গণমাধ্যমে ফণীর ঝড়

তানভীর আহমেদ
তানভীর আহমেদ তানভীর আহমেদ , লন্ডন প্রবাসী সাংবাদিক
প্রকাশিত: ১০:২৩ এএম, ০৯ মে ২০১৯

ঘূর্ণিঝড় ফণী নিয়ে যে ক্ষতির ঝুঁকি সেই ঝুঁকি কেটেছে। এখন চলছে ফণী-পরবর্তী পুনর্বাসন প্রক্রিয়া। কিন্তু যে সংবাদকর্মীরা ফণীর খবর সংগ্রহ করতে গেছেন তাদের জীবনের ঝড় যেন শেষ হয় না।

সম্প্রতি বাংলাদেশের চ্যানেল নাইন ও দেশ টিভির সংবাদ কর্মী ছাঁটাই ও বার্তা বিভাগ বন্ধের ঘোষণা ফণীর ঝড়ের চেয়েও কম কি! লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে ঘূর্ণিঝড় থামলেও গণমাধ্যমের ঝড় যেন থামছেই না। মালিকের লাভ না হলে তিনি তার কর্মচারী পুষবেন না ব্যবসায়ের এটি একটি সহজ সমীকরণ। আবার কর্মী ছাঁটাই বা চাকরিচ্যুতি যথাযথ নিয়মে না হলে কর্মীদেরও নিশ্চয়ই বকেয়া বেতন বা ভর্তুকি চাইবার অধিকার রয়েছে। কিন্তু এই সংকট কী শুধুই মালিকের লাভ ক্ষতি হিসেবের ফলাফল? একটু খতিয়ে দেখতে চাই।

প্রতিদিন সংবাদ সংগ্রহের জন্য একজন সাংবাদিক অফিসে এসে একখানা অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে বের হন সংবাদের খোঁজে। সংবাদ সংগ্রহে তার গন্তব্য হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সচিবালয়, মন্ত্রী বা জনপ্রতিনিধিরা যদি কোন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হয়ে যান সেই ইভেন্টের সংবাদ সংগ্রহ করা বা কোন একটি ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের শাখা উদ্বোধন, নতুন পণ্যের লঞ্চিং বা সেমিনার সিম্পোজিয়াম।

আদতে অধিকাংশ সংবাদ সংগ্রহের অনুরোধ আসে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা রাজনৈতিক নেতাদের পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে। বার্তা বিভাগ সেই অনুরোধ বিবেচনায় সংবাদের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন ব্যক্তিকে। আমন্ত্রণদাতা যদি মন্ত্রী বা প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা হয়ে থাকেন, তাহলে সেই সংবাদের গুরত্ব স্বাভাবিকভাবেই বেশী থাকে। দ্বিতীয় পছন্দের তালিকায় থাকে প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনদাতারা। তৃতীয় তালিকায় থাকে, সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের বিনিয়োগকারী যদি কোন সভা বা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন সেই ইভেন্টের সংবাদ সংগ্রহ করা।

এধরনের সংবাদ আসলে ১৬ কোটি জনগণের জন্য কতটুকু প্রয়োজনীয় সেই হিসেব দর্শকরা ইদানিং কষছেন। এই সংবাদ দর্শকরা এতোদিন গিলেছেন কারণ তাদের কোন উপায় ছিল না। জনগণের কাছে এখন সংবাদের বহু মাধ্যম রয়েছে তাদের হাতের নাগালেই। এখন রিয়েল টাইম সংবাদের যুগ, তাই কোন ব্যাংকের বড় কর্মকর্তা কোন এলাকার ব্যাংক উদ্বোধন করতে গিয়ে ফিতা কাটলেন এই সংবাদ হয়তো সকলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নাও হতে পারে।

আবার কোন একজন রাজনৈতিক নেতা তার এলাকার কোন স্কুলে হাডুডু প্রতিযোগিতায় মেডেল দিলেন, সেই সংবাদ যখন স্কুল কর্তৃপক্ষ ফেসবুক লাইভে দিয়ে দেয় তখন স্থানীয় প্রতিবেদকের আর আয়োজন করে বাৎসরিক পুরস্কার বিতরণের সংবাদটি ঢাকায় পাঠানোর প্রয়োজন নাই।

