কিনছেন। পাইকারি বাজারে বাড়তি দাম হওয়ায় খুচরা পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত ১৩০৬ টাকার সিলিন্ডার ২,৩০০ থেকে ২,৫০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।

অতিরিক্ত মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে বিক্রেতারা অবৈধভাবে দাম বাড়ালেও এর কোনো প্রমাণ রাখছেন না। খুচরা বিক্রেতারা অতিরিক্ত দাম নিলেও রসিদ দিতে অস্বীকৃতি জানান, কারণ রসিদ দিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থেকে যাবে। ফলে ভোক্তারা চাইলেও যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করতে পারছেন না।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরকারিভাবে বাজারে হস্তক্ষেপ করতে না পারার কারণে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। বেসরকারি আমদানিকারকদের বাইরে সরকারিভাবে এলপিজি আমদানির সুযোগ না থাকায় বাজারে নিয়ন্ত্রণ আনা সম্ভব হচ্ছিল না। তবে বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার সম্প্রতি বিপিসি-কে সরাসরি এলপিজি আমদানির অনুমতি দিয়েছে। সার্বিকভাবে, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সিন্ডিকেট, সরবরাহে ঘাটতি এবং বেসরকারি খাতের একচেটিয়া প্রভাবই এই সংকটের মূল কারণ।

রসিদ ছাড়া সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে বর্তমানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এলপিজি বাজার বর্তমানে পুরোপুরি বেসরকারি আমদানিকারকদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় সরকার বাজারে কার্যকর হস্তক্ষেপ করতে পারছিল না। এই একচেটিয়া আধিপত্য ও কৃত্রিম সংকট মোকাবিলায় সরকার একটি বড় আইনি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) সরকারিভাবে (জি-টু-জি ভিত্তিতে) এলপিজি আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি বাজারে সরকারি হস্তক্ষেপের একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে।

অতিরিক্ত দাম নেওয়া একটি অবৈধ কাজ, যার কারণে খুচরা বিক্রেতারা কোনো রসিদ দিতে চান না। ক্রেতারা যদি রসিদ সংগ্রহ করতে পারেন, তবে তা অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অকাট্য প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। রসিদ না থাকায় অনেক ভোক্তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করতে পারছেন না, যা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পথে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বেসরকারি আমদানিকারকদের বাইরে সরকারিভাবে এলপিজি বাজারে আসলে সরবরাহ ঘাটতি দূর হবে এবং এর ফলে সিন্ডিকেট বা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দাম নেওয়া বন্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী কোনো পণ্যের গায়ে লেখা বা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দাম নেওয়া একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। ভোক্তারা এই আইনের আওতায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করতে পারেন।

সার্বিকভাবে, সরকার এখন ব্যক্তিগত খাতের ওপর একক নির্ভরতা কমিয়ে সরকারি আমদানির মাধ্যমে বাজারে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে।

খুচরা বিক্রেতাদের তথ্য অনুযায়ী, তারা পাইকারি পর্যায়েই সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এর ফলে পাইকারি বাজারের বাড়তি দামের প্রভাব সরাসরি খুচরা বাজারে পড়ছে এবং সাধারণ ক্রেতাদের নির্ধারিত মূল্যের দ্বিগুণ দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে।

বর্তমানে দেশের এলপিজি বাজার পুরোপুরি বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল। বিপিসি-র তথ্য অনুযায়ী, বেসরকারি খাতনির্ভর হওয়ায় পাইকারি ও সরবরাহ পর্যায়ে যখন কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয় বা সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়, তখন সরকারের হাতে তা নিয়ন্ত্রণের কোনো কার্যকর হাতিয়ার থাকে না।

সরকারি হস্তক্ষেপের সুযোগ সীমিত হওয়ায় পাইকারি পর্যায়ে সরবরাহকারীরা কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ পায়, যা পুরো সরবরাহ ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করে তোলে।

এই সংকট কাটাতে এবং পাইকারি ও সরবরাহ চেইন নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্দেশ্যেই সরকার এখন বিপিসি-কে সরাসরি (জি-টু-জি ভিত্তিতে) এলপিজি আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে, যাতে বেসরকারি খাতের একচেটিয়া প্রভাব কমানো যায়। এখন দেখা যাক বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে কত সময় লাগে।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট, ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ। 
[email protected]

এইচআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।