প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও গুজব রোধে করণীয়

ড. মিল্টন বিশ্বাস
ড. মিল্টন বিশ্বাস ড. মিল্টন বিশ্বাস , অধ্যাপক, কলামিস্ট
প্রকাশিত: ০৯:০৫ এএম, ০৪ এপ্রিল ২০২০

সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও গুজবের একটি দৃষ্টান্ত এ রকম- ‘অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপাকে, ১৭টি আদেশ জারি করেছেন- ব্যাংক, এনজিওর ছয় মাসের লোনের কিস্তি স্থগিত। গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল তিন মাস স্থগিত। আগামী দুই মাসের বাড়িভাড়া মওকুফের জন্য সকল বাড়িওয়ালাকে আদেশ। এক লক্ষ দিনমজুরের এক মাসের খাবার দ্রব্যাদি দেয়ার জন্য সেনাবাহিনী নিয়োজিত থাকবে। দেশের মানুষের স্বার্থে নববর্ষের অনুষ্ঠান বাতিল এবং সেই টাকায় করোনা রোগীদের জন্য সরঞ্জাম ক্রয় করতে আদেশ। স্কুল-কলেজ-মাদরাসা-বিশ্ববিদ্যালয় ১৪ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা। সকল প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকে তাদের কর্মচারীদের এক মাসের ছুটি এবং বেতন দেয়ার আদেশ। এছাড়াও করোনা মোকাবিলার জন্য ১০০ কোটি থেকে এখন ৫০০০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ৩ এপ্রিল সব আদেশ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াসহ অন্যান্য প্রচার মাধ্যমে বিজ্ঞাপন আকারে বের হবে। সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ধন্যবাদ প্রিয় নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।’

এই অপপ্রচার এবং গুজব সম্পর্কে ২ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে (যা জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত)- বাড়িভাড়া মওকুফ, ব্যাংক লোন ও বিদ্যুৎ বিল তিন মাসের জন্য স্থগিত, সব অফিসে এক মাসের ছুটি সংক্রান্ত যে গুজবটি ফেসবুকে ভাইরাল করা হচ্ছে তা পুরোপুরি মিথ্যা ও বানোয়াট।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যারা অপপ্রচার চালাচ্ছেন তা অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার গৃহীত পদক্ষেপ নিজেই অথবা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জানাবেন বলেও জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

এ জন্য যারা অপপ্রচারে লিপ্ত তাদের মনে রাখতে হবে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে জাতিকে ৩১ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন। সেখানেও ফেসবুক কিংবা অনলাইনে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানোর বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে। নির্দেশনাগুলো হলো- ১. করোনাভাইরাস সম্পর্কে চিকিৎসাব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ভাইরাস সম্পর্কিত সচেতনতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। ২. লুকোচুরির দরকার নেই, করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। ৩. পিপিই সাধারণভাবে সকলের পরার