এছাড়াও সড়ক দূর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড, হত্যাকাণ্ড বা রাজনৈতিক সহিংসতার সংবাদ সংগ্রহের জন্য এখন আর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে পাস করা চার বছরের গ্র্যাজুয়েটের প্রয়োজন নেই সম্ভবত। কোন অগ্নিকাণ্ড ঘটলে গণমাধ্যম ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই নাগরিক সাংবাদিকের তোলা ফেসবুক লাইভে সংবাদ ভাইরাল হচ্ছে।

দুই বছর আগে গণমাধ্যম নিয়ে যখন একটি কলাম লিখেছিলাম, তখন আওয়ামী লীগের প্রচার সেল থেকে এভাবে প্রধানমন্ত্রীর লাইভ সংবাদ প্রচার হতো না। এখন রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের নেতাদের খবর লাইভ প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছে, সাংবাদিকরা সেই সংবাদ সম্মেলনে গিয়ে প্রশ্ন করছেন বটে কিন্তু তাদের করা প্রশ্নের উত্তর টেলিভিশনের প্রচারের আগেই প্রচার হয়ে যাচ্ছে রাজনৈতিক দলের ওয়েবসাইটে! তাহলে অফিসে ফিরে সেই সাংবাদিক আর কী প্রচার করবেন? তাকে নিশ্চয়ই আরেকটু বিশদভাবে ভাবতে হবে দর্শকদের আকর্ষণের!

বাকি রইলো সাংবাদিকদের বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে সংবাদ প্রচার। কিছুদিন পর পর উড়োজাহাজ ভর্তি করে একদল সাংবাদিক রাষ্ট্রপ্রধানদের সাথে সফরসঙ্গী হন, ফেসবুকে ছবি দেওয়া ছাড়া তারা আসলে আর কী সংবাদ নিয়ে আসেন? বিদেশে কাজ করছি ১৫ বছর, তাই বিদেশে সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জগুলো মাথায় রেখেই এই বিষয়টা একটু আলোচনা করতে চাই।

মূলত একটি টেলিভিশন চ্যানেল বা সংবাদপত্র যে অর্থ খরচ করে সাংবাদিকদের বিদেশে পাঠায় সেই ট্যুর গুলোতে আমি সংবাদের চেয়ে সাংবাদিকের অভিজ্ঞতাকেই বড় অর্জন মনে করি। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সংবাদ সংগ্রহের জন্য এখন আর যুক্তরাষ্ট্রে যেতে হয় না। ইউএন তার নিজস্ব ওয়েবসাইটে লাইভ ভাষণ প্রচার করে দেয়, চাইলেই ঢাকায় বসে যে কোন টেলিভিশন সেই সংবাদ লাইভ প্রচার করতে পারবে।

আর প্রধানমন্ত্রী যে দু'একটা আনঅফিসিয়াল/ অফিসিয়াল বৈঠক বা সংবর্ধনায় অংশ নেন সেই সংবাদ তো বিটিভি বা আওয়ামী লীগের প্রচার বিভাগ থেকে ভিডিও সরবরাহ করলেই টেলিভিশনের খরচ বাঁচে। তাহলে এতো পয়সা খরচ করে কেন বিদেশ যাত্রা? যদি বুঝতাম যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কোন সাংবাদিক মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎকার নিয়ে এসেছেন সেখানে বাংলাদেশ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথা রয়েছে তখন না হয় নতুন একটি আগ্রহ তৈরি হয় সেই সংবাদ নিয়ে। কিন্তু সেই ট্যুর গুলো থেকেও আমরা গতানুগতিক সংবাদের বাইরে তেমন কিছু দেখি না। বাঙালি পাড়ায় ঘুরে দুই চারজন অভিবাসী সাক্ষাৎকার আর কিছু পর্যটন অঞ্চল নির্ভরই থাকে বিদেশ ভ্রমণের সংবাদ গুলো।

গণমাধ্যমের কাজ শুধু সংবাদ বা তথ্য প্রচার করা নয়, সেই তথ্যকে যাচাই বাছাই করে সত্য তথ্যটিকেই তুলে ধরতে হবে। কিন্তু গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে লাইভ সংবাদ প্রচারের নামে যা হচ্ছে এতে করে টেলিভিশন চ্যানেল গুলোর মান দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে। যেখানেই মানুষের জটলা আর সহিংসতা সেখানেই লাইভ, একজন গণমাধ্যম কর্মীর সংবাদ সংগ্রহের সময়টাও তিনি পাননা, তাকে প্রতি ঘণ্টায় লাইভে দেখা যাচ্ছে।

