ফরাসি পণ্য বর্জন, ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ এবং ইসলাম

আনিস আলমগীর
আনিস আলমগীর আনিস আলমগীর , সাংবাদিক ও কলামিস্ট
প্রকাশিত: ০২:৪৯ পিএম, ২৯ অক্টোবর ২০২০

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টে ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর ইসলাম ধর্ম নিয়ে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মুসলিম বিশ্বে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে ধারণা করেছিলাম সেটি বেশিদিন থাকবে না। কিন্তু দিন দিন সেটা বরং বাড়ছে এবং আরও বিস্তৃত হচ্ছে। বিশেষ করে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বনাম ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর বাকযুদ্ধ এটিতে উত্তেজনার মাত্রা বাড়াচ্ছে। একদিকে ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাক দেওয়াতে ফ্রান্সের অর্থনীতি যেমন ক্ষতির সম্মুখীন তেমনি নেটো জোটের নেতাদের সঙ্গে এরদোয়ানের দ্বন্দ্বে হুমকিতে পড়েছে তুর্কি অর্থনীতিও। ডলারের অনুপাতে তুরস্কের মুদ্রার রেকর্ড পরিমাণ দরপতন হয়েছে।

তুরস্কের উপর বাণিজ্যিক অবরোধ আরোপের হুমকিও আসছে মার্কিন তরফ থেকে। তবে এরদোয়ান তার তোয়াক্কা না করে বলেছেন রাশিয়া থেকে অত্যাধুনিক মিসাইল প্রতিরক্ষা সিস্টেম ও বিমান-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র এস-৪০০ কেনার সময়ও এমন হুমকি তারা পেয়েছিলেন। এরদোয়ান বলেন, তুরস্ক কোনও ‘উপজাতি রাষ্ট্র’ নয় যে হুমকির মুখে পড়বে। আরও অভিযোগ করেন যুক্তরাষ্ট্রের এফ -৩৫ যুদ্ধবিমানের কেনার জন্য তুরস্ক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছিল কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তা চালাকি করে দেয়নি এবং রাশিয়ার সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি করার পর অবরোধ জারির হুমকি দিয়েছিল।

এরদোয়ানের সঙ্গে সৌদি আরবের বৈরিতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো তার পাশে না দাঁড়ালেও ইসলাম সম্পর্কে অনাকাঙ্খিত, অযাচিত মন্তব্য করার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাক জোরদার হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সাধারণ আরবদের মধ্যে এরদোয়ানের জনপ্রিয়তা হু হু করে বাড়ছে। ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাক দেওয়া হয়েছে জর্ডান, কাতার, কুয়েত ও সৌদি আরবসহ অনেকে দেশে। সর্বশেষ এমন আহ্বান জানিয়েছেন এরদোয়ান। সৌদি আরবসহ মুসলিম বিশ্ব ফ্রান্স এবং ম্যাক্রঁর মুসলিম বিদ্বেষের নিন্দা করেছে। একই সঙ্গে কার্টুন বিতর্কে স্কুল শিক্ষককে হত্যারও নিন্দা করেছে।

ইসলাম ধর্ম নিয়ে আপত্তিজনক বক্তব্য দেওয়ায় মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোতে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছেন ম্যাঁক্র। তার বক্তব্য ইসলামোফোবিয়া মানে ইসলাম নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি নাকি মত প্রকাশের স্বাধীনতা– এই নিয়ে বিতর্ক এখন সারা বিশ্বে। অন্যদিকে ইসলাম আর মুসলমান বিদ্বেষী দেশগুলো প্রকাশ্যে কিছু না বললেও ফ্রান্সের পাশে আছে। জার্মানি, ইইউ ম্যাঁক্রকে নৈতিক সমর্থন দিয়েছে। আর যেহেতু বিষয়টি মুসলমানদেরকে কেন্দ্র করে, মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোতে এই মুহূর্তে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারতের হিন্দু মৌলবাদী নরেন্দ্র মোদি সরকার পিছিয়ে থাকবে কেন! মুসলমানেরা যেমন ফরাসি পণ্য বর্জনের ট্রেন্ডিং করছে সোশ্যাল মিডিয়ায়, তেমনি ভারতের বিজেপি নেতারা ম্যাঁক্রর বন্দনায় নেমেছেন। হিন্দু মৌলবাদী নেটিজেনরা অনেক হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড করছে ফ্রান্সের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে।