দরকার নেই। চিকিৎসা-সংশ্লিষ্ট সবার জন্য পিপিই নিশ্চিত করতে হবে। এই রোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত পিপিই, মাস্কসহ সব চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত রাখা এবং বর্জ্য অপসারণের ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ৪. কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় নিয়োজিত সব চিকিৎসক, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, অ্যাম্বুলেন্স চালকসহ সংশ্লিষ্ট সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে। ৫. যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে বা আইসোলেশনে আছেন, তাদের প্রতি মানবিক আচরণ করতে হবে। ৬. নিয়মিত হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন। ৭. নদীবেষ্টিত জেলাসমূহ নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে হবে। ৮. অন্যান্য রোগে আক্রান্তদের যথাযথ স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখতে হবে। ৯. পরিচ্ছন্নতা নিশ্চত করা। সারাদেশের সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। ১০. আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে দৃষ্টি দিতে হবে। জাতীয় এ দুর্যোগে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগসহ সব সরকারি কর্মকর্তা যথাযথ ও সুষ্ঠু সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন- এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। ১১. ত্রাণ কাজে কোনো ধরনের দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। ১২. দিনমজুর, শ্রমিক, কৃষক যেন অভুক্ত না থাকে। তাদের সাহায্য করতে হবে। খেটে খাওয়া দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য অতিরিক্ত তালিকা তৈরি করতে হবে। ১৩. সোশ্যাল সেফটিনেট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ১৪. অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যেন স্থবির না হয়, সে বিষয়ে যথাযথ নজর দিতে হবে। ১৫. খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে, অধিক প্রকার ফসল উৎপাদন করতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য যা যা করা দরকার করতে হবে। কোনো জমি যেন পতিত না থাকে। ১৬. সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখতে হবে। যাতে বাজার চালু থাকে। ১৭. সাধারণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে ১৮. জনস্বার্থে বাংলা নববর্ষের সব অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে যাতে জনসমাগম না হয়। ঘরে বসে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নববর্ষ উদযাপন করতে হবে। ১৯. স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সমাজের সব স্তরের জনগণকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রশাসন সবাইকে নিয়ে কাজ করবে। ২০. সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহ জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। ২১. জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসন ওয়ার্ডভিত্তিক তালিকা প্রণয়ন করে দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ করবেন। ২২. সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী যেমন: কৃষি শ্রমিক, দিনমজুর, রিকশা/ভ্যানচালক, পরিবহন শ্রমিক, ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, পথশিশু, স্বামী পরিত্যক্তা/বিধবা নারী এবং হিজড়া সম্প্রদায়ের প্রতি বিশেষ নজর রাখাসহ ত্রাণ সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। ২৩. প্রবীণ নাগরিক ও শিশুদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ২৪. দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি (এসওডি) যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সব সরকারি কর্মচারী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। ২৫. নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের উৎপাদন, সরবরাহ ও নিয়মিত বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া মনিটরিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ২৬. আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত পণ্য ক্রয় করবেন না। খাদ্যশস্যসহ প্রয়োজনীয় সব পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ২৭. কৃষকগণ নিয়মিত চাষাবাদ চালিয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে সরকারি প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে। ২৮. সব শিল্প মালিক, ব্যবসায়ী ও ব্যক্তি পর্যায়ে নিজ নিজ শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং বাড়িঘর পরিষ্কার রাখবেন। ২৯. শিল্প মালিকগণ শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে উৎপাদন অব্যাহত রাখবেন। ৩০. গণমাধ্যম কর্মীরা জনসচেতনতা সৃষ্টিতে যথাযথ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের গুজব ও অসত্য তথ্য যাতে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। ৩১. গুজব রটানো বন্ধ করতে হবে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে নানা গুজব রটানো হচ্ছে। গুজবে কান দেবেন না এবং গুজবে বিচলিত হবেন না।

মনে রাখা দরকার করোনাভাইরাস প্রতিরোধে শেখ হাসিনা সরকার আন্তরিক বলেই, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন মুজিববর্ষের প্রথম দিন ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাইরের দেশ থেকে আসা এয়ারলাইনসের যোগাযোগ মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ক্রমান্বয়ে শূন্যে নেমে এসেছে। যারা বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন তাদের জন্য পরিচ্ছন্ন পরিবেশে কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থাদি সম্পন্ন হয়েছে। ২৫ মার্চ থেকে সেনাবাহিনী মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে। ২৬ মার্চ থেকে সকল প্রতিষ্ঠানের ছুটি ঘোষণা করে গৃহে