একজন সাংবাদিকের তথ্য সংগ্রহ করতে হলে তাকে দুই চার পাঁচটা ফোন করতে হবে, কিছু মানুষের সাথে কথা বলতে হবে, তথ্য যাচাই করতে হবে, স্ক্রিপ্ট লিখতে হবে, এই সবের কোন বাছ-বিচার নাই, ঘণ্টায় ঘণ্টায় লাইভ! ফলাফল যা হবার তাই হচ্ছে।

প্রয়াত আবদুর রাজ্জাক এমপি, সাবেক মেয়র আনিসুল হকসহ এমন বহু মানুষের মৃত্যু সংবাদ জাতি পেয়েছে তাদের মৃত্যুর আগে। এই অহেতুক প্রতিযোগিতাও গণমাধ্যমের গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করছে। গণমাধ্যমের সাথে ফেসবুকের প্রতিযোগিতাটাও বেশ দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।

তাহলে সাংবাদিকরা আসলে করবে টা কি? সবই যদি ফেসবুকে আর ইউটিউবে চলে আসে তাহলে সাংবাদিকতা পেশাই কী হুমকির মুখে পড়তে যাচ্ছে না? উত্তর হ্যাঁ আবার না, দু'টোই। যে সাংবাদিক আধুনিক প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে দক্ষ করে তুলবে না তাকে চাকরি হারাতে হবে, এটি রূঢ় বাস্তবতা। যিনি নিজের দক্ষতা বাড়াবেন, পাঠক ও দর্শকের প্রয়োজনটা বুঝবেন তিনিই টিকে থাকেবন। হোক সেটি প্রচলিত পদ্ধতিতে কিংবা আধুনিক ডিজিটাল মাধ্যমে।

২৪ ঘন্টার রাজনীতি নির্ভর লাইভ সংবাদ তরুণদের টেলিভিশন মুখী করবে না যখন তাদের হাতে রয়েছে স্মার্ট ফোন। এমনকি তরুণরা স্মার্টফোনেও টিভি দেখছে না, কারণ টেলিভিশনগুলো তরুণদের পছন্দ অনুযায়ী কসটেন্ট তৈরি করতে পারছে না। বিভিন্ন বয়স ও পেশার উপযোগী করে কন্টেন্ট নির্মাণের জন্য দক্ষ জনশক্তি নেই আমাদের গণমাধ্যমের, অল্প বিস্তর কিছু মেধাবী থাকলেও তারা তাদের সৃজনশীলতা প্রকাশের পর্যাপ্ত পরিবেশ পাচ্ছে না।

লেখার শুরুতেই বলছিলাম গণমাধ্যমে ফণীর ঝড়ের কথা। তো এইসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সামনের দিনগুলোতে যারা টেলিভিশন বা সংবাদ মাধ্যমকে টিকিয়ে রাখবে তাদের বেতন যদি শুরু হয় ১০ হাজার দিয়ে তাহলে বার্তা বিভাগ বন্ধ করে আলু-পটল ব্যবসায় নামাই উত্তম। মেধাবীরা এখন আর তাদের মেধাকে অবমূল্যায়ন করে সময় নষ্ট করতে চায় না, যখন তাদের সামনে রয়েছে ফেসবুক বা ইউটিউবের মত মুক্ত মাধ্যম।

অবশ্যই সাংবাদিকতার মত মহান পেশায় লোভ নাই, কম উপার্জন হবে তবে তাই বলে রাজধানী ঢাকায় একটি জাতীয় গণমাধ্যমে কাজ করতে এসে তাকে যদি ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায় কাজ শুরু করতে হয় আর বেতন যখন ৫০ হাজার পেরিয়ে যায় তখন তার চাকরি হারানোর ভয়, বেতন যখন ১ লাখের উপরে উঠে তখন তিনি আদতে কবে বেকার হবেন সেই হিসেব কষে সংবাদ প্রচার করতে হয়, সেটি দুঃখজনক।

সাংবাদিকতায় আসবার কথা ছিলো অপেক্ষাকৃত মেধাবী ছেলেমেয়েদের। কিন্তু গত দুই দশকে বাংলাদেশে সৃজনশীল ছেলে-মেয়েরা সাংবাদিকতায় পড়ার আগ্রহ হারিয়েছে। গত এক যুগ আগে যে হারে ছেলেমেয়েরা আমার কাছে ইংল্যান্ডে গণমাধ্যম নিয়ে পড়তে আসতে চাইতো এখন সেই তুলনায় তরুণরা আর এই বিষয়ে পড়তে আসতে চায় না। তারা বুঝে গেছে এই সেক্টরে দেওয়া-নেওয়ার সুযোগ কমেছে। বর্তমানে যারা এই পেশায় রয়েছেন তারাও নিজদের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নিরুৎসাহিত করছেন তরুণদের।

