লাল পতাকায় নীল বেদনায় প্রবাসীরা

শাহাদাত হোসেন শাহাদাত হোসেন
প্রকাশিত: ০৬:১২ পিএম, ২৫ মার্চ ২০২০

ভাবছেন এ আবার কেমন কথা লাল পতাকায় নীল বেদনা-প্রবাসীরা সারাবিশ্বে কোভিড-১৯ বিদ্যমান বাস্তবতায় এক আতঙ্কের নাম। চীনের উহান শহরে এর উৎপত্তি; কিন্তু ছড়িয়ে গেছে দুই শতাধিক দেশে। কোভিড-১৯ ভাইরাস অতি দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ার মধ্য দিয়ে তা বৈশ্বিক মহামারীতে রূপ নিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে মহামারী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।গোটা বিশ্বের অর্থনীতিকেই নাড়িয়ে দিচ্ছে৷ বাংলাদেশের রিজার্ভের সবচেয়ে বড় ভরসা রেমিটেন্স।রেমিটেন্স আসার অন্যতম দেশগুলোর মধ্যে, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কুয়েত, কাতার, বাহারাইন, সংযুক্ত আরব আরব-আমিরাত, ইতালি, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র এই সবগুলো দেশেই আক্রান্ত করোনাভাইরাসে। কেমন আছে রেমিটেন্স যোদ্ধারা বর্তমান পরিস্থিতিতে এক কথায় বলবো ভাল নেই! সত্যি প্রবাসে আমরা কেউ ভালো নেই!

ভালো না থাকার অনেকগুলো কারণ আছে। করোনাভাইরাসের সাথে সম্প্রতি প্রবাস থেকে অনেকে বাংলাদেশে গিয়েছেন বিশেষ করে ইতালি থেকে যাওয়া এক বাংলাদেশি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই থেকেই যেন শুরু হয় প্রবাসীদের বাঁকা চোখে দেখা। সে যেটা করেছে আমি এটা সমর্থন করিনা আমার দেশ ভালো থাকলে আমরা সবাই ভালো থাকি আবার আপনি যদি দেখেন তার কথার যুক্তি আছে, ডিসেম্বর মাস থেকেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয় লম্বা সময় পেয়েও কেন এয়ারপোর্টে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হলো না,কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরিবেশ ছিল কতটুকু, আপনি ভাবতে পারেন করোনার ছোবলে ইতালি একটি মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন বাড়ছে লাশের সারি । সেখান থেকে যখন একজন লোক দেশে আসে তার মানসিক অবস্থা কেমন থাকে? শুধু ইতালি নয় অন্যান্য আক্রান্ত দেশ থেকে যখন প্রবাসীরা আসে তাদের অবস্থা মোটেও ভালো না। অনেকে ব্যবসা বা কর্মস্থল হারিয়ে বাধ্য হয়ে চলে আসে। প্রত্যেকটা মানুষেরই নিজের প্রতি নিজের পরিবারের প্রতি মায়া আছে। কেউ চায়নি তার পরিবার আক্রান্ত হোক। চলতি মাসের ১ তারিখে মালয়েশিয়া থেকে ফিরে চাঁদপুরের জসিম শেখ। এয়ারপোর্টে তার করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হয়নি জানানো হয়নি কোন সতর্কতা। তখন করোনাভাইরাস আক্রান্ত তালিকায় ছিল মালয়েশিয়া, দেশটিতে আক্রান্ত সংখ্যা ছিল২৯ জন, তিনি সরাসরি চলে যান গ্রামের বাড়িতে।স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের সদস্যদের সাথে মিশে হাটবাজারে যান। ভাবা যায় কত ভয়ঙ্কর বিষয়। "যদি জসিম সেদিন আক্রান্ত হয়ে আসতো সে কি বাঁচাতে পারত তার পরিবারের সদস্যদের" -এরকম হাজারো জসিম প্রতিদিন আক্রান্ত কারী বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছেন, হয়তোবা তাদের অজান্তেই আক্রান্ত হয়ে গেছে প্রিয় মানুষ প্রিয় পরিবার ও দেশ।তাদেরকে দেওয়া হয়নি কোন ধরনের সতর্কতা। এই দায় কার রাষ্ট্রের না প্রবাসীদের?
করোনাভাইরাসের আগে কোয়ারেন্টিন ও হোম কোয়ারেন্টিন এই শব্দের সাথে কতজন প্রবাসী পরিচিত ছিল, তারা কি এর আগে কখনো এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল?