অবস্থানের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। ডাক্তারদের পিপিই দেয়া হয়েছে, টেস্ট কিট এসেছে। প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন উপজেলা পর্যায় থেকে এক হাজার টেস্টের নির্দেশ দিয়েছেন। বড় বড় কোম্পানিগুলো সরকারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। বসুন্ধরা অস্থায়ী হাসপাতাল বানিয়ে দিচ্ছে, বেক্সিমকো, স্কয়ার, আকিজের মতো বড় বড় কোম্পানি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

অন্যদিকে বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের উদ্যোগে স্যানিটাইজার তৈরি করে জনগণের কাছে বিলিয়ে দিচ্ছে। বড় বড় কোম্পানি করোনা দুর্যোগে মাস্ক ও পিপিই তৈরি করে দেশের চাহিদা মেটাচ্ছে। ইতোমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশের প্রায় ২০টি করোনা-পরীক্ষা কেন্দ্র নির্দিষ্ট করা হয়েছে। যেখানে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার ব্যক্তির করোনা টেস্ট সম্ভব। এভাবে সরকারি ব্যবস্থাপনা ও বেসরকারি উদ্যোগের মহতী আয়োজনের মধ্যে করোনা প্রতিরোধে গুজবের বার্তা প্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। ছুটিতে গৃহে অবস্থান করে সরকারকে সহযোগিতা করাও জরুরি।

কারণ কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের মধ্য দিয়ে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব। এই রোগে মৃত্যুহার মাত্র ৫.২৩ শতাংশ। আক্রান্ত হলেই মৃত্যু হবে এ ধরনের ভাবনা ঠিক না। এ জন্য অপপ্রচার ও গুজবে কান না দিয়ে বরং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে চললে করোনা-দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। ভারতবর্ষ তথা বাংলাদেশে ছোঁয়াচে রোগের প্রাদুর্ভাব অতীতেও হয়েছে। বিশেষত ১৯১৮ সালে ব্রিটিশ ভারতে স্প্যানিশ ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে এক কোটি সত্তর লক্ষেরও বেশি মানুষের অপমৃত্যু হয়েছিল। সে সময় ব্রিটিশ শাসকরা ১৬৬৫ সালের লন্ডন প্লেগের অভিজ্ঞতার আলোকে এদেশেও কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন করে রোগের সংক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল।

তার আগে অবশ্য ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ইতালিতে ‘ব্ল্যাক ডেথ’ বা প্লেগের মহামারিতে কোয়ারেন্টাইনের প্রচলন করা হয়। সেটি ছিল ৪০ দিনের। ব্রিটিশরা ইউরোপের মহামারি মোকাবিলার পদ্ধতি অনুসরণ করায় উনিশ শতকে সংবাদপত্রও মানুষকে সচেতন করতে ভূমিকা রেখেছিল। ‘কেউ বাইরে বেরোবেন না। ঘরে থাকুন। অন্যজনের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকুন’- এই আহ্বান জানানোর মধ্য দিয়ে তখন পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হয়েছিল।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বান ও তার দেয়া নির্দেশনা পালন করা আমাদের জীবন রক্ষার জন্য অত্যাবশ্যক। এ জন্য তার প্রতিটি নির্দেশনা ও সতর্কতা পালনে মানুষকে বাধ্য করাও দরকার।

