দিন দিন প্রতিদিন

ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
প্রকাশিত: ১১:০২ পিএম, ২৫ জুন ২০২০

১.

চীন থেকে বিশেষজ্ঞদের একটা দল আমাদের দেশে করোনা সংক্রমণ বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য এসেছিল। খবরে দেখলাম তারা ফিরে যাওয়ার সময় এদেশের মানুষের সচেতনতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে গেছে! তবে এটা জানার জন্য অবশ্য চীনা বিশেষজ্ঞের দরকার নেই, আমরা চোখ খুলে তাকালে নিজেরাই দেখতে পাই। এজন্য অবশ্য সাধারণ মানুষদের দোষ দিয়ে লাভ নেই- এই দেশটি তো আর চীন হয়ে যায়নি যে মানুষজন ঘরে বসে থাকলেও তাদের জন্য দুই বেলা খাবার চলে আসবে। বেশিরভাগ মানুষের জন্যই হয়তো সামাজিক দূরত্ব এক ধরনের বিলাসিতা, এই বাস্তবতাটুকু মেনে নিয়েই আমাদের এগোতে হবে। ভাগ্যিস পরামর্শ দেওয়ার জন্য চীনা বিশেষজ্ঞরা আমেরিকা যায়নি তাহলে তারা নিশ্চয়ই হতাশায় মাথা চাপড়াতো! করোনার সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য এখন পর্যন্ত তিনটি পদ্ধতিকে কাজ করতে দেখা গেছে। একটি হচ্ছে মুখে মাস্ক পরা, আরেকটি হচ্ছে একজন থেকে আরেকজন দূরে দূরে থাকা এবং শেষটি হচ্ছে আবদ্ধ ঘরে একসাথে অনেক মানুষ লম্বা সময় ধরে না থাকা। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচার শুরু করার জন্য একসাথে এই তিনটি নিয়ম ভঙ্গ করে গণজমায়েত করেছেন। মজার ব্যাপার হচ্ছে জেনেশুনে যে মানুষগুলো এই বিপদের মুখোমুখি হতে এসেছে তাদের সবাইকে একটা কাগজে সাইন করতে হয়েছে যে, এই গণজমায়েতে হাজির হওয়ার কারণে তাদের যদি কোনো রোগ বালাই হয় তার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়ী না। রসিকতা আর কাকে বলে!

তবে বিচিত্র কাজকর্মের ব্যাপারে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমাদের দেশকে টেক্কা দেওয়া মুশকিল। ঠিক কী কারণ জানি না আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো আমাদের দেশকে হেয় করে খবর প্রকাশ করতে খুব পছন্দ করে। আম্পান ঘূর্ণিঝড়ের সময় রাতারাতি চব্বিশ লক্ষ মানুষকে তাদের গবাদিপশু-সহ নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার মতো বড় ঘটনা নিয়ে কাউকে উচ্চবাচ্য করতে দেখিনি, কিন্তু একজন রোহিঙ্গা শরণার্থীর একটু সর্দি-কাশি হলেই সেটি পৃথিবীর সকল সংবাদমাধ্যমে চলে আসবে! কাজেই মোটামুটি গ্যারান্টি দিয়ে বলা যায় ওলামা লীগের করোনা নিয়ে মানববন্ধনের খবরটি সম্ভবত অনেক গুরুত্ব দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করা হবে! তবে এই মানববন্ধনটি অন্য যেকোনো মানববন্ধন থেকে বেশী চমকপ্রদ। কারণ সেখানে ঘোষণা করা হয়েছে করোনা সংক্রমণ নিয়ে সরকারের সুরক্ষার সকল কার্যক্রম আসলে “কুফুরি”, এটি মোটেও মহামারী নয়, মহামারী হতে হলে প্রতি ঘন্টায় ২০ হাজার করে মানুষ মারা যেতে হবে, এক্ষুনি সকল প্রকার লকডাউন তুলে সবকিছু খুলে দিতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। (এই সংগঠনটি সম্পর্কে আমি বেশি জানি না, তাদের ব্যানারে জয় বাংলা এবং জয় বঙ্গবন্ধু লেখা। একবার দেশের বাইরে থেকে দেশের খবর পড়তে গিয়ে আবিষ্কার করেছিলাম ওলামা লীগ আমার ফাঁসি চেয়ে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করছে! আমি কি অপরাধ করেছিলাম সেটি এখনো জানি না।)। খবরে দেখেছি দেশে মহামারীর সময় এ ধরনের আচরণ আইন বিরোধী, সুস্পষ্টভাবে আইন ভাঙার পরও তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে খবর পাইনি।