বাংলাদেশেও ইসলামপন্থী দলগুলো ফ্রান্সের পণ্য বর্জন ও দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি তুলছে। তবে বাংলাদেশের নেটিজেনরা এই ইস্যুতে দুই ভাগে বিভক্ত হলেও ফ্রান্সের পক্ষে হ্যাশট্যাগ দিয়ে কেউ নামেনি। বেশিরভাগ মানুষই ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাককে সুচিন্তিত চিন্তা বলে মনে করেন না। বাংলাদেশ বর্জন করার মতো ফরাসি সাধারণ পণ্যও নেই, ভারী কিছু পণ্য আছে সেটা সরকারই কিনে বেশির ভাগ। এমনকি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটও ফরাসি কোম্পানি থেকে কেনা। ফ্রান্স এবং ইউরোপে রয়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার- সেটাও মাথায় রাখতে হচ্ছে।

সবচেয়ে সঠিক ভূমিকায় আছে বাংলাদেশ সরকার। সরকার এই বিষয়ে নিরপেক্ষ থাকার সিদ্ধান্ত নিয়ে এসো সুবিবেচিত কাজ করেছে। ২৮ অক্টোবর এই বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা সংবাদ মাধ্যমে বলেছেন ফ্রান্সকে ঘিরে চলমান অস্থিরতায় কোনো পক্ষ নেবে না বাংলাদেশ। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ধর্ম নিয়ে মন্তব্যকে নিন্দা জানাবে না সরকার এবং অন্যদিকে সবার মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী হয়ে যতক্ষণ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাবেশ হচ্ছে সরকার তাতে বাধা দিবে না। বাংলাদেশে ফ্রেঞ্চ দূতাবাস, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ ও ফ্রেঞ্চ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া দেশে অবস্থিত ফ্রেঞ্চ নাগরিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

এবার আসুন দেখে নেই মুসলিম বিশ্বের অনেক দেশ ফ্রান্সের প্রতি কেন ক্ষুব্ধ আর ম্যাক্রঁ কেন এ ধরনের আচরণ করছেন। ফ্রান্সের সঙ্গে ইসলামের দীর্ঘ ও জটিল সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমানে ফ্রান্সে ৫০ লাখ মুসলিম নাগরিক রয়েছে যা তার জনসংখ্যার ৯ শতাংশের নিচে। ফ্রান্সের এক স্কুলশিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটি (৪৭) ক্লাসে মত প্রকাশের স্বাধীনতা বুঝাতে মহানবী মোহাম্মদ (সঃ)-এর ক্যারিক্যাচার দেখিয়েছিলেন অতি সম্প্রতি। তারপরে গত ১৬ অক্টোবর ১৮ বছর বয়সী চেচেন এক শরণার্থী প্যারিসের রাস্তায় প্যাটিকে শিরশ্ছেদ করে।

প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ এর প্রেক্ষিতে বলেছেন,‘কার্টুন আঁকা, ড্রয়িং ছাড়বাঁ না, এমনকি অন্যরা পিছিয়ে থাকলেও আমরা এটা চালিয়ে যাব ... আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করব এবং ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে আসব।”
প্যাটির হত্যার আগে, ম্যাক্রঁ একটি বিতর্কিত বক্তৃতা করেছেন। তিনি বলেছিলেন যে ‘ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা আজ সারা বিশ্বে সংকটে রয়েছে’, ‘উগ্রপন্থী প্রলোভনে জর্জরিত এবং জিহাদের জন্য আকুল হয়ে আছে যা অন্যের ধ্বংস চায়।’ তিনি দেশের অভ্যন্তরে ‘ইসলামপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদ’ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন এবং ঘুরিয়ে ফিরিয়ে যা বলেছেন তার অর্থ হচ্ছে ফ্রান্সের মুসলিমদের বিচ্ছিন্ন সংস্কৃতি নয়, ফ্রান্সের মূল স্রোতে সামিল হতে হবে।