লেখক : বিশিষ্ট লেখক, কবি, কলামিস্ট
সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম
এবং অধ্যাপক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

এইচআর/বিএ/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৩,১৫,৩৬,৮৮৯
আক্রান্ত

৯,৭০,৩৪০
মৃত

২,৩১,৫২,৭৯৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৫২,১৭৮ ৫,০০৭ ২,৬০,৭৯০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭০,৫১,৫৬৪ ২,০৪,৫৭৭ ৪৩,০০,৮১৩
ভারত ৫৫,৭৪,০৯৬ ৮৯,০৬৮ ৪৫,০৩,৯৭৬
ব্রাজিল ৪৫,৬০,০৮৩ ১,৩৭,৩৫০ ৩৮,৮৭,১৯৯
রাশিয়া ১১,১৫,৮১০ ১৯,৬৪৯ ৯,১৭,৯৪৯
পেরু ৭,৭২,৮৯৬ ৩১,৪৭৪ ৬,২২,৪১৮
কলম্বিয়া ৭,৭০,৪৩৫ ২৪,৩৯৭ ৬,৪০,৯০০
মেক্সিকো ৭,০০,৫৮০ ৭৩,৬৯৭ ৫,০২,৯৮২
স্পেন ৬,৭১,৪৬৮ ৩০,৬৬৩ ১,৯৬,৯৫৮
১০ দক্ষিণ আফ্রিকা ৬,৬১,৯৩৬ ১৫,৯৯২ ৫,৯১,২০৮
১১ আর্জেন্টিনা ৬,৪০,১৪৭ ১৩,৪৮২ ৫,০৮,৫৬৩
১২ ফ্রান্স ৪,৫৮,০৬১ ৩১,৩৩৮ ৯৩,০০৮
১৩ চিলি ৪,৪৭,৪৬৮ ১২,২৯৮ ৪,২১,১১১
১৪ ইরান ৪,২৯,১৯৩ ২৪,৬৫৬ ৩,৬৩,৭৩৭
১৫ যুক্তরাজ্য ৩,৯৮,৬২৫ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৬ সৌদি আরব ৩,৩০,৭৯৮ ৪,৫৪২ ৩,১২,৬৮৪
১৭ ইরাক ৩,২২,৮৫৬ ৮,৬২৫ ২,৫৮,০৭৫
১৮ পাকিস্তান ৩,০৬,৮৮৬ ৬,৪২৪ ২,৯৩,১৫৯
১৯ তুরস্ক ৩,০৪,৬১০ ৭,৫৭৪ ২,৬৮,৪৩৫
২০ ইতালি ২,৯৯,৫০৬ ৩৫,৭২৪ ২,১৮,৭০৩
২১ ফিলিপাইন ২,৯১,৭৮৯ ৫,০৪৯ ২,৩০,৬৪৩
২২ জার্মানি ২,৭৬,১৩৫ ৯,৪৮৫ ২,৪৬,৩০০
২৩ ইন্দোনেশিয়া ২,৫২,৯২৩ ৯,৮৩৭ ১,৮৪,২৯৮
২৪ ইসরায়েল ১,৯৩,৩৭৪ ১,২৮৫ ১,৪০,৭৫১
২৫ ইউক্রেন ১,৮১,২৩৭ ৩,৬৪২ ৭৯,৯০১
২৬ কানাডা ১,৪৫,৪১৮ ৯,২২৮ ১,২৫,৫৩৯
২৭ বলিভিয়া ১,৩০,৯৮৬ ৭,৬৫৪ ৯০,২৪০
২৮ ইকুয়েডর ১,২৬,৭১১ ১১,০৯৫ ১,০২,৮৫২
২৯ কাতার ১,২৩,৯১৭ ২১১ ১,২০,৭৬৬
৩০ রোমানিয়া ১,১৪,৬৪৮ ৪,৫০৩ ৯২,১৬৯
৩১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,০৮,৭৮৩ ২,০৫৪ ৮২,২৭৪
৩২ কাজাখস্তান ১,০৭,৩৭৪ ১,৬৭১ ১,০২,০৬৪
৩৩ পানামা ১,০৬,৮১০ ২,২৭২ ৮২,৩২০
৩৪ বেলজিয়াম ১,০৩,৩৯২ ৯,৯৯৬ ১৮,৯৭৭
৩৫ মরক্কো ১,০৩,১১৯ ১,৮৫৫ ৮৪,১৫৮
৩৬ মিসর ১,০২,১৪১ ৫,৭৮৭ ৯০,৩৩২
৩৭ কুয়েত ১,০০,৬৮৩ ৫৮৮ ৯১,৬১২
৩৮ নেদারল্যান্ডস ৯৮,২৪০ ৬,২৯১ ২৫০
৩৯ ওমান ৯৪,৭১১ ৮৬৫ ৮৬,১৯৫
৪০ সুইডেন ৮৯,৪৩৬ ৫,৮৭০ ৪,৯৭১
৪১ গুয়াতেমালা ৮৫,৬৮১ ৩,১২৪ ৭৫,১৭২
৪২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৮৫,৫৯৫ ৪০৫ ৭৫,০৮৬
৪৩ চীন ৮৫,২৯৭ ৪,৬৩৪ ৮০,৪৯৭
৪৪ পোল্যান্ড ৮০,৬৯৯ ২,৩১৬ ৬৪,৯৭২
৪৫ জাপান ৭৯,১৪০ ১,৫০০ ৭১,৪০৪
৪৬ বেলারুশ ৭৬,১০৪ ৭৯১ ৭৩,৩৮৬
৪৭ হন্ডুরাস ৭২,০৭৫ ২,২০৪ ২২,৬১১
৪৮ ইথিওপিয়া ৬৯,৭০৯ ১,১০৮ ২৮,৬৩৪
৪৯ পর্তুগাল ৬৯,৬৬৩ ১,৯২৫ ৪৫,৯৭৪
৫০ ভেনেজুয়েলা ৬৭,৪৪৩ ৫৫৫ ৫৬,৭২৬
৫১ নেপাল ৬৬,৬৩২ ৪২৯ ৪৮,০৬১
৫২ বাহরাইন ৬৫,৭৫২ ২২৬ ৫৮,৬২৬
৫৩ কোস্টারিকা ৬৫,৬০২ ৭৪৫ ২৫,১২৭
৫৪ সিঙ্গাপুর ৫৭,৬২৭ ২৭ ৫৭,২৪১
৫৫ নাইজেরিয়া ৫৭,৪৩৭ ১,১০০ ৪৮,৬৭৪
৫৬ উজবেকিস্তান ৫২,৪৯১ ৪৪০ ৪৮,৬০৬
৫৭ চেক প্রজাতন্ত্র ৫০,৭৬৪ ৫২২ ২৫,৪২৫
৫৮ সুইজারল্যান্ড ৫০,৬৬৪ ২,০৫৪ ৪১,৮০০
৫৯ আলজেরিয়া ৫০,০২৩ ১,৬৭৯ ৩৫,১৮০
৬০ আর্মেনিয়া ৪৭,৬৬৭ ৯৩৮ ৪২,৬৭৬