তবে কুরুচিপূর্ণ স্ট্যাটাস দেওয়ার জন্য ডানে-বামে ঢালাওভাবে ডিজিটাল আইনে সবাইকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এতো তুচ্ছ কারণে একজনকে গ্রেপ্তার করে ফেলা যায় সেটা নিজের চোখে দেখেও বিশ্বাস হতে চায় না। আমি যখন প্রথমবার ডিজিটাল আইনটা দেখেছিলাম তখনই আমার মনে হয়েছিল এটি খুবই বিপদজনক একটা আইন, কারণ এটা ব্যবহার করে যখন ইচ্ছা যাকে খুশি তাকে গ্রেপ্তার করে ফেলা যাবে। ঠিক কতোটুকু বলা হলে একটা বক্তব্য কুরুচিপূর্ণ এবং কতোটুকু বলা হলে সেটি গ্রহণযোগ্য সেগুলো কোথাও লেখা নেই তাই একজনকে গ্রেপ্তার করা হবে কী হবে না সেটা পুরোপুরি নির্ভর করছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যক্তিগত ইচ্ছার উপর। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের ভেতর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাও আছে, যৌন হয়রানি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা পার পেয়ে যান কিন্তু কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের জন্য একজনকে গ্রেপ্তার হয়ে হাজতে থাকতে হয় আমি সেই হিসাবটা মিলাতে পারি না। যারা গ্রেপ্তার হয়েছে তার ভেতরে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আমার একজন প্রাক্তন ছাত্রও আছে। আমি যতদূর জানি আমার এই প্রাক্তন ছাত্রটি ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের একজন নেতা ছিল, হঠাৎ করে সে কী কারণে গ্রেপ্তার হয়েছে আমি জানি না। এগুলো জানতে হলে সোশ্যাল মিডিয়া ঘাটাঘাটি করতে হয় কিন্তু আমি নীতিগতভাবে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকি তাই সবকিছু জানতে পারি না। শুধু অনুভব করতে পারি কোথায় জানি অনেক বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে।

তবে এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না যে সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের দেশের মানুষের ভেতরে একটা মৌলিক পরিবর্তন করে ফেলেছে। একটা সময় ছিল যখন মানুষজন অশালীন কিংবা কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রকাশ্যে উচ্চারণ করতো না। কীভাবে কীভাবে জানি সেই অবস্থাটা পাল্টে গেছে। এখন একজন অবলীলায় সোশ্যাল নেটওয়ার্কে অশ্রাব্য অশালীন কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রকাশ করে ফেলে এবং সাথে সাথে অন্যরা সেটাতে “লাইক” এবং “শেয়ার” নামে অতি বিচিত্র আরো দুটো প্রক্রিয়া ঘটিয়ে তাকে উৎসাহ দেয়। মানুষের চরিত্রের সবচেয়ে দুর্বল অংশটুকুতে সুড়সুড়ি দিয়ে তাকে পাল্টে দেয়া হয়, সে আর স্বাভাবিকভাবে নিজেকে প্রকাশ করতে পারে না। একসময় মানুষ লেখালেখি করত এখন “স্ট্যাটাস” দেয়। যে কথাটি বললে মানুষ বেশী “লাইক” দেবে ঘুরেফিরে সেই কথাটিই বলে। শুধু যে নিয়ন্ত্রনহীন অশ্রাব্য অশ্লীলতা সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘটছে তা নয়, সম্ভ্রান্ত খবরের কাগজে খবর এর পেছনে “কমেন্ট” দেওয়ার বেলাতেও মানুষের কোন বাছবিচার নেই। সংবাদপত্রগুলো দায়িত্বহীনের মত পাঠকদের অমার্জিত কথা বলার সুযোগ করে দেয়। আমি সযত্নে সেগুলো এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি, তারপরেও হঠাৎ চোখ পড়ে গেলে শিউরে উঠি, গা ঘিন ঘিন করতে থাকে। আমাদের দেশের মানুষ কেমন করে এতো অমার্জিত, এতো অভব্য হয়ে গেল?

বিষয়টি জটিল। করোনার যন্ত্রণা শেষ হয়ে গেলে আমাদের একটা নুতন আন্দোলন শুরু করতে হবে যেখানে সবাইকে বোঝাতে হবে, অমার্জিত, অভব্য, অশালীন কথা বলে আরো কিছু অশালীন মানুষের বাহাবা পাওয়াটি আধুনিকতা নয়, সুন্দর করে মিষ্টি কথা বলা হচ্ছে সত্যিকারে আধুনিকতা।

২.