আক্রান্ত দেশ থেকে যেসব ফ্লাইট আসত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এ বিষয়ে ধারণা বা বিশেষ লিফলেট ফ্লাইট এর মধ্যে দেওয়া যেত।যেমন করোনাভাইরাস কি এর সংক্রমণ কিভাবে হয়, পরিবারকে কিভাবে বাঁচানো যায়, কতদিন পরিবারের বাইরে থাকা লাগে,এয়ারপোর্টে নেমে আপনার কি কি কাজ সম্পন্ন করা লাগে, বাধ্যতামূলক ইত্যাদি বিষয়ে। বিমানে বিভিন্ন ম্যাগাজিন যেভাবে পাই। আমরা এর কিছুই করতে পারিনা এই দোষ কি প্রবাসীদের? সম্প্রতি যারা করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে এসেছে তাদের জন্য প্রত্যেক জেলায় বাধ্যতামূলক ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করা যেতে পারত বিশেষ করে স্টেডিয়াম বা অনেক ডাকবাংলা পরিত্যক্ত ভবন সারা দেশে আছে এসব ভবন গুলো কাজে লাগানো যেত, যেমন করোনা মোকাবেলায় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কলকাতায় করছে। বাংলাদেশের গ্রামীণ যে অবকাঠামো সেখানে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পরিবেশ কতটুকু এটা বিবেচনা করা উচিত ছিল।

এখন অবস্থা এমন যে প্রবাসীরা তার পরিবারকে আক্রান্ত করার জন্যই দেশে এসেছে। একজন প্রবাসী যখন পাঁচ-সাত বছর বা তারও বেশি পরিবারের কাছ থেকে দূরে থাকে অবশ্যই সে চাইবে তার পরিবারের কাছে যেতে, অবশ্যই সে চাইবে তার পরিবার ভালো থাকুক তাদের জন্যই তো প্রবাসে পড়ে থাকা বছরের-পর-বছর দুই সপ্তাহ থাকতে পারবে না? সচেতনতা না দিয়ে ও পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যবস্থা না করে ঢালাও ভাবে দোষ দেওয়া হচ্ছে প্রবাসীদের। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অর্থনীতির বেশিরভাগ সূচকই নিম্নমুখী৷ তার মধ্যেও শুধু ব্যতিক্রম ছিল রেমিট্যান্স৷ চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ১০৪২ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ ভাগ বেশি৷ তাহলে কেন প্রবাসীদের বাঁকা চোখে দেখবে প্রবাসী ও তার পরিবারের সুরক্ষার দায়িত্ব কি রাষ্ট্রের নয়, এটা বড়ই কষ্টের যখন দেখি প্রবাসীদের বাড়ির সামনে লাল পতাকা টানানো হয়, চায়ের দোকানে প্রবাসীদের যাওয়া নিষেধ করা হয় ডাক্তাররা প্রবাসী ও তাদের স্বজনদের চিকিৎসা দিতে অপারগতা জানান, হোম কোয়ারেন্টিনের নামে হয়রানি করা হয়। তাছাড়া বাংলাদেশ থেকে আক্রান্ত কারী দেশ থেকে যেসব পর্যটক ঘুরে এসেছেন তাদের মধ্যে কতজন কে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে, আপনি কিভাবে নিশ্চিত হবেন তাদের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ হচ্ছে না, তাদের বাড়ির সামনে কেন লাল পতাকা উড়ছে না? তারা শ্রমিক নয় বলে?

দেশকে ভালোবেসে দেশের কথা চিন্তা করে লাখ লাখ প্রবাসী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দেশে পড়ে আছে একবার ভেবেছেন তাদের কথা।যেখানে মৃত্যু দরজার সামনে কড়া নাড়ছে তারপরও দেশে যাওয়ার চিন্তা করেনি। যখন দেখি মাত্র কয়েকদিনের বন্ধ বাংলাদেশে- এর মধ্যেই দলবেঁধে সবাই গ্রামে ছুটছি।এই কয়টা দিন আপনারা ঘরে থাকতে পারলেন না আর বছরের-পর-বছর প্রবাসীরা পড়ে আছে লাল পতাকা আপনাদের বাড়িতে কি টানানো হবে? প্রবাসীরা দেখেছে করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা। দেখছি মৃত্যুর মিছিল। কী হবে বাংলাদেশে? সুরক্ষিত কি থাকবে আমাদের স্বজনরা। আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করছেন এই ভেবে প্রবাসীরা নীরবে কাঁদছে।নিজেরালঅনিশ্চয়তার মধ্যে থেকেও দেশকে সুরক্ষিত রাখতে চায় তারা।
কারোর ওপর দোষ না চাপিয়ে নিজে সতর্ক হন দেশ ও পরিবারকে বাঁচান।

লেখক : প্রবাসী সাংবাদিক।

এইচআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১২,৮৮,০৮০
আক্রান্ত

৭০,৫৬৭
মৃত

২,৭২,০০৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১২৩ ১২ ৩৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৩৬,৯০৬ ৯,৬২৪ ১৭,৯৭৭
স্পেন ১,৩৫,০৩২ ১৩,০৫৫ ৪০,৪৩৭
ইতালি ১,২৮,৯৪৮ ১৫,৮৮৭ ২১,৮১৫
জার্মানি ১,০০,২৩২ ১,৫৯১ ২৮,৭০০
ফ্রান্স ৯২,৮৩৯ ৮,০৭৮ ১৬,১৮৩
চীন ৮১,৭০৮ ৩,৩৩১ ৭৭,০৭৮
ইরান ৬০,৫০০ ৩,৭৩৯ ২৪,২৩৬
যুক্তরাজ্য ৪৭,৮০৬ ৪,৯৩৪ ১৩৫
১০ তুরস্ক ২৭,০৬৯ ৫৭৪ ১,০৪২
১১ সুইজারল্যান্ড ২১,৬৫২ ৭৩৪ ৭,২৯৮
১২ বেলজিয়াম ২০,৮১৪ ১,৬৩২ ৩,৯৮৬
১৩ নেদারল্যান্ডস ১৮,৮০৩ ১,৮৬৭ ২৫০
১৪ কানাডা ১৫,৫১২ ২৮০ ২,৯৪২
১৫ অস্ট্রিয়া ১২,২০৬ ২২০ ৩,৪৬৩
১৬ পর্তুগাল ১১,৭৩০ ৩১১ ১৪০
১৭ ব্রাজিল ১১,২৯৮ ৪৮৯ ১২৭
১৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১০,২৮৪ ১৮৬ ৬,৫৯৮
১৯ ইসরায়েল ৮,৬১১ ৫৫ ৫৮৫
২০ সুইডেন ৭,২০৬ ৪৭৭ ২০৫
২১ রাশিয়া ৬,৩৪৩ ৪৭ ৪০৬
২২ অস্ট্রেলিয়া ৫,৭৯৫ ৪১ ২,৪৩২
২৩ নরওয়ে ৫,৭৬০ ৭৩ ৩২
২৪ আয়ারল্যান্ড ৪,৯৯৪ ১৫৮ ২৫
২৫ ডেনমার্ক ৪,৬৪৭ ১৮৭ ১,৩৭৮
২৬ চেক প্রজাতন্ত্র ৪,৫৯১ ৭২ ৯৬
২৭ চিলি ৪,৪৭১ ৩৪ ৬১৮
২৮ ভারত ৪,৩১৪ ১১৮ ৩২৮
২৯ পোল্যান্ড ৪,২০১ ৯৮ ১৬২
৩০ রোমানিয়া ৪,০৫৭ ১৬২ ৪০৬
৩১ মালয়েশিয়া ৩,৭৯৩ ৬২ ১,২৪১
৩২ ফিলিপাইন ৩,৬৬০ ১৬৩ ৭৩
৩৩ জাপান ৩,৬৫৪ ৮৫ ৫৭৫
৩৪ ইকুয়েডর ৩,৬৪৬ ১৮০ ১০০
৩৫ পাকিস্তান ৩,২৭৭ ৫০ ২৫৭
৩৬ লুক্সেমবার্গ ২,৮০৪ ৩৬ ৫০০
৩৭ সৌদি আরব ২,৫২৩ ৩৮ ৫৫১
৩৮ ইন্দোনেশিয়া ২,৪৯১ ২০৯ ১৯২
৩৯ পেরু ২,২৮১ ৮৩ ৯৮৯
৪০ থাইল্যান্ড ২,২২০ ২৬ ৭৯৩
৪১ সার্বিয়া ২,২০০ ৫৮ ৫৪
৪২ ফিনল্যাণ্ড ২,১৭৬ ২৭ ৩০০
৪৩ মেক্সিকো ২,১৪৩ ৯৪ ৬৩৩
৪৪ সংযুক্ত আরব আমিরাত ২,০৭৬ ১১ ১৬৭
৪৫ পানামা ১,৯৮৮ ৫৪ ১৩
৪৬ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৭৪৫ ৮২ ১৭
৪৭ গ্রীস ১,৭৩৫ ৭৬ ৭৮
৪৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৬৫৫ ১১ ৯৫
৪৯ কাতার ১,৬০৪ ১২৩
৫০ আইসল্যান্ড ১,৫৬২ ৪৬০
৫১ আর্জেন্টিনা ১,৫৫৪ ৪৮ ২৮০
৫২ কলম্বিয়া ১,৪৮৫ ৩৫ ৮৮
৫৩ আলজেরিয়া ১,৩২০ ১৫২ ৯০
৫৪ ইউক্রেন ১,৩১৯ ৩৮ ২৮
৫৫ সিঙ্গাপুর ১,৩০৯ ৩২০
৫৬ ক্রোয়েশিয়া ১,২২২ ১৬ ১৩০