৬১ মলদোভা ৪৬,৭৯৬ ১,২১১ ৩৫,০১৮
৬২ ঘানা ৪৬,০৬২ ২৯৭ ৪৫,২৫৮
৬৩ কিরগিজস্তান ৪৫,৫৪২ ১,৪৯৮ ৪১,৭৯৬
৬৪ আজারবাইজান ৩৯,৩৭৮ ৫৭৮ ৩৬,৯৪৯
৬৫ অস্ট্রিয়া ৩৯,৩০৩ ৭৭১ ৩০,৩১২
৬৬ আফগানিস্তান ৩৯,০৯৬ ১,৪৪৫ ৩২,৫৭৬
৬৭ কেনিয়া ৩৭,০৭৯ ৬৫০ ২৩,৯৪৯
৬৮ ফিলিস্তিন ৩৬,৫৮০ ২৬৯ ২৫,৪৬৯
৬৯ প্যারাগুয়ে ৩৪,২৬০ ৬৭৬ ১৮,৬২৯
৭০ আয়ারল্যান্ড ৩৩,১২১ ১,৭৯২ ২৩,৩৬৪
৭১ সার্বিয়া ৩২,৯৯৯ ৭৪৩ ৩১,৫৩৬
৭২ লেবানন ২৯,৯৮৭ ৩০৭ ১২,৫০৭
৭৩ লিবিয়া ২৯,৪৪৬ ৪৬০ ১৫,৯১৩
৭৪ এল সালভাদর ২৭,৭৯৮ ৮১৪ ২১,৭৯৫
৭৫ অস্ট্রেলিয়া ২৬,৯৪২ ৮৫৪ ২৪,২১৮
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২৫,৭৩৭ ৭৭৮ ১৮,৩৫৯
৭৭ ডেনমার্ক ২৩,৭৯৯ ৬৪১ ১৮,০৩৫
৭৮ দক্ষিণ কোরিয়া ২৩,১০৬ ৩৮৮ ২০,৪৪১
৭৯ ক্যামেরুন ২০,৫৯৮ ৪১৬ ১৯,১২৪
৮০ হাঙ্গেরি ১৯,৪৯৯ ৬৯৪ ৪,৫৫৯
৮১ আইভরি কোস্ট ১৯,৩২৭ ১২০ ১৮,৬৩০
৮২ বুলগেরিয়া ১৯,০১৪ ৭৬৫ ১৩,৭২৭
৮৩ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১৬,৮৬৭ ৭০৫ ১৪,০৮৪
৮৪ মাদাগাস্কার ১৬,১৩৬ ২২৬ ১৪,৭৪৩
৮৫ গ্রীস ১৫,৫৯৫ ৩৪৪ ৯,৯৮৯
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ১৫,১৩৬ ২৫৫ ১২,৯৮৭
৮৭ সেনেগাল ১৪,৭৫৯ ৩০২ ১১,৬২১
৮৮ জাম্বিয়া ১৪,৩৮৯ ৩৩১ ১৩,৬২৯
৮৯ সুদান ১৩,৫৫৫ ৮৩৬ ৬,৭৬০
৯০ নরওয়ে ১৩,০০৫ ২৬৭ ১০,৩৭১
৯১ আলবেনিয়া ১২,৫৩৫ ৩৬৪ ৬,৯৯৫
৯২ তিউনিশিয়া ১১,২৬০ ১৬৪ ২,৩৮৬
৯৩ নামিবিয়া ১০,৫২৬ ১১৩ ৮,১১২
৯৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১০,৫২৩ ২৭১ ১০,০১১
৯৫ মালয়েশিয়া ১০,৩৫৮ ১৩০ ৯,৫৬৩
৯৬ গিনি ১০,৩৪৪ ৬৫ ৯,৭৫৭
৯৭ মালদ্বীপ ৯,৭৭০ ৩৪ ৮,৩৯০
৯৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৯,৭১২ ৬৫ ৯,৩৭৩
৯৯ তাজিকিস্তান ৯,৪৩২ ৭৩ ৮,১৯৯
১০০ ফিনল্যাণ্ড ৯,১৯৫ ৩৪১ ৭,৭০০
১০১ মন্টিনিগ্রো ৮,৮৪২ ১৩৮ ৫,৪২৫
১০২ গ্যাবন ৮,৭০৪ ৫৪ ৭,৮৭৫
১০৩ হাইতি ৮,৬৩৩ ২২৩ ৬,৪৮২
১০৪ লুক্সেমবার্গ ৭,৯২৮ ১২৪ ৭,১৪০
১০৫ জিম্বাবুয়ে ৭,৬৮৩ ২২৫ ৫,৯২৪
১০৬ মৌরিতানিয়া ৭,৩৮৪ ১৬১ ৬,৯৭৭
১০৭ স্লোভাকিয়া ৬,৯৩১ ৪০ ৩,৬৬৮
১০৮ মোজাম্বিক ৬,৯১২ ৪৪ ৩,৭৩৮
১০৯ মায়ানমার ৬,৭৪৩ ১১৫ ১,৯৫১
১১০ উগান্ডা ৬,৭১২ ৬৪ ২,৭৭৮
১১১ মালাউই ৫,৭৩৩ ১৭৯ ৪,০৫৩
১১২ জিবুতি ৫,৪০৪ ৬১ ৫,৩৩৬
১১৩ ইসওয়াতিনি ৫,২৮২ ১০৪ ৪,৬৪৭
১১৪ কেপ ভার্দে ৫,২৮১ ৫২ ৪,৬৭৪
১১৫ জ্যামাইকা ৫,১৪৩ ৭০ ১,৪০৭
১১৬ কিউবা ৫,১৪১ ১১৬ ৪,৪৬২
১১৭ হংকং ৫,০৪৭ ১০৩ ৪,৭১৭
১১৮ জর্ডান ৫,০৪৫ ৩২ ৩,৫২৭
১১৯ কঙ্গো ৫,০০২ ১১৪ ৩,৮৮৭
১২০ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০০২ ৮৩ ৪,৫০৯
১২১ নিকারাগুয়া ৪,৯৬১ ১৪৭ ২,৯১৩
১২২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৭৮৬ ৬২ ১,৮৩০
১২৩ সুরিনাম ৪,৭৪০ ৯৭ ৪,৫২৫
১২৪ রুয়ান্ডা ৪,৭২২ ২৭ ২,৯৭৩
১২৫ স্লোভেনিয়া ৪,৫৫৮ ১৪২ ৩,০৪৮
১২৬ অ্যাঙ্গোলা ৪,১১৭ ১৫৪ ১,৪৪৯
১২৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৩,৯৪৫ ৬৫ ১,৮০২
১২৮ জর্জিয়া ৩,৯১৩ ২৩ ১,৫৭৪
১২৯ লিথুনিয়া ৩,৮৫৯ ৮৭ ২,২২৫
১৩০ সিরিয়া ৩,৮৩৩ ১৭৫ ৯৬৩
১৩১ আরুবা ৩,৫৮৭ ২৪ ২,৩৬৯
১৩২ মায়োত্তে ৩,৫৪১ ৪০ ২,৯৬৪