বেশ কিছুদিন আগে আমি একটা লেখা লিখেছিলাম স্কুলের ছেলে-মেয়েদের পরীক্ষা নিয়ে। আমাদের দেশের পুরো লেখাপড়াটাই হয়ে গেছে পরীক্ষা কেন্দ্রিক অথচ পৃথিবীতে অনেক দেশ আছে যেখানে প্রথম পাবলিক পরীক্ষা নেয়া হয় ১৬ বছর বয়সে। আমাদের ছেলেমেয়েদের আমরা পরীক্ষার পর পরীক্ষা নিয়ে জর্জরিত করে রাখি কিন্তু দিন শেষে আমরা যখন যাচাই করতে যাই তারা কতোটুকু শিখেছে তখন দেখতে পাই মূল বিষয়গুলোই তারা ঠিকভাবে শেখেনি। সেই লেখায় আমি অনেকটা কৌতুকের সাথে জিজ্ঞেস করেছিলাম, পরীক্ষা নিয়ে লেখাপড়া করিয়ে যদি আমরা তাদের ঠিকভাবে শেখাতে না পেরে থাকি তাহলে পরীক্ষা ছাড়া লেখাপড়া করিয়ে দেখলে কেমন হয়? খুব তো খারাপ কিছু হওয়ার কথা নয়, অন্ততপক্ষে ছেলে মেয়েদের জীবন তো একটুখানি আনন্দময় হবে! বলাই বাহুল্য আমার বক্তব্য মোটেও বাস্তবমুখী ছিল না, কেউ সেটা সিরিয়াসলি নেবে আমি আশা করিনি। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা না নেওয়ার একটা প্রস্তাব বহুদিন থেকে আলোচনা করা হচ্ছে শেষ পর্যন্ত সেটা বাস্তবায়ন করা গেছে কীনা আমি সেটা এখনো জানি না।

আমি মোটেই এভাবে চাইনি, তারপরেও কোনো পরীক্ষা ছাড়া ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষা বছর কাটিয়ে দেবে—আমার সেই অবাস্তব প্রস্তাবটি হঠাৎ করে সত্যি সত্যি ঘটে যাবার একটি সম্ভাবনা (কিংবা আশংকা) তৈরি হয়েছে। করোনার কারণে দেশ এখনো আবদ্ধ, লকডাউন তুলে দেবার পর বেছে বেছে কিছু এলাকাকে রেড-জোন ঘোষণা করে আবার সেগুলো আবদ্ধ করে ফেলা হচ্ছে। অনেক কিছু খুলে গেছে কিন্তু স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ৬ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ। সত্যি সত্যি ৬ আগস্টের ভেতর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে ফেলার মত অবস্থা হলে আমাদের আনন্দের সীমা থাকবে না। কিন্তু এখন পর্যন্ত যে অবস্থা, ৬ আগস্ট সত্যি সত্যি আমরা সব স্কুল কলেজ খুলে দিতে পারব কিনা কেউ সেটা এখনো জানে না। কাজেই এমনটি হতেও পারে যে, ছেলেমেয়েদের স্কুলে নিতে নিতে আরো সময় লেগে যাবে, দেখা যাবে তখন পরীক্ষা নেওয়ার মতো সময় হাতে নেই। তখন অন্য কোনোভাবে তাদের যাচাই করে উপরের ক্লাসে তুলে দেওয়াটাই সম্ভবত একমাত্র গ্রহণযোগ্য সমাধান হবে।

আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নিয়েছি কিন্তু শিক্ষকদের সাথে এখনো যোগাযোগ আছে। মাঝে মাঝেই তাদের কাছ থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার খবর নেওয়ার চেষ্টা করি। মনে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েরা অনলাইন লেখাপড়ায় খুব উৎসাহী নয়। তাদের নানা ধরনের যুক্তি আছে, কিছু দায়সারা কিছু সত্যি। বড় শহরে ইন্টারনেট সার্ভিস কাজ চলে যাবার মতো হলেও মফস্বলে সেটা সেরকম নির্ভরযোগ্য নয়। আমার একজন ছাত্রের (পরবর্তীতে সহকর্মী) বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগ নেই বলে সে নিজের পকেটের টাকা খরচ করে ২.৫ কিলোমিটারের ফাইবার টেনে নিয়ে গেছে! সবাই তার মত করিৎকর্মা হবে সেটি আশা করা যায় না। কাজেই ছাত্রছাত্রীরা যদি সেটা নিয়ে অভিযোগ করে কিংবা খরচের অজুহাত দেয় সেটা উড়িয়ে দেয়া যায় না। আমাদের শিক্ষামন্ত্রী সংসদে বলেছেন, সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হচ্ছে। আমি খুবই আগ্রহ নিয়ে সেটার জন্য অপেক্ষা করছি। রাষ্ট্রীয় একটা সমাধান করা হলে তখন ছাত্র-ছাত্রীদের সেটা ব্যবহার করতে আগ্রহী করা যায়। জোর করে কিছু একটা চাপিয়ে দেওয়া হলে সেটা সব সময় কাজ করে না!

৩.