ঢাকায় একজন রিক্সা শ্রমিকের কিংবা উবার ড্রাইভারের বেতন যদি হয় সাংবাদিকের চেয়ে বেশি তাও আবার বেতন থাকে তিন/ছয় মাসের বকেয়া তখন পেশাগত দায়িত্বপালন সম্ভব হয় না। কোন রকমে টিকে থেকে মাস শেষে বেতন নেওয়ার নাম সাংবাদিকতা নয়। তরুণরা এখন আর সাংবাদিক হতে চায় না, সে ইউটিউবার হতে চায়। টেলিভিশনের জন্য এখন আর নির্মাতারা নাটক বানাতে চান না, তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নাটক ছেড়েই তাদের পয়সা উঠিয়ে নিচ্ছেন।

বহু সিটিজেন জার্নালিস্ট মূলধারার সাংবাদিকের চেয়ে ভালো জ্ঞান রাখেন, প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে স্কিল্ড। বাংলাদেশী বহু ইউটিউবার রয়েছেন যাদের লক্ষ লক্ষ ফলোয়ার, দর্শকরা তাদের নির্মান দেখছেন। তাদের ফলো করছেন। তাহলে টেলিভিশন কেন সেই তরুণদের টানতে পারছে না সেই বিষয় নিয়ে নিশ্চয়ই আলোচনার সময় ফুরিয়ে যায়নি।

তবে গণমাধ্যমকে টিকে থাকতে হলে সৃজনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। অহেতুক পিআরের পেছনে সাংবাদিকদের না পাঠিয়ে পুল পদ্ধতি চালু করে খরচ কমাতে পারে টেলিভিশন চ্যানেল গুলো। ইংল্যান্ডে আমি দেখেছি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ট্যুরে ৩০ জন সাংবাদিক না ছুটে কয়েকজন যান, বাকিরা সংবাদ শেয়ার করেন। সম্ভব হলে প্রধানমন্ত্রী আলাদা সাক্ষাৎকার দেবেন তার সুবিধামতো।

মন্ত্রী সেতু পরিদর্শনে যাচ্ছেন সেখানে ৫০ টি ক্যামেরা না গিয়ে একটি ক্যামেরা গিয়ে বাকি সবাই ফুটেজ শেয়ার করলে সেখানেও খরচ বাঁচে। এধরনের কাজে বিদেশে সাধারণত সংবাদ মাধ্যম বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে ভিডিও ও সংবাদের প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রেরণ করলেই সংবাদের কাজ হয়। কিন্তু আমরা এধরনের সংবাদ সংগ্রহে রীতিমতো ৩/৪ জনের একটি টিম নিয়োগ করি যারা সারাদিন ব্যায় করে ৫ মিনিটেরও কম সময়ের প্রোডাকশন ডেলিভারি দেয়, যা মোটেও লাভজনক ব্যবস্থাপনা নয়।

এই রিসোর্স টেলিভিশন বা সংবাদপত্র তাদের গবেষণার কাজে লাগাতে পারে। ব্যবসা চালালে ঝুঁকি থাকবে, এটি একটি সহজাত প্রক্রিয়া। গণমাধ্যমের এই সংকট মোকাবেলায় প্রস্তুতিটাও সমান ভাবে জরুরি।

লেখক : সাংবাদিক ও পি আর কনসালটেন্ট। কারেন্ট এফেয়ার্স এডিটর চ্যানেল এস টেলিভিশন, লন্ডন।

এইচআর/জেআইএম

গণমাধ্যমকে টিকে থাকতে হলে সৃজনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। অহেতুক পিআরের পেছনে সাংবাদিকদের না পাঠিয়ে পুল পদ্ধতি চালু করে খরচ কমাতে পারে টেলিভিশন চ্যানেল গুলো। ইংল্যান্ডে আমি দেখেছি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ট্যুরে ৩০ জন সাংবাদিক না ছুটে কয়েকজন যান, বাকিরা সংবাদ শেয়ার করেন। সম্ভব হলে প্রধানমন্ত্রী আলাদা সাক্ষাৎকার দেবেন তার সুবিধামতো।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]