১৩৩ গাম্বিয়া ৩,৫২৬ ১০৮ ১,৯৯২
১৩৪ থাইল্যান্ড ৩,৫১১ ৫৯ ৩,৩৪৩
১৩৫ সোমালিয়া ৩,৪৬৫ ৯৮ ২,৮৭৭
১৩৬ গুয়াদেলৌপ ৩,৪২৬ ২৬ ৮৩৭
১৩৭ বাহামা ৩,৪১৮ ৭৫ ১,৭৭১
১৩৮ রিইউনিয়ন ৩,৪১৫ ১৫ ২,৪৮২
১৩৯ শ্রীলংকা ৩,২৯৯ ১৩ ৩,১১৮
১৪০ মালি ৩,০২৪ ১২৮ ২,৩৭৭
১৪১ এস্তোনিয়া ২,৯৭৬ ৬৯ ২,৩৮৫
১৪২ মালটা ২,৮১৪ ২৩ ২,১১৩
১৪৩ দক্ষিণ সুদান ২,৬৪৯ ৪৯ ১,২৯০
১৪৪ বতসোয়ানা ২,৫৬৭ ১৩ ৬২৪
১৪৫ আইসল্যান্ড ২,৪১৯ ১০ ২,১৩০
১৪৬ গায়ানা ২,৪০২ ৬৫ ১,৩৫৯
১৪৭ গিনি বিসাউ ২,৩০৩ ৩৯ ১,১২৭
১৪৮ বেনিন ২,২৯৪ ৪০ ১,৯৫৪
১৪৯ সিয়েরা লিওন ২,১৬৮ ৭২ ১,৬৫০
১৫০ ইয়েমেন ২,০২৮ ৫৮৬ ১,২৩৫
১৫১ উরুগুয়ে ১,৯২৭ ৪৬ ১,৬৩৪
১৫২ বুর্কিনা ফাঁসো ১,৮৯৬ ৫৬ ১,১৮৯
১৫৩ নিউজিল্যান্ড ১,৮১৫ ২৫ ১,৭২৯
১৫৪ এনডোরা ১,৬৮১ ৫৩ ১,১৯৯
১৫৫ টোগো ১,৬৬৯ ৪১ ১,২৭৪
১৫৬ বেলিজ ১,৬৩৫ ২১ ৯৬৭
১৫৭ সাইপ্রাস ১,৬০৩ ২২ ১,৩৬৯
১৫৮ লাটভিয়া ১,৫৬০ ৩৬ ১,২৪৮
১৫৯ লেসোথো ১,৪২৪ ৩৩ ৭৫৪
১৬০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১,৩৯৪ ১,১৭০
১৬১ লাইবেরিয়া ১,৩৩৬ ৮২ ১,২১৮
১৬২ নাইজার ১,১৮৯ ৬৯ ১,১০৪
১৬৩ চাদ ১,১৫৩ ৮১ ৯৬৭
১৬৪ মার্টিনিক ১,১২২ ১৮ ৯৮
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,০৬৮ ৩৫ ৯৫৭
১৬৬ সান ম্যারিনো ৭৩৫ ৪৫ ৬৬৯
১৬৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৬৮ ৫৭২
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬৫২ ৪৮ ৫৭৫
১৭০ সিন্ট মার্টেন ৫৯১ ২০ ৫০৫
১৭১ পাপুয়া নিউ গিনি ৫১৭ ২৩২
১৭২ তাইওয়ান ৫০৯ ৪৭৯
১৭৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৪ বুরুন্ডি ৪৭৪ ৪৬২
১৭৫ কমোরস ৪৭০ ৪৫০
১৭৬ ফারে আইল্যান্ড ৪৪৮ ৪১৪
১৭৭ মরিশাস ৩৬৬ ১০ ৩৩৮
১৭৮ ইরিত্রিয়া ৩৬৪ ৩০৫
১৭৯ জিব্রাল্টার ৩৫৫ ৩২৩
১৮০ আইল অফ ম্যান ৩৪০ ২৪ ৩১২
১৮১ সেন্ট মার্টিন ৩৩০ ২০৬
১৮২ মঙ্গোলিয়া ৩১৩ ৩০২
১৮৩ কিউরাসাও ২৮২ ১০২
১৮৪ কম্বোডিয়া ২৭৫ ২৭৪
১৮৫ ভুটান ২৬১ ১৯৪
১৮৬ কেম্যান আইল্যান্ড ২০৯ ২০৪
১৮৭ মোনাকো ১৯৫ ১৫৯
১৮৮ বার্বাডোস ১৮৯ ১৭৩
১৮৯ বারমুডা ১৮০ ১৬৬
১৯০ ব্রুনাই ১৪৫ ১৪২
১৯১ সিসিলি ১৪৩ ১৩৬
১৯২ লিচেনস্টেইন ১১৪ ১১০
১৯৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯৬ ৯২
১৯৪ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৬৯ ৪৮
১৯৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৪ ৬৪
১৯৬ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৫৪ ১৮
১৯৭ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৮ ফিজি ৩২ ২৮
১৯৯ সেন্ট লুসিয়া ২৭ ২৬
২০০ পূর্ব তিমুর ২৭ ২৭
২০১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৬ ২৬
২০২ ডোমিনিকা ২৪ ১৮
২০৩ গ্রেনাডা ২৪ ২৪
২০৪ লাওস ২৩ ২২
২০৫ সেন্ট বারথেলিমি ২৩ ১৬
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৭
২০৭ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৮ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১০ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১১
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]