অনেকদিন থেকে লকডাউনে আটকা পড়ে আছি। প্রথমদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে সেরকম কাউকে চিনতাম না। এখন ধীরে ধীরে অনেক পরিচিত মানুষজনকে করোনায় আক্রান্ত হতে দেখছি, শুধু একজন নয় বেশিরভাগ সময়েই স্ত্রী-পুত্র সন্তানদের নিয়ে পুরো পরিবার। তবে আশার কথা তাদের বেশির ভাগের মাঝেই কোনো উপসর্গ নেই এবং দেখতে দেখতে সবাই ভালো হয়ে যাচ্ছেন।

তবে তার ভেতরেও মাঝে মাঝে মন খারাপ করা খবরও পাই, প্রিয় এবং পরিচিত কেউ কেউ পৃথিবী থেকে বিদায় নিছেন। সেরকম একজন হচ্ছেন মেয়র কামরান। আমি আমার জীবনের সবচেয়ে বেশি সময় কাটিয়েছি সিলেটে, একজন সিলেটে থাকবে আর মেয়র কামরানের সাথে পরিচয় থাকবে না সেটা তো হতে পারে না। তাই মেয়র কামরানের মৃত্যুটি আমাকে বিষন্ন করে তুলেছে। একটা ঘটনার কথা আমার মনে আছে, তখন বি.এন.পির আমল। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরেরা হঠাৎ করে কাজ করা বন্ধ করে দিল, আর ঠিক তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সাথে রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের একধরনের গোলমাল শুরু হয়েছে। তখন কথা নেই বার্তা নেই পুলিশ এসে গুলি করে আমাদের একজন ছাত্রকে মেরে ফেলল। স্বাভাবিকভাবেই সাথে সাথে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে, ক্ষিপ্ত ছাত্ররা এসে ভাইস-চ্যান্সেলরের বাসায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে, সব মিলিয়ে একটা ভয়ঙ্কর অবস্থা। পুরো ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা, উত্তেজিত মানুষের চিৎকার, হইচই, ছোটাছুটি। তার মাঝখানে আমি আর আমার স্ত্রী ছাত্রদের শান্ত করার চেষ্টা করছি। হঠাৎ আবিষ্কার করলাম দুজন কম বয়সী মানুষ আমার পিছনে পিছনে হাঁটছে, আমি যেখানে যাই তারাও পিছু পিছু সেখানে যায়। আমি একসময় একটু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “আপনারা কারা? কী চান?” তাদের একজন বলল, “আমাদের মেয়র কামরান পাঠিয়েছেন। এরকম গোলমালের সময় যে কোনো কিছু ঘটে যেতে পারে। আমাদের পাঠিয়েছেন আপনার সাথে সাথে থাকার জন্য, যেন এই গোলমালের সুযোগ নিয়ে আপনাকে কেউ কিছু করতে না পারে।” আমি অবাক হয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে রইলাম। আমার জন্য তাঁর এই ভালোবাসার প্রতিদানটুকু আমি তাঁকে কেমন করে দেব?

একইভাবে কামাল লোহানীও চলে গেলেন। শেষবার শিল্পকলা একাডেমির একটা অনুষ্ঠানে তাঁর সাথে দেখা হয়েছিল। মনে হয় তখন তাঁর দৃষ্টি নিয়ে একটু সমস্যা, দূর থেকে আমাকে চিনতে পারেননি। মঞ্চে যখন পাশাপাশি বসেছি তখন চিনতে পেরে আপনজনের মত আমার খোঁজ খবর নিলেন। এতো বড় একজন মানুষ, যিনি নিজেই একটি কিংবদন্তী, একটি ইতিহাস, তার পাশে বসে আন্তরিকভাবে কথা বলা আমার মত একজন মানুষে জন্য কত বড় সৌভাগ্যের একটা ব্যাপার। তিনিও চলে গেলেন—মনে হচ্ছে মাথার উপর থেকে একটি একটি করে ছায়া সরে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে বিশাল একটা প্রান্তরে এখন আমরা একা একা দাঁড়িয়ে আছি।

১৪ জুন, ২০২০

এইচআর/বিএ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৩,৩৭,৬৫,৫২৬
আক্রান্ত