ম্যাক্রোঁর ইসলাম নিয়ে এই বক্তব্য তাৎক্ষণিক অনেক ইসলামিক দেশকে অসন্তুষ্ট করেছে এবং তুরস্ক ও পাকিস্তান সবার আগে ফ্রান্স প্রেসিডেন্টের ‘ইসলামফোবিয়ার’ নিন্দায় এগিয়ে আসে। ফ্রান্স ও ম্যাক্রঁর সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের। সাইপ্রাসের সংরক্ষিত গ্যাস, নাগরনো কারাবাখ ইস্যু এবং লিবিয়া ও সিরিয়ার যুদ্ধের বিষয়ে তাদের বিরোধ ছিল চলমান। এরদোয়ান এতো ক্ষিপ্ত হয়েছেন যে, ম্যাক্রঁর মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ম্যাক্রঁও তাকে বাক্য আক্রমণ করেছেন। এমনকি আলোচিত ফরাসি রম্য সাময়িকী শার্লি এব্দো এরদোয়ানকে নিয়ে একটি ব্যঙ্গচিত্র বা কার্টুন প্রকাশ করেছে। কার্টুনে আঁকা হয়েছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট হিজাব পরা এক নারীর স্কার্ট উঠিয়ে নিতম্ব দেখছেন। দেখা যাচ্ছে এরদোয়ান অর্ধ-নগ্ন, তিনি বিয়ারের গ্লাস হাতে আরাম কেদারায় বসে আছেন। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম বলছে দেশটির কৌঁসুলিরা এই রম্য সাময়িকীর বিরুদ্ধে সরকারিভাবে তদন্ত শুরু করেছে।

ফ্রান্সের সেক্যুলারিজম সংস্কৃতি যার স্থানীয় নাম laicit- অনুযায়ী জনসম্মুখে ধর্ম প্রদর্শনের কোনও স্থান নেই। সে কারণে বছরের পর বছর ধরে শিখসহ ফ্রান্সে বহু অভিবাসী গোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুশীলনের সঙ্গে ফ্রান্সের সেক্যুলারিজম সংস্কৃতির দ্বন্দ্ব রয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় দ্বন্দ্ব চলছে তার মুসলিম নাগরিকদের সঙ্গে, যারা জার্মানির চল্লিশ লাখ তুর্কি মুসলমানের চেয়ে সংখ্যায় এগিয়ে এবং সংখ্যায় ইউরোপে বৃহত্তম। আজকের বেশিরভাগ ফরাসি মুসলিম ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করেছে এবং তারা উত্তর আফ্রিকার প্রাক্তন ফরাসি ঔপনিবেশ থেকে আসা প্রথম- প্রজন্মের অভিবাসীদের বংশধর। ফরাসি সংবিধানে কেউ নাগরিক হতে হলে এসব মানতে বাধ্য থাকবে তবে এটি অধরা প্রমাণিত হয়েছে।

ফ্রান্সের সঙ্গে ইসলামের অশান্ত সম্পর্কটি বিভিন্নভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে বিগত দিনে। ২০০৫ সালে প্যারিসে দাঙ্গা, মুসলিম মহিলাদের সরকারি স্থানে হিজাব পরা, ২০১০ সালে বোরকা নিষেধাজ্ঞা, ২০১১ সালে শার্লি এব্দোতে হযরত মোহাম্মদ (সঃ)কে নিয়ে কার্টুন প্রকাশ তার অন্যতম। তবে ফরাসিরা মনে করে তারা এই ধরণের ব্যঙ্গ করার স্বাধীনতার অধিকার রাখে। যারা যিশুখ্রিস্টকে অপমান করতে চায় তাদের পক্ষে তারা যেমন নিরপেক্ষ, ইসলাম এবং তার নবীকেও নিন্দা করলেও বাধা দিবে না। এটিকে ফরাসি ‘জীবনযাত্রা’ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। ফরাসি হতে হলে ফরাসি ভাষা জানার পাশাপাশি ফ্রান্সের সেক্যুলারিজম সংস্কৃতির (laicit) প্রতি অনুগত হতে হবে।