৫৭ মিসর ১,১৭৩ ৭৮ ২৪৭
৫৮ মরক্কো ১,১১৩ ৭১ ৭৬
৫৯ এস্তোনিয়া ১,১০৮ ১৯ ৬২
৬০ নিউজিল্যান্ড ১,১০৬ ১৭৬
৬১ স্লোভেনিয়া ১,০২১ ৩০ ১০২
৬২ ইরাক ৯৬১ ৬১ ২৭৯
৬৩ হংকং ৯১৫ ২১৬
৬৪ মলদোভা ৮৬৪ ১৭ ৩৭
৬৫ লিথুনিয়া ৮৪৩ ১৪
৬৬ আর্মেনিয়া ৮৩৩ ৬২
৬৭ হাঙ্গেরি ৭৪৪ ৩৮ ৬৭
৬৮ বাহরাইন ৭২৩ ৪৫১
৬৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১১ ৬১৯
৭০ বেলারুশ ৭০০ ১৩ ৫৩
৭১ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৬৭৪ ২৯ ৪৭
৭২ কুয়েত ৬৬৫ ১০৩
৭৩ ক্যামেরুন ৬৫৮ ১৭
৭৪ আজারবাইজান ৬৪১ ৪৪
৭৫ কাজাখস্তান ৬২৯ ৪৫
৭৬ তিউনিশিয়া ৫৭৪ ২২
৭৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৫৫৫ ১৮ ২৩
৭৮ লাটভিয়া ৫৪২
৭৯ লেবানন ৫৪১ ১৯ ৫৫
৮০ বুলগেরিয়া ৫৪১ ২১ ৩৯
৮১ স্লোভাকিয়া ৫৩৪
৮২ এনডোরা ৫০১ ১৮ ২৬
৮৩ কোস্টারিকা ৪৫৪ ১৬
৮৪ সাইপ্রাস ৪৪৬ ৩৭
৮৫ উরুগুয়ে ৪০৬ ১০৪
৮৬ উজবেকিস্তান ৩৯০ ৩০
৮৭ আলবেনিয়া ৩৭৭ ২১ ১১৬
৮৮ তাইওয়ান ৩৭৩ ৫৭
৮৯ আফগানিস্তান ৩৬৭ ১৭
৯০ জর্ডান ৩৪৫ ১১০
৯১ বুর্কিনা ফাঁসো ৩৪৫ ১৭ ৯০
৯২ রিইউনিয়ন ৩৪৪ ৪০
৯৩ ওমান ৩৩১ ৬১
৯৪ কিউবা ৩২০ ১৫
৯৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩০৯ ২৭
৯৬ হন্ডুরাস ২৯৮ ২২
৯৭ সান ম্যারিনো ২৬৬ ৩২ ৩৫
৯৮ আইভরি কোস্ট ২৬১ ৩৭
৯৯ ফিলিস্তিন ২৫২ ২৫
১০০ ভিয়েতনাম ২৪৫ ৯৫
১০১ মালটা ২৪১
১০২ নাইজেরিয়া ২৩২ ৩৩
১০৩ মরিশাস ২২৭
১০৪ সেনেগাল ২২৬ ৯২
১০৫ মন্টিনিগ্রো ২২৩
১০৬ কিরগিজস্তান ২১৬ ৩৩
১০৭ ঘানা ২১৪ ৩১
১০৮ জর্জিয়া ১৮৮ ৩৬
১০৯ নাইজার ১৮৪ ১০ ১৩
১১০ ফারে আইল্যান্ড ১৮৩ ১০৭
১১১ বলিভিয়া ১৮৩ ১১
১১২ শ্রীলংকা ১৭৮ ৩৮
১১৩ ভেনেজুয়েলা ১৫৯ ৫২
১১৪ কেনিয়া ১৫৮
১১৫ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১৫৪ ১৮
১১৬ মার্টিনিক ১৪৯ ৫০
১১৭ মায়োত্তে ১৪৭ ১৪
১১৮ আইল অফ ম্যান ১৩৮
১১৯ ব্রুনাই ১৩৫ ৮২
১২০ গুয়াদেলৌপ ১৩৫ ৩১
১২১ গিনি ১২১
১২২ কম্বোডিয়া ১১৪ ৫৩
১২৩ প্যারাগুয়ে ১১৩ ১২
১২৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১০৫
১২৫ রুয়ান্ডা ১০৪
১২৬ জিব্রাল্টার ১০৩ ৫২
১২৭ লিচেনস্টেইন ৭৭
১২৮ মোনাকো ৭৩
১২৯ মাদাগাস্কার ৭২
১৩০ গুয়াতেমালা ৭০ ১৫
১৩১ এল সালভাদর ৬৯