১০,১০,২৪৬
মৃত

২,৫০,৪৯,৫১৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩,৬২,০৪৩ ৫,২১৯ ২,৭৩,৬৯৮
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭৩,৯৪,৪৪৮ ২,১০,৫৪৮ ৪৬,৪০,৬৬৩
ভারত ৬২,২৩,৫১৯ ৯৭,৫২৯ ৫১,৮৪,৬৩৪
ব্রাজিল ৪৭,৫৩,৪১০ ১,৪২,২৮০ ৪০,৮৪,১৮২
রাশিয়া ১১,৬৭,৮০৫ ২০,৫৪৫ ৯,৫২,৩৯৯
কলম্বিয়া ৮,১৮,২০৩ ২৫,৬৪১ ৭,২২,৫৩৬
পেরু ৮,০৮,৭১৪ ৩২,৩২৪ ৬,৭০,৯৮৯
স্পেন ৭,৫৮,১৭২ ৩১,৬১৪ ১,৯৬,৯৫৮
মেক্সিকো ৭,৩৩,৭১৭ ৭৬,৬০৩ ৫,২৭,২৭৮
১০ আর্জেন্টিনা ৭,২৩,১৩২ ১৬,১১৩ ৫,৭৬,৭১৫
১১ দক্ষিণ আফ্রিকা ৬,৭২,৫৭২ ১৬,৬৬৭ ৬,০৬,৫২০
১২ ফ্রান্স ৫,৫০,৬৯০ ৩১,৮৯৩ ৯৬,৩২৭
১৩ চিলি ৪,৬১,৩০০ ১২,৭২৫ ৪,৩৪,৭৯৪
১৪ ইরান ৪,৫৩,৬৩৭ ২৫,৯৮৬ ৩,৭৮,৭২৭
১৫ যুক্তরাজ্য ৪,৪৬,১৫৬ ৪৬,৭০৬ ৩৪৪
১৬ ইরাক ৩,৫৮,২৯০ ৯,১২২ ২,৮৮,৮১২
১৭ সৌদি আরব ৩,৩৪,১৮৭ ৪,৭৩৯ ৩,১৮,৫৪২
১৮ তুরস্ক ৩,১৭,২৭২ ৮,১৩০ ২,৭৮,৫০৪
১৯ ইতালি ৩,১৩,০১১ ৩৫,৮৭৫ ২,২৬,৫০৬
২০ পাকিস্তান ৩,১১,৫১৬ ৬,৪৭৪ ২,৯৬,৩৪০
২১ ফিলিপাইন ৩,০৯,৩০৩ ৫,৪৪৮ ২,৫২,৯৩০
২২ জার্মানি ২,৯০,৪৬৬ ৯,৫৫৬ ২,৫৪,২০০
২৩ ইন্দোনেশিয়া ২,৮২,৭২৪ ১০,৬০১ ২,১০,৪৩৭
২৪ ইসরায়েল ২,৩৫,৪৬৫ ১,৫২৩ ১,৬৭,৫৬৮
২৫ ইউক্রেন ২,০৪,৯৩২ ৪,০৬৫ ৯০,২৫০
২৬ কানাডা ১,৫৬,৮৫৬ ৯,২৯০ ১,৩৩,৫৯৮
২৭ ইকুয়েডর ১,৩৪,৯৬৫ ১১,২৮০ ১,১২,২৯৬
২৮ বলিভিয়া ১,৩৪,২২৩ ৭,৯০০ ৯৪,৩২৪
২৯ কাতার ১,২৫,৫৩৩ ২১৪ ১,২২,৪৪৮
৩০ রোমানিয়া ১,২৫,৪১৪ ৪,৭৯২ ১,০০,৬৩৬
৩১ মরক্কো ১,২১,১৮৩ ২,১৫২ ১,০০,২৫৩
৩২ নেদারল্যান্ডস ১,১৭,৫৫১ ৬,৩৯৩ ২৫০
৩৩ বেলজিয়াম ১,১৫,৩৫৩ ৯,৯৯৬ ১৯,৩০১
৩৪ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,১১,৯০০ ২,১০১ ৮৬,৯৯৮
৩৫ পানামা ১,১১,২৭৭ ২,৩৪৮ ৮৭,৬৯৫
৩৬ কাজাখস্তান ১,০৭,৮৩৩ ১,৬৯৯ ১,০২,৮০৫
৩৭ কুয়েত ১,০৪,৫৬৮ ৬০৭ ৯৬,০৪৯
৩৮ মিসর ১,০২,৯৫৫ ৫,৯০১ ৯৫,৫৮৬
৩৯ ওমান ৯৮,৫৮৫ ৯৩৫ ৮৮,৫২৮
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৯৩,০৯০ ৪১৬ ৮২,৫৩৮
৪১ সুইডেন ৯২,৪৬৬ ৫,৮৯০ ৪,৯৭১
৪২ গুয়াতেমালা ৯০,৯৬৮ ৩,২৩৮ ৭৯,৬৫৪
৪৩ পোল্যান্ড ৮৯,৯৬২ ২,৪৮৩ ৬৮,৯৫৫
৪৪ চীন ৮৫,৩৮৪ ৪,৬৩৪ ৮০,৫৬৬
৪৫ জাপান ৮২,১৩১ ১,৫৪৮ ৭৪,৯৯০
৪৬ বেলারুশ ৭৮,২৬০ ৮২৮ ৭৪,৩২০
৪৭ নেপাল ৭৬,২৫৮ ৪৯১ ৫৫,৩৭১
৪৮ হন্ডুরাস ৭৫,৫৩৭ ২,৩০১ ২৬,৯৫৭
