সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কঠোর হোন

প্রফেসর ড. মোহা. হাছানাত আলী
প্রফেসর ড. মোহা. হাছানাত আলী প্রফেসর ড. মোহা. হাছানাত আলী , আইবিএ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রকাশিত: ১০:১৭ এএম, ১১ মে ২০২২

দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় করুণ মৃত্যু কোনভাবেই রোধ করা যাচ্ছে না। দিনদিন সড়ক দুর্ঘটনার পরিমাণ আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত মাসে সংঘটিত দুর্ঘটনার সংখ্যা দেশের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্যানুযায়ী এপ্রিল মাসে দেশে সর্বমোট ৪২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬৭ জন নারী ও ৮১ জন শিশুসহ মোট ৫৪৩ জন নিহত ও ৬১২ জন আহত হয়েছে। তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে, এপ্রিল'২২ এ দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে মোট ৪২৭টি। দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে সর্বমোট ৫৪৩ জন এবং আহত হয়েছে ৬১২ জন। নিহতের মধ্যে শিশু ৮১ জন ও নারী ৬৭ জন। ১৮৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ২০৬ জন, যা মোট নিহতের ৩৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার সর্বোচ্চ ৪৪ দশমিক ২৬ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১১৬ জন পথচারী নিহত হয়েছে, যা মোট নিহতের ২১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছে ৮৭ জন, যা মোট নিহতের ১৬ শতাংশ। এ সময়ে মোট ৬টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত হয়েছে এবং ৬জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। ২১টি রেলপথ দুর্ঘটনায় মোট ২৩ জন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে যানবাহন ভিত্তিক নিহতের চিত্র মোটরসাইকেলে সবচেয়ে বেশি। মটর সাইকেলের সহজলভ্যতা এর জন্য অনেকটা দায়ী। তাছাড়া মোটর সাইকেল চালকদের হেলমেট না পরা, ট্রাফিক আইন না মেনে দুইজনের অধিক মটর সাইকেলে আরোহন করা, মোটরসাইকেল চালকদের বেপরোয়া মনোভাব সড়কে দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর মিছিলকে দীর্ঘায়িত করছে। ২০২১ সালে দেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলো ২২১৪ জন। পঙ্গু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী চলতি মাসের প্রথম সাত দিনে বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনায় আহত ১৪৭৪ জন তাদের নিকট থেকে সেবা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার।

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কারো হাত বা পা ভাঙলে সুস্থ হতে গড়ে ৩ থেকে ৯ মাস সময় লেগে যেতে পারে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন এর তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরের প্রথম চার মাসে (জানুয়ারি-এপ্রিল) মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৮৩০জন। আর ২০১৯ সালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা যান ৯৪৫ জন। ২০২০সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৪৬৩ জন। আর ২০২১ সালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা যান ২ হাজার ২১৪ জন। ২০২১ সালে আগের বছরের চেয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ ও এই দুর্ঘটনাগুলোতে মৃত্যু ৫১শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৭৫ শতাংশের বয়স ১৪ থেকে ৪৫ বছর।

বাংলাদেশে মোটরসাইকেল বিক্রির পরিমাণ সাম্প্রতিক সময়ে বহুগুণ বেড়ে গেছে। আঞ্চলিক সড়কে মোটরসাইকেল চালানোর নিয়ম মানছে না চালকরা, চালক ও আরোহীরা হেলমেট পরেন না এক মোটরসাইকেলে দুইজনের বেশি না ওঠার নিয়ম মানা হয় না, জেলা-উপজেলা পর্যায়ে অনিবন্ধিত মোটরসাইকেল অহরহ চলাচল করে, অনেকের আবার মোটরসাইকেল চালানোর কোনো প্রশিক্ষণ নেই।

তাছাড়া দুর্ঘটনা বেড়ে যাওয়ার পেছনে মোটরসাইকেলের সহজলভ্যতাকে অন্যতম কারণ বলে মনে করেন সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী ২০১৫ সাল পর্যন্ত দেশের নিবন্ধিত মোটরসাইকেল ছিল ১৫ লাখের কম। বর্তমানে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৩৬ লাখ। এদিকে গ্রামেগঞ্জে অন্তত আরো ১৫ লাখ অনিবন্ধিত মোটরসাইকেল চলাচল করে থাকে। ২০১৬ সাল থেকে প্রতি বছর তিন লাখের বেশি মোটরসাইকেল নিবন্ধিত হচ্ছে।