১৩২ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৬৮ ২৭
১৩৩ আরুবা ৬৪
১৩৪ জিবুতি ৫৯
১৩৫ জ্যামাইকা ৫৮
১৩৬ বার্বাডোস ৫৬
১৩৭ উগান্ডা ৫২
১৩৮ টোগো ৫২ ২২
১৩৯ মালি ৪৭
১৪০ কঙ্গো ৪৫
১৪১ ম্যাকাও ৪৪ ১০
১৪২ ইথিওপিয়া ৪৪
১৪৩ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪১
১৪৪ জাম্বিয়া ৩৯
১৪৫ কেম্যান আইল্যান্ড ৩৯
১৪৬ বারমুডা ৩৭ ১৪
১৪৭ সিন্ট মার্টেন ৩৭
১৪৮ সেন্ট মার্টিন ৩২
১৪৯ বাহামা ২৯
১৫০ গায়ানা ২৯
১৫১ ইরিত্রিয়া ২৯
১৫২ গ্যাবন ২৪
১৫৩ তানজানিয়া ২২
১৫৪ বেনিন ২২
১৫৫ মায়ানমার ২১
১৫৬ হাইতি ২১
১৫৭ মালদ্বীপ ১৯ ১৩
১৫৮ সিরিয়া ১৯
১৫৯ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৮
১৬০ লিবিয়া ১৮
১৬১ গিনি বিসাউ ১৮
১৬২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৬
১৬৩ নামিবিয়া ১৬
১৬৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৫
১৬৫ মঙ্গোলিয়া ১৫
১৬৬ ডোমিনিকা ১৪
১৬৭ সেন্ট লুসিয়া ১৪
১৬৮ অ্যাঙ্গোলা ১৪
১৬৯ ফিজি ১৪
১৭০ লাইবেরিয়া ১৩
১৭১ গ্রেনাডা ১২
১৭২ সুদান ১২
১৭৩ লাওস ১২
১৭৪ কিউরাসাও ১১
১৭৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১১
১৭৬ সুরিনাম ১০
১৭৭ মোজাম্বিক ১০
১৭৮ সিসিলি ১০
১৭৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১০
১৮০ জান্ডাম (জাহাজ)
১৮১ জিম্বাবুয়ে
১৮২ ইসওয়াতিনি
১৮৩ চাদ
১৮৪ নেপাল
১৮৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক
১৮৬ ভ্যাটিকান সিটি
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
১৮৮ সোমালিয়া
১৮৯ কেপ ভার্দে
১৯০ মৌরিতানিয়া
১৯১ মন্টসেরাট
১৯২ সেন্ট বারথেলিমি
১৯৩ নিকারাগুয়া
১৯৪ বতসোয়ানা
১৯৫ সিয়েরা লিওন
১৯৬ ভুটান
১৯৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড
১৯৮ বেলিজ
১৯৯ মালাউই
২০০ গাম্বিয়া
২০১ পশ্চিম সাহারা
২০২ এ্যাঙ্গুইলা
২০৩ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ
২০৪ বুরুন্ডি
২০৫ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২০৬ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড
২০৭ পাপুয়া নিউ গিনি
২০৮ পূর্ব তিমুর
২০৯ দক্ষিণ সুদান
২১০ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।