৪৯ পর্তুগাল ৭৪,৭১৭ ১,৯৬৩ ৪৮,১৯৩
৫০ কোস্টারিকা ৭৪,৬০৪ ৮৮০ ৩০,৭০৩
৫১ ইথিওপিয়া ৭৪,৫৮৪ ১,১৯১ ৩০,৯৫২
৫২ ভেনেজুয়েলা ৭৩,৫২৮ ৬১৪ ৬৩,৩৪৬
৫৩ বাহরাইন ৬৯,৮৪৮ ২৪৬ ৬৩,৫৪৯
৫৪ চেক প্রজাতন্ত্র ৬৬,৭৮৮ ৬৩৫ ৩২,৬৯৩
৫৫ নাইজেরিয়া ৫৮,৪৬০ ১,১১১ ৪৯,৮৯৫
৫৬ সিঙ্গাপুর ৫৭,৭৪২ ২৭ ৫৭,৪৬৬
৫৭ উজবেকিস্তান ৫৬,৩৫৪ ৪৬৬ ৫২,৯৭০
৫৮ সুইজারল্যান্ড ৫২,৮৭১ ২,০৬৯ ৪২,৭০০
৫৯ মলদোভা ৫২,০২৯ ১,৩১০ ৩৮,৫৭৯
৬০ আলজেরিয়া ৫১,৩৬৮ ১,৭২৬ ৩৬,০৬৩
৬১ আর্মেনিয়া ৪৯,৯০১ ৯৫৮ ৪৩,৮৪৯
৬২ কিরগিজস্তান ৪৬,৫২২ ১,৪৯৮ ৪২,৭৬১
৬৩ ঘানা ৪৬,৪৮২ ৩০১ ৪৫,৬৫১
৬৪ অস্ট্রিয়া ৪৪,০৪১ ৭৯৬ ৩৪,৯১৬
৬৫ আজারবাইজান ৪০,১১৯ ৫৯০ ৩৭,৮২৭
৬৬ ফিলিস্তিন ৩৯,৫৪১ ৩০৬ ৩১,০৪৭
৬৭ প্যারাগুয়ে ৩৯,৪৩২ ৮১৮ ২৩,০৬৩
৬৮ আফগানিস্তান ৩৯,২৫৪ ১,৪৫৮ ৩২,৭৪৬
৬৯ কেনিয়া ৩৮,৩৭৮ ৭০৭ ২৪,৭৪০
৭০ লেবানন ৩৮,৩৭৭ ৩৬১ ১৭,১১০
৭১ আয়ারল্যান্ড ৩৫,৭৪০ ১,৮০৩ ২৩,৩৬৪
৭২ লিবিয়া ৩৪,০১৪ ৫৪০ ১৮,৯০২
৭৩ সার্বিয়া ৩৩,৪৭৯ ৭৪৯ ৩১,৫৩৬
৭৪ এল সালভাদর ২৮,৯৮১ ৮৩৯ ২৩,৬৮৫
৭৫ ডেনমার্ক ২৭,৪৬৪ ৬৫০ ২০,৩২০
৭৬ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২৭,২২৬ ৮৪৩ ২০,৩২২
৭৭ অস্ট্রেলিয়া ২৭,০৫৫ ৮৮২ ২৪,৬৭৬
৭৮ হাঙ্গেরি ২৫,৫৬৭ ৭৫৭ ৫,১৭৩
৭৯ দক্ষিণ কোরিয়া ২৩,৬৯৯ ৪০৭ ২১,৪৭০
৮০ ক্যামেরুন ২০,৮৩৮ ৪১৮ ১৯,৪৪০
৮১ বুলগেরিয়া ২০,৫৪৭ ৮১৩ ১৪,৪৮৯
৮২ আইভরি কোস্ট ১৯,৬৬৯ ১২০ ১৯,২৪১
৮৩ গ্রীস ১৮,১২৩ ৩৮৮ ৯,৯৮৯
৮৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১৭,৭৮৬ ৭৩৭ ১৪,৮০১
৮৫ তিউনিশিয়া ১৭,৪০৫ ২৪৬ ৫,০৩২
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ১৬,৩৮০ ২৭৫ ১৪,৯৪৭
৮৭ মাদাগাস্কার ১৬,৩৭৭ ২২৯ ১৫,১৩৯
৮৮ সেনেগাল ১৪,৯৪৫ ৩১০ ১২,৩৩৫
৮৯ জাম্বিয়া ১৪,৭১৫ ৩৩২ ১৩,৯৩৭
৯০ নরওয়ে ১৩,৮৬১ ২৭৪ ১১,১৯০
৯১ সুদান ১৩,৬০৬ ৮৩৬ ৬,৭৬৪
৯২ আলবেনিয়া ১৩,৫১৮ ৩৮৪ ৭,৭৩২
৯৩ মায়ানমার ১২,৪২৫ ২৮৪ ৩,৩৯১
৯৪ নামিবিয়া ১১,১৪০ ১২১ ৮,৯৩৭
৯৫ মালয়েশিয়া ১১,১৩৫ ১৩৪ ৯,৯৩৯
৯৬ গিনি ১০,৬৩৪ ৬৬ ৯,৯৬০
৯৭ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১০,৬৩১ ২৭২ ১০,১২৯
৯৮ মন্টিনিগ্রো ১০,৫৭৫ ১৬৪ ৭,০০২
৯৯ মালদ্বীপ ১০,১৯৪ ৩৪ ৯,০৩৭
১০০ জর্ডান ১০,০৪৯ ৫৭ ৪,৪৯৬