বিশ্বের অন্য কোন দেশ এভাবে মোটরসাইকেলকে সহজলভ্য করেনি। গণপরিবহন কে গুরুত্ব না দেওয়ায় বিকল্প হিসেবে মোটরসাইকেলের বিক্রয় ও ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়কে যাত্রী নিয়ে মোটরসাইকেল চালানো সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে মোটরসাইকেল চালাতে আইনসম্মতভাবে হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার পরই বেশি হতাহত হয়েছে সাধারণ পথচারী। এপ্রিল মাসে দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে পথচারী ১১৬ জন, যা মোট নিহতের ২১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৮৭ জন, যা মোট নিহতের ১৬ শতাংশ। এসময়ে ছয়টি নৌ-দুর্ঘটনায় আটজন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ হয়েছেন ছয়জন। এপ্রিল মাসে দেশে রেলপথে দুর্ঘটনা ঘটেছে ২১টি। এতে মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের। আহত হয়েছে অন্তত পাঁচজন।

এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় বাসের যাত্রী নিহত হয়েছে ১৩ জন, যা একমাসে মোট নিহতের ২ দশমিক ৩৯ শতাংশ। ট্রাক-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৬৩ জন আরোহী, যা মোট নিহতের ১১ দশমিক ৬০ শতাংশ। মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-পুলিশের গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে নিহত হয়েছে ১৪ জন, যা মোট মৃত্যুর ২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অন্যদিকে ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-মিশুক দুর্ঘটনায় মারা গেছে মোট ১০০ জন, যা মোট মৃত্যুর ১৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। নসিমন-ভটভটি-টমটম দুর্ঘটনায় মোট ১৯ যাত্রী নিহত হয়েছে, যা মোট মৃত্যুর ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এছাড়া বাইসাইকেল-প্যাডেল রিকশা-রিকশাভ্যান দুর্ঘটনায় মোট ১২ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ২ দশমিক ২০ শতাংশ।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী জানা যায়, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৮৭টি সংঘটিত হয়েছে জাতীয় মহাসড়কে, যা এপ্রিলের মোট দুর্ঘটনার ৪৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ। আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘটেছে ১২৩টি দুর্ঘটনা, যা মোট দুর্ঘটনার ২৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। গ্রামীণ সড়কে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৬৫টি, যা মোট দুর্ঘটনার ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, শহরের সড়কে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪৬টি, যা মোট দুর্ঘটনার ১০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আর অন্যান্য স্থানে ছয়টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যা এপ্রিল মাসের মোট দুর্ঘটনার ১ দশমিক ৪০ শতাংশ। এসব দুর্ঘটনা ৮৪টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৬৭টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১১৩টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া, ৫২টি যানবাহনের পেছন থেকে ধাক্কা দেওয়া এবং ১১টি অন্যান্য কারণে সংঘটিত হয়েছে।

প্রতিবেদন থেকে আরো জানা যায় যে, দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা ৭৫৭টি। এরমধ্যে ট্রাক ১৪৪, বাস ৭৯, কাভার্ডভ্যান ২৬, পিকআপ ৫৮, ট্রলি ৯, লরি ১০, ট্রাক্টর ১৭, তেলবাহী ট্যাঙ্কার তিনটি, গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্যাঙ্কার একটি, ডিএনসিসির ময়লাবাহী ট্রাক একটি, ড্রাম ট্রাক সাতটি, মাইক্রোবাস ১৭, প্রাইভেটকার ১৪, অ্যাম্বুলেন্স তিনটি, পুলিশ জিপ একটি, মোটরসাইকেল ১৯৭, থ্রি-হুইলার ১১৬। এছাড়া স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ৪৩ এবং বাইসাইকেল-প্যাডেল রিকশা-রিকশাভ্যান ১১ টি।

বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিলে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি হয়েছে ঢাকা বিভাগে। দুর্ঘটনার ৩০ দশমিক ৬৭ শতাংশ সংঘটিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এছাড়া এপ্রিলে সড়কে প্রাণহানির ২৮ দশমিক ৭২ শতাংশ ঘটেছে ঢাকায়। মোট দুর্ঘটনার ১২ দশমিক ৪১ শতাংশ রাজশাহী বিভাগে। এছাড়া চট্টগ্রামে ২৪ দশমিক ১২ শতাংশ, খুলনায় ১০ দশমিক ৭৭ শতাংশ, বরিশালে ৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ, সিলেটে ৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ, রংপুরে ৬ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী। এপ্রিলে সড়কে প্রাণ ঝরেছে ৬৩ জন শিক্ষার্থীর। এছাড়া রাজনৈতিক নেতা ১২ জন, ব্যবসায়ী ৩১ জন, শিক্ষক ১৩ জন, পুলিশ সদস্য চারজন, সেনাসদস্য একজন, র‌্যাব সদস্য একজন, বিজিবি সদস্য একজন, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য দুজন, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য একজন, চিকিৎসক দুজন, সাংবাদিক তিনজন, আইনজীবী চারজন, প্রকৌশলী দু'জন, সংগীত শিল্পী একজন, ব্যাংক কর্মকর্তা ৯ জন, এনজিও কর্মকর্তা ১১ জন, ওষুধ ও বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী বিক্রয় প্রতিনিধি ১৯ জন, পোশাকশ্রমিক সাতজন, চালকল শ্রমিক দুজন, ইটভাটা শ্রমিক চারজন, ধানকাটা শ্রমিক ছয়জন, মাটিকাটা শ্রমিক চারজন।

সংস্থার পর্যবেক্ষণ অনুসারে সচরাচর যেসব কারণে দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়ে তার মধ্যে অন্যতম হলো ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, যানবাহনের বেপরোয়া গতি, চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতার কারণে সড়কে বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়া চালকদের বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল, তরুণ ও যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএ’র সক্ষমতার ঘাটতি, গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে এ খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করে থাকেন।

দুর্ঘটনা রোধে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন সুপারিশ অনুযায়ী দক্ষচালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি করা, চালকের বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, বিআরটিএ’র সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, পরিবহনের মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করা এবং এগুলোর জন্য আলাদা পার্শ্ব রাস্তা (সার্ভিস রোড) তৈরি করা, পর্যায়ক্রমে সব মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করা, গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করা, রেল ও নৌ-পথ সংস্কার ও সম্প্রসারণ করে সড়ক পথের ওপর চাপ কমানো, টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা, সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাধাহীনভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সড়কে মৃত্যুর মিছিল অনেকটাই লাঘব করা যেত।

যে কোন দুর্ঘটনা কোন ভাবেই কাম্য নয়। সড়কে যে ভাবে মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে তা যে করেই হোক কমাতে হবে। নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। দক্ষ চালক তৈরির জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে পর্যাপ্ত সংখ্যক চালক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। এছাড়া সড়কে মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন চলাচল বন্ধে সরকারকে আরো কঠোর হতে হবে। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা না গেলে মৃত্যুর মিছিল দিনদিন আরো বৃদ্ধি পাবে। দুর্ঘটনার কারণে যে শুধু মানুষের মৃত্যু হয় তা কিন্তু নয়। বরং বহু মানুষ পঙ্গত্ব বরণ করে।

একটি পরিবারের কর্মক্ষম মানুষ যখন সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যবরণ করে বা পঙ্গু হয়ে যায় তখন সেই পরিবার চরম আর্থিক সংকটে পতিত হয়ে নিদারুণ কষ্টে দিনাতিপাত করে। এরকম হাজারো পরিবার সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সড়ক দুর্ঘটনা দেশের উন্নয়নে অনেক সময় নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে থাকে। তাই আর সময় ক্ষেপণ নয় বরং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সড়ক ব্যবস্থাপনার সার্বিক উন্নয়নসহ আইন প্রয়োগে সরকারকে আরো কঠোর হতে হবে।

লেখক: প্রফেসর, আইবিএ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]

এইচআর/জেআইএম

একটি পরিবারের কর্মক্ষম মানুষ যখন সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যবরণ করে বা পঙ্গু হয়ে যায় তখন সেই পরিবার চরম আর্থিক সংকটে পতিত হয়ে নিদারুণ কষ্টে দিনাতিপাত করে। এরকম হাজারো পরিবার সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। সড়ক দুর্ঘটনা দেশের উন্নয়নে অনেক সময় নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে থাকে। তাই আর সময় ক্ষেপণ নয় বরং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সড়ক ব্যবস্থাপনার সার্বিক উন্নয়নসহ আইন প্রয়োগে সরকারকে আরো কঠোর হতে হবে।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]