এসবতো ঠিকই চলছিল কিন্তু হঠাৎ laicit এর প্রতি আনুগত্য এতো প্রয়োজনীয় হল কেন- প্রশ্ন আসতে পারে। প্যাটিকে গলাকেটে হত্যার আগে ম্যাক্রঁর বিতর্কিত বক্তৃতা এক্ষেত্রে কি ট্রিগার ছিল? অনেকে তাই মনে করেন। হযরত মোহাম্মদ (সঃ)-এর কার্টুন প্রকাশের প্রতিশোধ নিতে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে শার্লি এব্দোর অফিসে হত্যাকাণ্ড ফ্রান্সের ইসলাম ফোবিয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় বিবেচনা করতে হবে। এরপরে নভেম্বরে প্যারিসে একের পর এক সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে, তার মধ্যে শহরকেন্দ্রের একটি ঘটনা পুরো বিশ্বকে নাড়া দিয়েছিল। হামলার মধ্যে আত্মঘাতী বোমা হামলা, একটি ফুটবল স্টেডিয়ামে গুলি চালানো, ক্যাফে এবং রেস্তোঁরাগুলিতে গণগুলি চালানো এবং একটি থিয়েটারে ঢুকে দর্শক জিম্মি করা রয়েছে। ইউরোপের মধ্যে ফরাসি নাগরিকরাই সর্বাধিক সংখ্যক ২০১৪-১৫ সালে ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসআইএসে যোগ দিতে গিয়েছিল।

শুধু সংবিধান এবং ফ্রান্স সংস্কৃতির বাধ্যবাধকতাই ম্যাক্রোঁকে ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে শক্তি দিচ্ছে না, এটি তার জন্য একটি রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তা হিসেবেও দেখা দিয়েছে। হামলার পাঁচ বছর পরে শার্লি এব্দোর অফিসে হামলাকারীদের বিচার শুরু হয়েছে গত মাসে এবং অনেকে মনে করেন প্যাটিকে হত্যার বিষয়টি এর ধারাবাহিকতা। ম্যাক্রঁ রাজনীতিতে ডান বা বাম কোনোটাই নন বলে পরিচিত, ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি সোশালিস্ট পার্টির সঙ্গে ছিলেন। ২০২২ সালের শুরুর দিকে প্রেসিডেন্ট পদে অগ্রিম নির্বাচন দিতে যাচ্ছেন তিনি।

ডানপন্থী মেরিন লা পেন, যাকে ম্যাক্রোঁ ২০১৭ সালের নির্বাচনে পরাজিত করেছিলেন, তিনি ম্যাক্রোঁয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন- ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে যথেষ্ট কঠোর নন ম্যাক্রোঁ। গত বছর ম্যাক্রঁ ইমিগ্রেশন আইনের অপব্যবহার হচ্ছে বলে তার পরিবর্তন এনেছেন। ভালো সাজার জন্য ম্যাক্রঁ গত ডিসেম্বরে সংসদে উত্থাপিত হওয়া ইসলামিক উগ্রবাদ রোধে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদবিরোধী’ বিলও এনেছেন। এটি মুসলিম শিশুদের স্কুল ড্রপ আউট বন্ধ করা, মসজিদ এবং ধর্ম প্রচারকদের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করবে। কিন্তু ফ্রান্সের মুসলমানদের মধ্যে এটি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট, ইরাক ও আফগান যুদ্ধ-সংবাদ সংগ্রহের জন্য খ্যাত।
[email protected]

এইচআর/পিআর

ফ্রান্সের সঙ্গে ইসলামের দীর্ঘ ও জটিল সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমানে ফ্রান্সে ৫০ লাখ মুসলিম নাগরিক রয়েছে যা তার জনসংখ্যার ৯ শতাংশের নিচে। ফ্রান্সের এক স্কুলশিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটি (৪৭) ক্লাসে মত প্রকাশের স্বাধীনতা বুঝাতে মহানবী মোহাম্মদ (সঃ)-এর ক্যারিক্যাচার দেখিয়েছিলেন অতি সম্প্রতি। তারপরে গত ১৬ অক্টোবর ১৮ বছর বয়সী চেচেন এক শরণার্থী প্যারিসের রাস্তায় প্যাটিকে শিরশ্ছেদ করে

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - ja[email protected]