১০১ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৯,৯২৯ ৬৬ ৯,৫৬৯
১০২ ফিনল্যাণ্ড ৯,৮৯২ ৩৪৫ ৭,৮৫০
১০৩ তাজিকিস্তান ৯,৭২৬ ৭৫ ৮,৫৩১
১০৪ স্লোভাকিয়া ৯,৫৭৪ ৪৫ ৪,৩২৯
১০৫ হাইতি ৮,৭৪০ ২২৭ ৬,৭৫৭
১০৬ গ্যাবন ৮,৭২৮ ৫৪ ৭,৯৩৪
১০৭ মোজাম্বিক ৮,৫৫৬ ৫৯ ৫,২০৫
১০৮ লুক্সেমবার্গ ৮,৪৩১ ১২৪ ৭,১৪০
১০৯ উগান্ডা ৮,০১৭ ৭৫ ৪,০৩৩
১১০ জিম্বাবুয়ে ৭,৮১৬ ২২৮ ৬,১১২
১১১ মৌরিতানিয়া ৭,৪৭৪ ১৬১ ৭,০৯১
১১২ জ্যামাইকা ৬,৪০৮ ১০১ ১,৭৭০
১১৩ কেপ ভার্দে ৫,৯০০ ৫৯ ৫,২২৮
১১৪ জর্জিয়া ৫,৮৬৬ ৩৬ ২,৩২৪
১১৫ মালাউই ৫,৭৭২ ১৭৯ ৪,২৪৫
১১৬ কিউবা ৫,৫৩১ ১২২ ৪,৮৬৬
১১৭ স্লোভেনিয়া ৫,৪৮৭ ১৪৯ ৩,৬৮২
১১৮ ইসওয়াতিনি ৫,৪৬২ ১০৮ ৪,৮৫৯
১১৯ জিবুতি ৫,৪১৬ ৬১ ৫,৩৪৪
১২০ নিকারাগুয়া ৫,১৭০ ১৫১ ২,৯১৩
১২১ হংকং ৫,০৮০ ১০৫ ৪,৮০৭
১২২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,০২৮ ৮৩ ৪,৭৪০
১২৩ কঙ্গো ৫,০০৮ ১১৪ ৩,৮৮৭
১২৪ অ্যাঙ্গোলা ৪,৯০৫ ১৭৯ ১,৮৩৩
১২৫ রুয়ান্ডা ৪,৮৩৬ ২৯ ৩,১২৫
১২৬ সুরিনাম ৪,৮৩৬ ১০২ ৪,৬৬৭
১২৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৮০৬ ৬২ ১,৮৪০
১২৮ লিথুনিয়া ৪,৫৮৭ ৯২ ২,৩৪৯
১২৯ গুয়াদেলৌপ ৪,৪৮৭ ৪২ ২,১৯৯
১৩০ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৪,৪৪১ ৭৪ ২,৪৫৪
১৩১ সিরিয়া ৪,১৪৮ ১৯৭ ১,০৮৮
১৩২ আরুবা ৩,৯৩৪ ২৬ ৩,১৮১
১৩৩ বাহামা ৩,৯০৩ ৯১ ২,০৭২
১৩৪ রিইউনিয়ন ৩,৮৮২ ১৫ ২,৮১৯
১৩৫ সোমালিয়া ৩,৫৮৮ ৯৯ ২,৯৪৬
১৩৬ গাম্বিয়া ৩,৫৭৯ ১১২ ২,১৬১
১৩৭ থাইল্যান্ড ৩,৫৫৯ ৫৯ ৩,৩৭০
১৩৮ মায়োত্তে ৩,৫৪১ ৪০ ২,৯৬৪
১৩৯ শ্রীলংকা ৩,৩৭৪ ১৩ ৩,২৩০
১৪০ এস্তোনিয়া ৩,৩১৫ ৬৯ ২,৫৬৪
১৪১ বতসোয়ানা ৩,১৭২ ১৬ ৭১০
১৪২ মালি ৩,১০১ ১৩১ ২,৪৪৩
১৪৩ মালটা ৩,০৩৫ ৩৪ ২,৪৮৪
১৪৪ গায়ানা ২,৭৮৭ ৭৮ ১,৬০৮
১৪৫ দক্ষিণ সুদান ২,৭০০ ৪৯ ১,২৯০
১৪৬ আইসল্যান্ড ২,৬৯৫ ১০ ২,১৬১
১৪৭ বেনিন ২,৩৪০ ৪০ ১,৯৬০
১৪৮ গিনি বিসাউ ২,৩২৪ ৩৯ ১,৫৪৯
১৪৯ সিয়েরা লিওন ২,২২২ ৭২ ১,৬৮৫
১৫০ বুর্কিনা ফাঁসো ২,০৩২ ৫৮ ১,৩০৯
১৫১ ইয়েমেন ২,০৩১ ৫৮৭ ১,২৭৫
১৫২ উরুগুয়ে ২,০১০ ৪৭ ১,৭৫৫
১৫৩ এনডোরা ১,৯৬৬ ৫৩ ১,২৬৫
১৫৪ বেলিজ ১,৮৯১ ২৪ ১,২০৮
১৫৫ নিউজিল্যান্ড ১,৮৩৫ ২৫ ১,৭৫৫
১৫৬ টোগো ১,৭৫৯ ৪৮ ১,৩৪১
১৫৭ লাটভিয়া ১,৭২৯ ৩৭ ১,৩০৭
১৫৮ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১,৭২৮ ১,৪৩১
১৫৯ সাইপ্রাস ১,৭১৩ ২২ ১,৩৬৯
১৬০ লেসোথো ১,৫৭৬ ৩৫ ৮৭৩
১৬১ লাইবেরিয়া ১,৩৪৩ ৮২ ১,২২১
১৬২ মার্টিনিক ১,২৯০ ২০ ৯৮
১৬৩ নাইজার ১,১৯৬ ৬৯ ১,১১০
১৬৪ চাদ ১,১৯৩ ৮৫ ১,০০৭
১৬৫ ভিয়েতনাম ১,০৯৪ ৩৫ ১,০০৭
১৬৬ সান ম্যারিনো ৭৩৫ ৪৫ ৬৭৬
১৬৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৬৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬৮২ ৬৩১
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ৬৬৪ ৪৮ ৬০০
১৭০ সিন্ট মার্টেন ৬৪৫ ২২ ৫৪৯
১৭১ পাপুয়া নিউ গিনি ৫৩২ ৫১৬
১৭২ তাইওয়ান ৫১৩ ৪৮০
১৭৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৭৪ বুরুন্ডি ৫০৬ ৪৭২
১৭৫ কমোরস ৪৭৯ ৪৬৪
১৭৬ ফারে আইল্যান্ড ৪৬৩ ৪২৮
১৭৭ জিব্রাল্টার ৩৯১ ৩৪২
১৭৮ সেন্ট মার্টিন ৩৮৩ ২৭৩
১৭৯ ইরিত্রিয়া ৩৭৫ ৩৪১
১৮০ কিউরাসাও ৩৭০ ১৫৭
১৮১ মরিশাস ৩৬৭ ১০ ৩৪৩
১৮২ আইল অফ ম্যান ৩৪০ ২৪ ৩১৫
১৮৩ মঙ্গোলিয়া ৩১৩ ৩০৫
১৮৪ ভুটান ২৮০ ২১০
১৮৫ কম্বোডিয়া ২৭৭ ২৭৫
১৮৬ মোনাকো ২১৪ ১৭৮
১৮৭ কেম্যান আইল্যান্ড ২১১ ২০৮
১৮৮ বার্বাডোস ১৯০ ১৭৮
১৮৯ বারমুডা ১৮১ ১৬৭
১৯০ ব্রুনাই ১৪৬ ১৪২
১৯১ সিসিলি ১৪৩ ১৪০
১৯২ লিচেনস্টেইন ১১৮ ১১৩
১৯৩ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১০৬ ২৪
১৯৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১০১ ৯২
১৯৫ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৬৬
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬৪ ৬৪
১৯৭ সেন্ট বারথেলিমি ৪৮ ২৫
১৯৮ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
১৯৯ ফিজি ৩২ ২৮
২০০ ডোমিনিকা ৩০ ২৪
২০১ পূর্ব তিমুর ২৮ ৩১
২০২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২৭ ২৬
২০৩ সেন্ট লুসিয়া ২৭ ২৭
২০৪ গ্রেনাডা ২৪ ২৪
২০৫ লাওস ২৩ ২২
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৯ ১৭
২০৭ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৪ ১৪
২০৯ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২১১ ভ্যাটিকান সিটি ১২ ১২
২১২ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]